০৬:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সোনাতলায় জমি বিক্রির নামে প্রতারণার অভিযোগ গোলাপের বিরুদ্ধে

  • Reporter Name
  • ১১:০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪
  • ৩১৭

ষ্টাফরিপোর্টারঃ বগুড়ার সোনাতলায় জমি বিক্রির নামে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে গোলাপ নামে ব্যাক্তির বিরুদ্ধে। এছাড়াও জমি বিক্রির নামে সাড়ে ৮লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে দলিল করে দিতে টালবাহানা করছে নূরে আলম গোলাপ। গোলাপ রানীরপাড়া গ্রামের নজমল খানের ছেলে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়,রানীরপাড়া মৌজার ৭৩৪৩ নং দাগের আট শতাংশ জমি দীর্ঘ ১বছর আগে, একই ইউনিয়নের সুজাইতপুর গ্রামের মৃত তোতা মন্ডলের ছেলে শাহিন আলম নিকট থেকে জমি বিক্রির উদ্দেশ্যে ১১লক্ষ ৬৬হাজার টাকার মধ্যে সাড়ে ৮ লক্ষ টাকা বায়না মূলে গ্রহন করে গোলাপ। দলিল সম্পাদনের সময় বাকী টাকা বুঝিয়ে দেয়া শর্তে। যেখানে স্থানীয় ব্যবসায়ী ইমদাদ ও বুলু মহুরীর স্বাক্ষীর উপস্থিতিতে একটি ষ্ট্যাম্পে লিখিত হয়। এরপরেও রেজিস্ট্রি করে দিতে না না টালবাহানা করে আসছে গোলাপ। একপর্যায়ে সে বাড়ি ছাড়া হয়ে আত্মগোপন করে আছে। মোবাইল ফোনে কোনো সারা পাওয়া যায়না । এক পর্যায়ে শাহিন আলম থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে সেখানে উভয়ের উপস্থিত সকলের সামনে এক সপ্তাহ পরে দলিল করে দেওয়ার কথা বলে। এরপর সেই সপ্তায় দলিল সম্পাদনের কার্যক্রম প্রস্তুত করলেও গোলাপ লাপাত্তা থাকে। তারপর তাকে আর পাওয়া যাচ্ছে না। শাহীন দিশেহারা হয়ে পড়েছে কি করবে সে। এ বিষয়ে গোলাপের শয্যা বাবা খানের সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমি অসুস্থ মানুষ টাকা কারবার করার সময় আমাকে ডাকেনি। ছেলে কোথায় থাকে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি জানিনা। গোলাপের মোবাইল নাম্বারে বেশকয়েকবার ফোন দিলে তাকে পাওয়া যায়নি।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

জনপ্রিয়

বগুড়ায় প্রেস কাউন্সিলের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সোনাতলায় জমি বিক্রির নামে প্রতারণার অভিযোগ গোলাপের বিরুদ্ধে

১১:০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪

ষ্টাফরিপোর্টারঃ বগুড়ার সোনাতলায় জমি বিক্রির নামে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে গোলাপ নামে ব্যাক্তির বিরুদ্ধে। এছাড়াও জমি বিক্রির নামে সাড়ে ৮লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে দলিল করে দিতে টালবাহানা করছে নূরে আলম গোলাপ। গোলাপ রানীরপাড়া গ্রামের নজমল খানের ছেলে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়,রানীরপাড়া মৌজার ৭৩৪৩ নং দাগের আট শতাংশ জমি দীর্ঘ ১বছর আগে, একই ইউনিয়নের সুজাইতপুর গ্রামের মৃত তোতা মন্ডলের ছেলে শাহিন আলম নিকট থেকে জমি বিক্রির উদ্দেশ্যে ১১লক্ষ ৬৬হাজার টাকার মধ্যে সাড়ে ৮ লক্ষ টাকা বায়না মূলে গ্রহন করে গোলাপ। দলিল সম্পাদনের সময় বাকী টাকা বুঝিয়ে দেয়া শর্তে। যেখানে স্থানীয় ব্যবসায়ী ইমদাদ ও বুলু মহুরীর স্বাক্ষীর উপস্থিতিতে একটি ষ্ট্যাম্পে লিখিত হয়। এরপরেও রেজিস্ট্রি করে দিতে না না টালবাহানা করে আসছে গোলাপ। একপর্যায়ে সে বাড়ি ছাড়া হয়ে আত্মগোপন করে আছে। মোবাইল ফোনে কোনো সারা পাওয়া যায়না । এক পর্যায়ে শাহিন আলম থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে সেখানে উভয়ের উপস্থিত সকলের সামনে এক সপ্তাহ পরে দলিল করে দেওয়ার কথা বলে। এরপর সেই সপ্তায় দলিল সম্পাদনের কার্যক্রম প্রস্তুত করলেও গোলাপ লাপাত্তা থাকে। তারপর তাকে আর পাওয়া যাচ্ছে না। শাহীন দিশেহারা হয়ে পড়েছে কি করবে সে। এ বিষয়ে গোলাপের শয্যা বাবা খানের সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমি অসুস্থ মানুষ টাকা কারবার করার সময় আমাকে ডাকেনি। ছেলে কোথায় থাকে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি জানিনা। গোলাপের মোবাইল নাম্বারে বেশকয়েকবার ফোন দিলে তাকে পাওয়া যায়নি।