০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সৈয়দ আহম্মদ কলেজে স্তন ক্যান্সার সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টিতে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত

  • Reporter Name
  • ০২:৩২:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৪
  • ২২৭

প্রেস রিলিজঃ স্তন ক্যান্সার বর্তমানে নারীদের প্রধানতম ক্যান্সার! কিভাবে স্তন ক্যান্সার এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায় তা নিয়ে গোঁটা বিশ্বই এখন চিন্তিত। বাংলাদেশেসহ বিশ্বব্যাপী অক্টোবর মাস জুড়ে নানা সচেতনতামূলক কার্যক্রম আয়োজনের মাধ্যমে ‘স্তন ক্যান্সার সচেতনতা মাস’ উদযাপিত হয়ে থাকে।

তারই ধারাবাহিকতায় স্তন ক্যান্সার স্ক্রিনিং এবং স্তন ক্যান্সার নিয়ে সচেতনতা সৃষ্টিকে উপজীব্য করে করোতোয়া, ইছামতি, বাঙালি ও যমুনা বিধৌত উত্তর জনপদের প্রাণকেন্দ্র বগুড়ার একটি উল্লেখযোগ্য শিক্ষা ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র সুখানপুকুর ইউনিয়নস্হ সৈয়দ আহমেদ কলেজ মাঠে অদ্য ২৫ অক্টোবর শুক্রবার এক প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। হাজারো গ্রামবাসী ও পথিক দর্শক এর সরব উপস্থিতিতে উক্ত খেলায় ডা: বারী একাদশ এবং সুখানপুকুর ফুটবল একাডেমি একাদশ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।

বিশেষ এই আয়োজনটির পরিকল্পনা ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন খ্যাতিমান জেনারেল ও ল্যাপারোস্কপিক সার্জন- ডা: মো: লতিফুল বারী শাকিল। উল্লেখ্য, তিনি অত্র এলাকারই আরেক কৃতী সন্তান বিশিষ্ট জনহিতৈষী সরকারি কর্মকর্তা (অবসরপ্রাপ্ত সুবেদার মেজর, বিজিবি) জনাব মোঃ সাইফুল ইসলাম ও মরহুমা নিলুফা আক্তারের সুযোগ্য সন্তান। খেলাটির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন সুখানপুকুরের বিশিষ্ট ক্রীড়া উদ্যোক্তা জনাব লিটু।

প্রান্তিক পর্যায়ে এ ধরনের আয়োজন জনগণকে স্তন ক্যান্সার সম্পর্কে কেবল সচেতনই করবে না, বরং একটি ক্যান্সার রোগের যে পারিবারিক ও সামাজিক ভার আমাদেরকে বহন করতে হয় সেটি লাঘবেও অনেকখানি সহায়তা করবে। ডা: বারী আশাবাদ ব্যক্ত করেন- এ ধরনের আয়োজন কেবল ক্রিড়াক্ষেত্রে নয়; শিক্ষা; অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নেও এখন হতে অব্যাহত থাকবে।

বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, একই আয়োজক গোষ্ঠীর তত্ত্বাবধানে বিগত ২২ অক্টোবর, ২০২৪ ইং দিনব্যাপী অত্র এলাকার প্রতিষ্ঠিত স্বাস্থ্য-সেবা কেন্দ্র, ‘হেলথ কেয়ার সেন্টার’-এ স্তন ক্যান্সার স্ক্রিনিং এর ওপর ‘বিশেষ হেলথ ক্যাম্প’ অনুষ্ঠিত হয়।

আমদের বিশ্বাস, এরকম ছোট ছোট সামাজিক উদ্যোগের মাধ্যমে একদিকে তরুণ সমাজ যেমন মাদক ও ডিজিটাল মিডিয়ার করাল গ্রাস থেকে রক্ষা পাবে ঠিক তেমনি প্রান্তিক জনগোষ্ঠী স্বাস্থ্য সচেতন হয়ে একটি সুস্থ জাতি গঠনে অবদান রাখবে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

