০৭:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পলাশবাড়ীতে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব কার্যকর না হওয়ায় সংবাদ সম্মেলন

  • Reporter Name
  • ১২:৩৭:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
  • ১০২

বায়েজীদ গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার পবনাপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাহাবুবুর রহমান মন্ডলের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতি,অর্থ আত্মসাৎ ও স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনায়ন করে ইউএনও এবং জেলা প্রশাসক বরাবরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছে অত্র ইউনিয়নের ৯ জন ইউপি সদস্য।
লিখিত বক্তব্য বলেন, অভিযোগ দাখিলের প্রায় ১ মাস অতিবাহিত হলে ও জেলা প্রশাসক গাইবান্ধা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার পলাশবাড়ী চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কার্যকরি কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে নি।ফলে স্থবির হয়ে পরেছে ইউনিয়ন পরিষদের স্বাভাবিক কার্যক্রম।
নির্বাচন পরবর্তি অত্র ইউনিয়নের সার্বিক কার্যক্রম শুরু হয়।চেয়ারম্যান মাহাবুবুর রহমান মন্ডল নিয়মনীতির কোনো তোয়াক্কা না করে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারের মাধ্যমে সরকারি পরিপত্র উপেক্ষা করে মনগড়া ভূমিকা পালন করে আসছেন।এক্ষেত্রে ইউপি সদস্যদের সাথে কোনরূপ পরামর্শ না করে বেপরোয়া মানসিকতায় অবৈধ পন্থায় পরিষদের কার্যক্রম অব্যাহত চালিয়ে যাচ্ছেন।ফলে ইউনিয়নবাসী সরকারি প্রকৃত সেবা প্রাপ্তি থেকে যেমন বঞ্চিত হচ্ছেন তেমনি উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড থেকে অত্র-এলাকা পিছিয়ে পড়ছে।চেয়ারম্যান ২০২১-২২ অর্থবছরে ভূয়া প্রকল্প দেখিয়ে ১% অর্থ ছাড়াও পরিষদের আদায়কৃত অর্থ ব্যাংকে জমা না রেখে তিনি নিজেই পকেটস্থ করেছেন।
এছাড়া জন্ম নিবন্ধনের সরকারি নির্ধারিত ফি’র অতিরিক্ত ফি আদায় অব্যাহত চালিিয়ে যাচ্ছেন।অপরদিকে ; জনসাধারণের নিকট গ্রাম আদালতের বিপরীতে ১০/২০ টাকা নেয়ার কথা থাকলেও চেয়ারম্যান সেখানে ৪’শ টাকা পর্যন্ত ফি নিচ্ছেন।
টিসিবি সুবিধাভোগীর নামীয় কার্ডের পণ্যসামগ্রী তিনি নিজেই উত্তোলন করে আত্মসাত করছেন।ভিজিএফ এর ৮৪ বস্তা চাল কার্ডধারীদের মাঝে বিতরণ না করে কালোবাজারির মাধ্যমে বিক্রয় করেন। পরবর্তীতে থানা পুলিশ চালের বস্তা সমূহ জব্দ করেন।এ ব্যাপারে থানায় মামলা হলে ও চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কোন ব্যাবস্থা গ্রহণ করেনি।
২০২৩-২৪ অর্থ বছরের ভিডব্লিউবি কর্মসূচির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার অন্তর্ভূক্তির তালিকা অনিয়ম করে অর্থের বিনিময় দরিদ্রদের বাদ দিয়ে নিজস্ব আত্মীয় স্বজনের মাঝে এসব কার্ড বিতরণ করেন। ২০২১-২২ অর্থ বছর এলজিএসপি’র বরাদ্দকৃত অর্থ ভূয়া প্রকল্প দাখিলের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেন। হাট বাজার উন্নয়ন সহায়তা প্রকল্পের টাকায় ভুয়া প্রকল্প দেখিয়ে শুধুমাত্র ভুয়া বিল ভাউচার দেখিয়ে সমস্ত টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

