০১:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সোনাতলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন পরিত্যাক্তঃ তাই বারান্দায় চলছে পাঠদান

  • Reporter Name
  • ০৪:৪৯:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ জুন ২০২৪
  • ২৫০

সোনাতলা সংবাদ ডেস্কঃ বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার মিলনেরপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি ভবন পরিত্যাক্ত ঘোষনা করা হয়েছে। এছাড়া শ্রেণীকক্ষ সংকটের কারনে বিদ্যালয়ের বারান্দায় চলছে পাঠদান।

সরেজমিনে উপজেলার ৯০ নং মিলনের পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, বারান্দায় কোমলমতি শিশুদের পাঠদান করাচ্ছেন একজন শিক্ষিকা। ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা রাজিয়া সুলতানা বলেন, শ্রেনী কক্ষের সংকটের কারণেই বারান্দায় শিশু শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের পাঠদান করানো হচ্ছে। খুদে শিক্ষার্থীরা জানান, ঘর না থাকার কারণে প্রতিদিন বারান্দায় লেখাপড়া করান মেডাম।

ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ফেরদৌস আলম জানান, নিয়মিত ৬টি শ্রেণীতে দুই শিফটে পাঠদান করানো হয় এই বিদ্যালয়ে। দুই শিফটে ৬টি শ্রেনী তিনটি করে ক্লাশ নেওয়ার জন্য ৩টি শ্রেণী কক্ষ দরকার। আছে দুইটি শ্রেণী কক্ষ। বিধায় পাঠদান যাতে ব্যহত না হয় সেদিক লক্ষ্য রেখে শিশুদের বারান্দায় পাঠদান করানো হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, বিদ্যালয়ে মোট ৭৪জন ছাত্র/ছাত্রী ভর্তি আছেন। সেই সাথে বিদ্যালয়ের একটি ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে এবং নতুন ভবন নির্মাণ হলে এ সমস্যা কেটে যাবে।

এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ এনায়েতুর রশীদ বলেন, ওই বিদ্যালয়ের শ্রেণী কক্ষ সংকট সেটা আমি জানি এবং ওখানে একটি ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। তবে খুব শীঘ্রই ওখানে নতুন ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হবে। তাহলে শিশুদের পাঠদানের আর কোনো সমস্যা থাকবে না।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাবরিনা শারমিন বলেন, ওই বিদ্যালয়ের সমস্যার কথা কেউ আমাকে অবগত করেননি। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখবো।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

জনপ্রিয়

ধুনটে মসজিদের জায়গা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ৯

সোনাতলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন পরিত্যাক্তঃ তাই বারান্দায় চলছে পাঠদান

০৪:৪৯:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ জুন ২০২৪

সোনাতলা সংবাদ ডেস্কঃ বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার মিলনেরপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি ভবন পরিত্যাক্ত ঘোষনা করা হয়েছে। এছাড়া শ্রেণীকক্ষ সংকটের কারনে বিদ্যালয়ের বারান্দায় চলছে পাঠদান।

সরেজমিনে উপজেলার ৯০ নং মিলনের পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, বারান্দায় কোমলমতি শিশুদের পাঠদান করাচ্ছেন একজন শিক্ষিকা। ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা রাজিয়া সুলতানা বলেন, শ্রেনী কক্ষের সংকটের কারণেই বারান্দায় শিশু শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের পাঠদান করানো হচ্ছে। খুদে শিক্ষার্থীরা জানান, ঘর না থাকার কারণে প্রতিদিন বারান্দায় লেখাপড়া করান মেডাম।

ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ফেরদৌস আলম জানান, নিয়মিত ৬টি শ্রেণীতে দুই শিফটে পাঠদান করানো হয় এই বিদ্যালয়ে। দুই শিফটে ৬টি শ্রেনী তিনটি করে ক্লাশ নেওয়ার জন্য ৩টি শ্রেণী কক্ষ দরকার। আছে দুইটি শ্রেণী কক্ষ। বিধায় পাঠদান যাতে ব্যহত না হয় সেদিক লক্ষ্য রেখে শিশুদের বারান্দায় পাঠদান করানো হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, বিদ্যালয়ে মোট ৭৪জন ছাত্র/ছাত্রী ভর্তি আছেন। সেই সাথে বিদ্যালয়ের একটি ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে এবং নতুন ভবন নির্মাণ হলে এ সমস্যা কেটে যাবে।

এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ এনায়েতুর রশীদ বলেন, ওই বিদ্যালয়ের শ্রেণী কক্ষ সংকট সেটা আমি জানি এবং ওখানে একটি ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। তবে খুব শীঘ্রই ওখানে নতুন ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হবে। তাহলে শিশুদের পাঠদানের আর কোনো সমস্যা থাকবে না।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাবরিনা শারমিন বলেন, ওই বিদ্যালয়ের সমস্যার কথা কেউ আমাকে অবগত করেননি। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখবো।