০৬:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কাহালুতে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী হেলাল কবিরাজের মনোনয়নপত্র দাখিল

  • Reporter Name
  • ০৩:৩৯:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৩
  • ১৪৯

মুনসুর রহমান তানসেন কাহালু (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বগুড়া-৪ কাহালু-নন্দীগ্রাম আসনে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব মোঃ হেলাল উদ্দিন কবিরাজ গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে কাহালু উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটানিং অফিসার মোছাঃ মেরিনা আফরোজের কাছে মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন।
মনোনয়ন পত্র দাখিলের সময় উপস্থিত ছিলেন নন্দীগ্রাম উপজেলা চেয়ারম্যান রেজাউল আশরাফ জিন্নাহ, কাহালু উপজেলা চেয়ারম্যান আল হাসিবুল হাসান সুরুজ, জেলা আওয়ামীলীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক নাসরিন রহমান সীমা, কাহালু উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আঃ মান্নানসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, মেম্বারসহ আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
আলহাজ্ব মোঃ হেলাল উদ্দিন কবিরাজ বর্তমানে কাহালু উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি পদে রয়েছেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট্র ঘাতকের বুলেটে বঙ্গবন্ধু স্বপরিবারে নিহত হওয়ার পর দুঃসময়ে আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে তিনি জড়িয়ে পড়েন। সামরিক সরকারের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের কথা মানুষের মাঝে তুলে ধরেছেন।
১৯৮৫ সালে আওয়ামীলীগের সম্মেলনে সাংগঠনিক সম্পদক পদ থেকে তিনি প্রথম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের সম্মেলনেও তিনি সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০০৪ সালের সম্মেলনে সভাপতি নির্বাতি হয়ে পর পর কয়েক বার সভাপতি নির্বাচিত হয়ে এখন পর্যন্ত নিষ্ঠার সাথে তিনি দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন বিশ্বাসী সংগঠক হিসেবে বিএনপি-জামায়াত অধ্যষিত এলাকা কাহালু পৌরসভার পর পর দু-বার মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন। মেয়র থাকা অবস্থায় তিনি রাস্তাঘাট, ড্রেন নির্মাণ, পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে বঙ্গবন্ধু মুর‌্যাল নির্মাণ, কয়েকটি মঞ্চ নির্মাণসহ পৌর এলাকাকে নান্দনিক করতে অভ’তপূর্ণ উন্নয়ণ করেছেন।
বিএনপি-জামায়াত অধ্যষিত এই এলাকায় তিনি আওয়ামীলীগের রাজনীতি করতে গিয়ে বিভিন্ন সরকারের আমলে নানাভাবে নির্যাতিত হয়েছেন। তিনিসহ তার পরিবারের অনেকে রাজরৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে মামলা-মোকর্দ্দমার আসামী হয়েছেন অনেকবারে। তার বাড়িঘর ও ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানেও হামলাÑভাংচুর করেছে বিরোধী পক্ষরা। তার মনোয়ন পাওয়ার পর অনেকে মন্তব্য করেছেন তাকে দলীয় মনোনয়ন দিয়ে সঠিক মুল্যায়ণ করা হয়েছে। এছাড়াও আগের সংসদ নির্বাচন গুলোতে কাহালু উপজেলা থেকে আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ণ কেউ পায়নি।এই প্রথম কাহালু উপজেলা থেকে আলহাজ্ব মোঃ হেলাল উদ্দিন কবিরাজকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ায় দলীয় নেতাকর্মীর পাশাপাশি সাধারণ মানুষও অনেক আনন্দ প্রকাশ করেছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র দাখিলের পূর্বে হেলাল উদ্দিন কবিরাজের নেতৃত্বে কয়েক হাজার নেতাকর্মীবিএনপি-জামায়াতের হরতাল বিরোধী মিছিল করার মাধ্যমে বড় ধরণের শোডাউন করেছেন। শোডাউনের পর নেতাকর্মীদের বিদায় দিয়ে নির্বাচনী আচরণ বিধি মেনে তিনি মনোনয়ন পত্র দাখিল করেন।
এদিকে উপজেলা নির্বাচন অফিসার মাহমুদা আক্তার জানিয়েছেন মনোনয়ন পত্র দাখিলের শেষদিন গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এখানে মোট তিনজন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র দাখিল করেন। হেলাল কবিরাজ ছাড়াও যারা এখানে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন তারা হলেন বিএনপির সাবেক এমপি ডাঃ জিয়াউল হক মোল্লা ও জাকের পার্টির আঃ রশিদ সরদার।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