জনপ্রিয়

বগুড়ায় প্রেস কাউন্সিলের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সৈয়দ আহম্মদ কলেজে স্তন ক্যান্সার সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টিতে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত

০২:৩২:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৪

প্রেস রিলিজঃ স্তন ক্যান্সার বর্তমানে নারীদের প্রধানতম ক্যান্সার! কিভাবে স্তন ক্যান্সার এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায় তা নিয়ে গোঁটা বিশ্বই এখন চিন্তিত। বাংলাদেশেসহ বিশ্বব্যাপী অক্টোবর মাস জুড়ে নানা সচেতনতামূলক কার্যক্রম আয়োজনের মাধ্যমে ‘স্তন ক্যান্সার সচেতনতা মাস’ উদযাপিত হয়ে থাকে।

তারই ধারাবাহিকতায় স্তন ক্যান্সার স্ক্রিনিং এবং স্তন ক্যান্সার নিয়ে সচেতনতা সৃষ্টিকে উপজীব্য করে করোতোয়া, ইছামতি, বাঙালি ও যমুনা বিধৌত উত্তর জনপদের প্রাণকেন্দ্র বগুড়ার একটি উল্লেখযোগ্য শিক্ষা ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র সুখানপুকুর ইউনিয়নস্হ সৈয়দ আহমেদ কলেজ মাঠে অদ্য ২৫ অক্টোবর শুক্রবার এক প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। হাজারো গ্রামবাসী ও পথিক দর্শক এর সরব উপস্থিতিতে উক্ত খেলায় ডা: বারী একাদশ এবং সুখানপুকুর ফুটবল একাডেমি একাদশ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।

বিশেষ এই আয়োজনটির পরিকল্পনা ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন খ্যাতিমান জেনারেল ও ল্যাপারোস্কপিক সার্জন- ডা: মো: লতিফুল বারী শাকিল। উল্লেখ্য, তিনি অত্র এলাকারই আরেক কৃতী সন্তান বিশিষ্ট জনহিতৈষী সরকারি কর্মকর্তা (অবসরপ্রাপ্ত সুবেদার মেজর, বিজিবি) জনাব মোঃ সাইফুল ইসলাম ও মরহুমা নিলুফা আক্তারের সুযোগ্য সন্তান। খেলাটির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন সুখানপুকুরের বিশিষ্ট ক্রীড়া উদ্যোক্তা জনাব লিটু।

প্রান্তিক পর্যায়ে এ ধরনের আয়োজন জনগণকে স্তন ক্যান্সার সম্পর্কে কেবল সচেতনই করবে না, বরং একটি ক্যান্সার রোগের যে পারিবারিক ও সামাজিক ভার আমাদেরকে বহন করতে হয় সেটি লাঘবেও অনেকখানি সহায়তা করবে। ডা: বারী আশাবাদ ব্যক্ত করেন- এ ধরনের আয়োজন কেবল ক্রিড়াক্ষেত্রে নয়; শিক্ষা; অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নেও এখন হতে অব্যাহত থাকবে।

বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, একই আয়োজক গোষ্ঠীর তত্ত্বাবধানে বিগত ২২ অক্টোবর, ২০২৪ ইং দিনব্যাপী অত্র এলাকার প্রতিষ্ঠিত স্বাস্থ্য-সেবা কেন্দ্র, ‘হেলথ কেয়ার সেন্টার’-এ স্তন ক্যান্সার স্ক্রিনিং এর ওপর ‘বিশেষ হেলথ ক্যাম্প’ অনুষ্ঠিত হয়।

আমদের বিশ্বাস, এরকম ছোট ছোট সামাজিক উদ্যোগের মাধ্যমে একদিকে তরুণ সমাজ যেমন মাদক ও ডিজিটাল মিডিয়ার করাল গ্রাস থেকে রক্ষা পাবে ঠিক তেমনি প্রান্তিক জনগোষ্ঠী স্বাস্থ্য সচেতন হয়ে একটি সুস্থ জাতি গঠনে অবদান রাখবে।