০৫:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সোনাতলায় বালু উত্তোলনে বিদ্যালয় মাঠে জলাবদ্ধতাঃ ব্যহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম

  • Reporter Name
  • ১১:৫০:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • ২৬৪

আব্দুর রাজ্জাক, স্টাফ রিপোর্টারঃ বিদ্যালয়ের মাঠে পানি। ঝড়-বৃষ্টির মৌসুম না হলেও জলাবদ্ধাতার কবলে বিদ্যালয়টি। জলাবদ্ধতার কারণ হিসেবে জানা যায়, নদী খনন কাজের স্তুপীকৃত বালুর চুয়ে পরা পানি থেকে এ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি। এতে করে ব্যহত হচ্ছে ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম।
সরেজমিনে বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার পাকুল্যা ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাঠ ভর্তি পানি দেখা যায়। মাঠ ভর্তি পানি থাকায় শিক্ষর্থীদের ক্লাসরুমে যেতে ও টিফিন চলাকালীন সময়ে ছাত্র/ছাত্রীদের খেলাধুলা করতে চরম অসুবিধা হচ্ছে। শুধু তাই না। গ্রামের একটি মাত্র রাস্তা এই পানির কারনে কর্দমাক্ত ও পিচ্ছিল হয়েগেছে। যে কোন সময় দূর্ঘটনা ঘটতে পারে।
শিক্ষার্থীর অভিভাবক গোলাম রব্বানী অভিযোগ করে বলেন, এখন যে পরিমান পানি আপনারা দেখতেছেন এর আগে হাটু পানি ছিল এখনতো কম। বিদ্যালয়ের মাঠে পানি থাকার কারনে নিচে কাদা হয়েছে। এ কারনে বাচ্চারা স্কুলে আসা প্রায় বন্ধ করে দিয়েছে। যার ফলে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পাঠগ্রহণে ব্যঘাত ঘটতেছে। আমরা এর সমধান দ্রুত চাই।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভ্যানচালক বলেন, এই রাস্তা পিছলে হওয়ার কারনে ভয়ে ভয়ে ভ্যান চালাই। যে কোন সময় ভ্যান উল্টে যেতে পারে। স্থানীয়রা জানান, ওই বালুর পানির কারনে এই রাস্তা পুরো নষ্ট হয়ে গেছে।
উক্ত বিষয়ে নিশ্চিন্তপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল আজিজ বলেন, আমার স্কুলে ৪ জন শিক্ষক ও ১৬৯জন শিক্ষার্থী রয়েছে। বিদ্যালয়ের মাঠে পানি থাকার কারনে সবারই অসুবিধা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি অনেকাংশেই কমে গেছে। বিষয়টি দ্রুত সমাধান করতে ও মাঠে বালু ভারাট করে উচুঁ করার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের সর্বচ্চো কর্মকর্তা এসি স্যার, এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার স্যারদের সাথে কথা বলে আবেদন দিয়েছি।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এনায়েতুর রহমান বলেন, বিষয়টি আমরা জানি। প্রধান শিক্ষা ইউএনও বরাবর আবেদন করেছে। পরে স্কুল কমিটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে যোগাযোগ করেছে। তারা নাকি বলেছে আমরা বিষয়টি দেখছি।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাবেয়া আসফার সায়মা বলেন, এ বিষয়ে আমরা একটা অভিযোগ পেয়েছি। আমরা বিষয়টি দ্রুততার সাথে দেখবো।
এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ নাজমুল হক বলেন, আমরা কোন আবেদন পাইনি।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

জনপ্রিয়

বগুড়ায় প্রেস কাউন্সিলের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সোনাতলায় বালু উত্তোলনে বিদ্যালয় মাঠে জলাবদ্ধতাঃ ব্যহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম

১১:৫০:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

আব্দুর রাজ্জাক, স্টাফ রিপোর্টারঃ বিদ্যালয়ের মাঠে পানি। ঝড়-বৃষ্টির মৌসুম না হলেও জলাবদ্ধাতার কবলে বিদ্যালয়টি। জলাবদ্ধতার কারণ হিসেবে জানা যায়, নদী খনন কাজের স্তুপীকৃত বালুর চুয়ে পরা পানি থেকে এ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি। এতে করে ব্যহত হচ্ছে ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম।
সরেজমিনে বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার পাকুল্যা ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাঠ ভর্তি পানি দেখা যায়। মাঠ ভর্তি পানি থাকায় শিক্ষর্থীদের ক্লাসরুমে যেতে ও টিফিন চলাকালীন সময়ে ছাত্র/ছাত্রীদের খেলাধুলা করতে চরম অসুবিধা হচ্ছে। শুধু তাই না। গ্রামের একটি মাত্র রাস্তা এই পানির কারনে কর্দমাক্ত ও পিচ্ছিল হয়েগেছে। যে কোন সময় দূর্ঘটনা ঘটতে পারে।
শিক্ষার্থীর অভিভাবক গোলাম রব্বানী অভিযোগ করে বলেন, এখন যে পরিমান পানি আপনারা দেখতেছেন এর আগে হাটু পানি ছিল এখনতো কম। বিদ্যালয়ের মাঠে পানি থাকার কারনে নিচে কাদা হয়েছে। এ কারনে বাচ্চারা স্কুলে আসা প্রায় বন্ধ করে দিয়েছে। যার ফলে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পাঠগ্রহণে ব্যঘাত ঘটতেছে। আমরা এর সমধান দ্রুত চাই।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভ্যানচালক বলেন, এই রাস্তা পিছলে হওয়ার কারনে ভয়ে ভয়ে ভ্যান চালাই। যে কোন সময় ভ্যান উল্টে যেতে পারে। স্থানীয়রা জানান, ওই বালুর পানির কারনে এই রাস্তা পুরো নষ্ট হয়ে গেছে।
উক্ত বিষয়ে নিশ্চিন্তপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল আজিজ বলেন, আমার স্কুলে ৪ জন শিক্ষক ও ১৬৯জন শিক্ষার্থী রয়েছে। বিদ্যালয়ের মাঠে পানি থাকার কারনে সবারই অসুবিধা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি অনেকাংশেই কমে গেছে। বিষয়টি দ্রুত সমাধান করতে ও মাঠে বালু ভারাট করে উচুঁ করার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের সর্বচ্চো কর্মকর্তা এসি স্যার, এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার স্যারদের সাথে কথা বলে আবেদন দিয়েছি।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এনায়েতুর রহমান বলেন, বিষয়টি আমরা জানি। প্রধান শিক্ষা ইউএনও বরাবর আবেদন করেছে। পরে স্কুল কমিটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে যোগাযোগ করেছে। তারা নাকি বলেছে আমরা বিষয়টি দেখছি।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাবেয়া আসফার সায়মা বলেন, এ বিষয়ে আমরা একটা অভিযোগ পেয়েছি। আমরা বিষয়টি দ্রুততার সাথে দেখবো।
এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ নাজমুল হক বলেন, আমরা কোন আবেদন পাইনি।