জনপ্রিয়

বগুড়ায় প্রেস কাউন্সিলের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

কাহালুতে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী হেলাল কবিরাজের মনোনয়নপত্র দাখিল

০৩:৩৯:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৩

মুনসুর রহমান তানসেন কাহালু (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বগুড়া-৪ কাহালু-নন্দীগ্রাম আসনে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব মোঃ হেলাল উদ্দিন কবিরাজ গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে কাহালু উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটানিং অফিসার মোছাঃ মেরিনা আফরোজের কাছে মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন।
মনোনয়ন পত্র দাখিলের সময় উপস্থিত ছিলেন নন্দীগ্রাম উপজেলা চেয়ারম্যান রেজাউল আশরাফ জিন্নাহ, কাহালু উপজেলা চেয়ারম্যান আল হাসিবুল হাসান সুরুজ, জেলা আওয়ামীলীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক নাসরিন রহমান সীমা, কাহালু উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আঃ মান্নানসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, মেম্বারসহ আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
আলহাজ্ব মোঃ হেলাল উদ্দিন কবিরাজ বর্তমানে কাহালু উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি পদে রয়েছেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট্র ঘাতকের বুলেটে বঙ্গবন্ধু স্বপরিবারে নিহত হওয়ার পর দুঃসময়ে আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে তিনি জড়িয়ে পড়েন। সামরিক সরকারের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের কথা মানুষের মাঝে তুলে ধরেছেন।
১৯৮৫ সালে আওয়ামীলীগের সম্মেলনে সাংগঠনিক সম্পদক পদ থেকে তিনি প্রথম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের সম্মেলনেও তিনি সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০০৪ সালের সম্মেলনে সভাপতি নির্বাতি হয়ে পর পর কয়েক বার সভাপতি নির্বাচিত হয়ে এখন পর্যন্ত নিষ্ঠার সাথে তিনি দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন বিশ্বাসী সংগঠক হিসেবে বিএনপি-জামায়াত অধ্যষিত এলাকা কাহালু পৌরসভার পর পর দু-বার মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন। মেয়র থাকা অবস্থায় তিনি রাস্তাঘাট, ড্রেন নির্মাণ, পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে বঙ্গবন্ধু মুর‌্যাল নির্মাণ, কয়েকটি মঞ্চ নির্মাণসহ পৌর এলাকাকে নান্দনিক করতে অভ’তপূর্ণ উন্নয়ণ করেছেন।
বিএনপি-জামায়াত অধ্যষিত এই এলাকায় তিনি আওয়ামীলীগের রাজনীতি করতে গিয়ে বিভিন্ন সরকারের আমলে নানাভাবে নির্যাতিত হয়েছেন। তিনিসহ তার পরিবারের অনেকে রাজরৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে মামলা-মোকর্দ্দমার আসামী হয়েছেন অনেকবারে। তার বাড়িঘর ও ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানেও হামলাÑভাংচুর করেছে বিরোধী পক্ষরা। তার মনোয়ন পাওয়ার পর অনেকে মন্তব্য করেছেন তাকে দলীয় মনোনয়ন দিয়ে সঠিক মুল্যায়ণ করা হয়েছে। এছাড়াও আগের সংসদ নির্বাচন গুলোতে কাহালু উপজেলা থেকে আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ণ কেউ পায়নি।এই প্রথম কাহালু উপজেলা থেকে আলহাজ্ব মোঃ হেলাল উদ্দিন কবিরাজকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ায় দলীয় নেতাকর্মীর পাশাপাশি সাধারণ মানুষও অনেক আনন্দ প্রকাশ করেছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র দাখিলের পূর্বে হেলাল উদ্দিন কবিরাজের নেতৃত্বে কয়েক হাজার নেতাকর্মীবিএনপি-জামায়াতের হরতাল বিরোধী মিছিল করার মাধ্যমে বড় ধরণের শোডাউন করেছেন। শোডাউনের পর নেতাকর্মীদের বিদায় দিয়ে নির্বাচনী আচরণ বিধি মেনে তিনি মনোনয়ন পত্র দাখিল করেন।
এদিকে উপজেলা নির্বাচন অফিসার মাহমুদা আক্তার জানিয়েছেন মনোনয়ন পত্র দাখিলের শেষদিন গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এখানে মোট তিনজন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র দাখিল করেন। হেলাল কবিরাজ ছাড়াও যারা এখানে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন তারা হলেন বিএনপির সাবেক এমপি ডাঃ জিয়াউল হক মোল্লা ও জাকের পার্টির আঃ রশিদ সরদার।