০৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বগুড়ায় সংবাদপত্রের কালো দিবসের আলোচনায় বক্তারাঃ গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী সরকারকে বিদায় করতে হবে

  • Reporter Name
  • ০২:১৪:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জুন ২০২৩
  • ১৬৮

বগুড়া প্রতিনিধিরঃ ১৬ই জুন সংবাদপত্রের কালো দিবসে সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়া’র আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, শেখ হাসিনার সরকার জনগণ, সংবাদপত্র ও দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের দুশমন। এই সরকারের শাসনামলে গণমাধ্যম কর্মীরা সবচেয়ে বেশি জুলুম-নির্যাতন শিকার হয়েছেন। স্বাধীন সাংবাদিকতা, দেশ ও জনগণের মুক্তির জন্য অবিলম্বে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে এই সরকারের পতন ঘটাতে হবে। সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়া’র সভাপতি মীর্জা সেলিম রেজার সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক আব্দুল ওয়াদুদের সঞ্চালনায় স্থানীয় টিএমএসএস মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বগুড়া পৌরসভার মেয়র ও বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা। আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে আলোচনায় অংশ নেন বগুড়া প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি রেজাউল হাসান রানু, সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়া’র সাবেক সভাপতি মীর সাজ্জাদ আলী সন্তোষ, অবিভক্ত সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারন সম্পাদক মতিয়ুল ইসলাম সাদী ও জাসদ নেতা রেজাউল করিম দিপন। অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়া’র সহসভাপতি আব্দুর রহিম, সাবেক সাধারন সম্পাদক মমিনুর রশিদ সাইন, সাবেক সহসভাপতি হাবিবুর রহমান আকন্দ, আবুল কালাম আজাদ, এসএম আবু সাঈদ, মাহফুজ মন্ডল, ফেরদৌসুর রহমান, ইনছান আলী শেখ, সাইফুল ইসলাম, সাইদুর রহমান সাজু, ইকবাল হোসাইন প্রমূখ।
বক্তারা বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৬ই জুন শেখ মুজিবুর রহমানের বাকশাল সরকার ৪টি পত্রিকা সরকারের নিয়ন্ত্রণে রেখে সারাদেশের সবগুলো পত্রিকা বন্ধ করে মানুষের বাক স্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছিল। ১৯৭৫ সালের পট পরিবর্তনের পর জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে একদিকে যেমন বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তণ করেছিলেন, তেমনি সংবাদপত্রের স্বাধীনতা পূনরুদ্ধার করেছিলেন। তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের ভয়-ডরহীন ভাবে সত্য প্রকাশের সুযোগ করে দিয়েছিলেন। বক্তারা বলেন, শেখ হাসিনার সরকার বিরোধী রাজনৈতিক দল ও মত দলনের পাশাপাশি সংবাদপত্রের স্বাধীনতাকেও গলাটিপে হত্যা করেছে। একাধক সংবাদপত্র ও টেলিভিশন চ্যানেল বন্ধের মাধ্যমে শত শত সাংবাদিককে বেকার করেছে। সরকারি বিজ্ঞাপন বন্ধ করে দেশের অসংখ্য সংবাদপত্র বন্ধের মুখে ঠেলে দিয়েছে। এই সরকারের আমলে সাংবাদিক নির্যাতন অতীতের রেকর্ড ভেঙ্গেছে। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও মানুষের মুক্তির জন্য এই সরকারের কবল থেকে মুক্ত হওয়া জরুরী। আলোচনা সভা থেকে সকল ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ ভাবে সরকার পতনের আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য সাংবাদিক সমাজের প্রতি আহŸান জানানো হয়।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

জনপ্রিয়

বগুড়ায় প্রেস কাউন্সিলের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

বগুড়ায় সংবাদপত্রের কালো দিবসের আলোচনায় বক্তারাঃ গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী সরকারকে বিদায় করতে হবে

০২:১৪:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জুন ২০২৩

বগুড়া প্রতিনিধিরঃ ১৬ই জুন সংবাদপত্রের কালো দিবসে সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়া’র আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, শেখ হাসিনার সরকার জনগণ, সংবাদপত্র ও দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের দুশমন। এই সরকারের শাসনামলে গণমাধ্যম কর্মীরা সবচেয়ে বেশি জুলুম-নির্যাতন শিকার হয়েছেন। স্বাধীন সাংবাদিকতা, দেশ ও জনগণের মুক্তির জন্য অবিলম্বে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে এই সরকারের পতন ঘটাতে হবে। সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়া’র সভাপতি মীর্জা সেলিম রেজার সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক আব্দুল ওয়াদুদের সঞ্চালনায় স্থানীয় টিএমএসএস মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বগুড়া পৌরসভার মেয়র ও বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা। আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে আলোচনায় অংশ নেন বগুড়া প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি রেজাউল হাসান রানু, সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়া’র সাবেক সভাপতি মীর সাজ্জাদ আলী সন্তোষ, অবিভক্ত সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারন সম্পাদক মতিয়ুল ইসলাম সাদী ও জাসদ নেতা রেজাউল করিম দিপন। অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়া’র সহসভাপতি আব্দুর রহিম, সাবেক সাধারন সম্পাদক মমিনুর রশিদ সাইন, সাবেক সহসভাপতি হাবিবুর রহমান আকন্দ, আবুল কালাম আজাদ, এসএম আবু সাঈদ, মাহফুজ মন্ডল, ফেরদৌসুর রহমান, ইনছান আলী শেখ, সাইফুল ইসলাম, সাইদুর রহমান সাজু, ইকবাল হোসাইন প্রমূখ।
বক্তারা বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৬ই জুন শেখ মুজিবুর রহমানের বাকশাল সরকার ৪টি পত্রিকা সরকারের নিয়ন্ত্রণে রেখে সারাদেশের সবগুলো পত্রিকা বন্ধ করে মানুষের বাক স্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছিল। ১৯৭৫ সালের পট পরিবর্তনের পর জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে একদিকে যেমন বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তণ করেছিলেন, তেমনি সংবাদপত্রের স্বাধীনতা পূনরুদ্ধার করেছিলেন। তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের ভয়-ডরহীন ভাবে সত্য প্রকাশের সুযোগ করে দিয়েছিলেন। বক্তারা বলেন, শেখ হাসিনার সরকার বিরোধী রাজনৈতিক দল ও মত দলনের পাশাপাশি সংবাদপত্রের স্বাধীনতাকেও গলাটিপে হত্যা করেছে। একাধক সংবাদপত্র ও টেলিভিশন চ্যানেল বন্ধের মাধ্যমে শত শত সাংবাদিককে বেকার করেছে। সরকারি বিজ্ঞাপন বন্ধ করে দেশের অসংখ্য সংবাদপত্র বন্ধের মুখে ঠেলে দিয়েছে। এই সরকারের আমলে সাংবাদিক নির্যাতন অতীতের রেকর্ড ভেঙ্গেছে। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও মানুষের মুক্তির জন্য এই সরকারের কবল থেকে মুক্ত হওয়া জরুরী। আলোচনা সভা থেকে সকল ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ ভাবে সরকার পতনের আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য সাংবাদিক সমাজের প্রতি আহŸান জানানো হয়।