জনপ্রিয়

বগুড়ায় প্রেস কাউন্সিলের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

পলাশবাড়ীতে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব কার্যকর না হওয়ায় সংবাদ সম্মেলন

১২:৩৭:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

বায়েজীদ গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার পবনাপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাহাবুবুর রহমান মন্ডলের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতি,অর্থ আত্মসাৎ ও স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনায়ন করে ইউএনও এবং জেলা প্রশাসক বরাবরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছে অত্র ইউনিয়নের ৯ জন ইউপি সদস্য।
লিখিত বক্তব্য বলেন, অভিযোগ দাখিলের প্রায় ১ মাস অতিবাহিত হলে ও জেলা প্রশাসক গাইবান্ধা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার পলাশবাড়ী চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কার্যকরি কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে নি।ফলে স্থবির হয়ে পরেছে ইউনিয়ন পরিষদের স্বাভাবিক কার্যক্রম।
নির্বাচন পরবর্তি অত্র ইউনিয়নের সার্বিক কার্যক্রম শুরু হয়।চেয়ারম্যান মাহাবুবুর রহমান মন্ডল নিয়মনীতির কোনো তোয়াক্কা না করে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারের মাধ্যমে সরকারি পরিপত্র উপেক্ষা করে মনগড়া ভূমিকা পালন করে আসছেন।এক্ষেত্রে ইউপি সদস্যদের সাথে কোনরূপ পরামর্শ না করে বেপরোয়া মানসিকতায় অবৈধ পন্থায় পরিষদের কার্যক্রম অব্যাহত চালিয়ে যাচ্ছেন।ফলে ইউনিয়নবাসী সরকারি প্রকৃত সেবা প্রাপ্তি থেকে যেমন বঞ্চিত হচ্ছেন তেমনি উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড থেকে অত্র-এলাকা পিছিয়ে পড়ছে।চেয়ারম্যান ২০২১-২২ অর্থবছরে ভূয়া প্রকল্প দেখিয়ে ১% অর্থ ছাড়াও পরিষদের আদায়কৃত অর্থ ব্যাংকে জমা না রেখে তিনি নিজেই পকেটস্থ করেছেন।
এছাড়া জন্ম নিবন্ধনের সরকারি নির্ধারিত ফি’র অতিরিক্ত ফি আদায় অব্যাহত চালিিয়ে যাচ্ছেন।অপরদিকে ; জনসাধারণের নিকট গ্রাম আদালতের বিপরীতে ১০/২০ টাকা নেয়ার কথা থাকলেও চেয়ারম্যান সেখানে ৪’শ টাকা পর্যন্ত ফি নিচ্ছেন।
টিসিবি সুবিধাভোগীর নামীয় কার্ডের পণ্যসামগ্রী তিনি নিজেই উত্তোলন করে আত্মসাত করছেন।ভিজিএফ এর ৮৪ বস্তা চাল কার্ডধারীদের মাঝে বিতরণ না করে কালোবাজারির মাধ্যমে বিক্রয় করেন। পরবর্তীতে থানা পুলিশ চালের বস্তা সমূহ জব্দ করেন।এ ব্যাপারে থানায় মামলা হলে ও চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কোন ব্যাবস্থা গ্রহণ করেনি।
২০২৩-২৪ অর্থ বছরের ভিডব্লিউবি কর্মসূচির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার অন্তর্ভূক্তির তালিকা অনিয়ম করে অর্থের বিনিময় দরিদ্রদের বাদ দিয়ে নিজস্ব আত্মীয় স্বজনের মাঝে এসব কার্ড বিতরণ করেন। ২০২১-২২ অর্থ বছর এলজিএসপি’র বরাদ্দকৃত অর্থ ভূয়া প্রকল্প দাখিলের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেন। হাট বাজার উন্নয়ন সহায়তা প্রকল্পের টাকায় ভুয়া প্রকল্প দেখিয়ে শুধুমাত্র ভুয়া বিল ভাউচার দেখিয়ে সমস্ত টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন।