স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার সোনাতলায় সৎ ছেলের লাঠির আঘাতে বৃদ্ধ মা বিলকিছ বেগম (৫২) আহত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে ২৮ ডিসেম্বর শনিবার সকালে উপজেলার পাকুল্যা ইউনিয়নের সাতবেকী গ্রামে নিজ বাড়িতে। আহত বিলকিছ বেগম সাতবেকী গ্রামের মৃত কোব্বাত মাষ্টারের ২য় স্ত্রী।
এ ঘটনায় ওই দিন বিকেলে আহত বিলকিছ বেগমের ছেলে শিহাব উদ্দিন বাদী হয়ে থানায় ৩ জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযুক্তরা হলেন, সৎ ভাই মোঃ জুয়েল হোসেন (৪৫), ভাতিজা অনিক(১৭) ও ভাবি মনিকা বেগম (৩৬)।
অভিযোগে উল্লেখ করেন, প্রতিপক্ষরা আমার সৎভাই, ভাবি এবং ভাতিজা। তাদের সাথে পূর্ব থেকে জমি জমা ও পারিবারিক বিভিন্ন বিষয়কে কেন্দ্র করে মনোমালিন্য বিরোধ চলে আসছে। বিরোধকে কেন্দ্র করে তারা বিভিন্ন সময়ে মারপিটসহ নানা ভাবে অন্যায় অত্যাচর জুলুম নির্যাতন করে আসছে।
এরই একপর্যায়ে ২৮ ডিসেম্বর সকাল ৯ ঘটিকার সময় আমার মা মোছাঃ বিলকিছ বেগম বাড়ীতে সাংসারিক কাজ করতে থাকে । ওই সময় জমি জমার বিষয়কে কেন্দ্র করে উভয়ের মধ্যে বাঁক বিতান্ডা হয়। এক পর্যায়ে তারা লাঠি দিয়ে অতর্কিত ভাবে আমার মায়ের উপর আঘাত করে। মাথায় আঘাত করলে আঘাত লক্ষ ভ্রষ্ট হয়ে আমার মায়ের থুতনিতে লাগে এতে করে থুতনি ফেটে যায় । আমার মায়ের পড়নের কাপড় টানা হেঁচড়া করে শ্লীলতাহানীর ঘটনা ঘটায়। এবং গলায় থাকা ০৮ আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন যার আনুমানিক মূল্য ৫০,০০০/- টাকা টান দিয়ে ছিনিয়ে নেয়। এছাড়াও তারা আমার মায়ের ঘরে প্রবেশ করে স্টিলের বাক্সে থাকা জমি এগ্রিমেন্ট এর নগদ ১,৭৫,০০০/- টাকা অসৎ উদ্দেশ্যে বাক্সের তালা ভেঙ্গে নিয়ে যায়। এসময় আমার মার ডাকচিৎকার শুনে আমি আগিয়ে আসলে তারা আমাকেও মারপিট করার উপক্রম করে এবং আমাদেরকে খুন জখমের হুমকি প্রদান করে চলে যায়।
পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আমার মাকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসার জন্য ভর্তি করি।
অভিযোগে আরও উল্লেখ্য করে আদালতে মামলা রয়েছে প্রতিপক্ষরা বিজ্ঞ আদালতে ইতি পূর্বে মুচলেখা দিয়ে আসলেও পরবর্তীতে তাহা অমান্য করে উপরোক্ত ঘটনা ঘটাচ্ছে।
Reporter Name 


















