১২:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সোনাতলায় রাস্তার মাঝখানে বৈদ্যুতিক খুঁটি, সরাতে উদ্যোগ নিচ্ছেনা কেউ

  • Reporter Name
  • ০৪:২৪:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ মে ২০২৫
  • ২৪৬

সোনাতলা সংবাদ ডেস্কঃ বগুড়ার সোনাতলায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সংলগ্ন রাস্তার মাঝখানে বৈদ্যুতিক খুঁটি রয়েছে। এতে করে ঘটছে দুর্ঘটনা। এমনকি ওই বৈদ্যুতিক খুঁটিটি রাস্তার মাঝখানে রেখেই সড়কটি কার্পেটিং করা হচ্ছে। এদিকে পোলটি স্থানান্তরে বিদ্যুৎ বিভাগ অর্থ ডিমান্ড করলেও এলজিইডি কর্তৃপক্ষের কাছে এ বিষয়ে কোন অর্থ বরাদ্দ নেই।

উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দক্ষিণে জোড়গাছা ইউনিয়নের গোসাইবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ওই বিদ্যালয় থেকে গোসাইবাড়ী কেন্দ্রীয় ঈদগাহ রাস্তাটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৩শ’ মিটার। রাস্তাটি কার্পেটিং করতে সরকারের ব্যয় হবে প্রায় ২৫ লাখ টাকা, যা বাস্তবায়ন করছে এলজিইডি। ওই রাস্তার মাঝখানে রয়েছে একটি বৈদ্যুতিক খুঁটি।

স্থানীয়রা জানান, গত প্রায় সাত বছর আগে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি উক্ত স্থানে একটি সিমেন্টের বৈদ্যুতিক খুঁটি স্থাপন করে। খুঁটিটি স্থাপনের পর থেকে ওই সড়ক দিয়ে সকল ধরনের পরিবহন ও পথচারীদের চলাচলে বাধার সৃষ্টি হচ্ছে। এমনকি রাতের অন্ধকারে ঘটছে দুর্ঘটনা। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে একাধিকবার লিখিত ও মৌখিকভাবে খুঁটিটি স্থানান্তরের আবেদন করেও কোন ফল হয়নি।

এ বিষয়ে সোনাতলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম সাইফুল আহম্মদ বলেন, এলজিইডি’র পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আমাদেরকে কোন কিছু এখনও জানানো হয়নি। জানালে দ্রুত সময়ের মধ্যে খুঁটিটি অন্যত্র স্থানান্তর করা হবে। সেক্ষেত্রে খুঁটিটি স্থানান্তরের জন্য আর্থিক বিষয় রয়েছে। যে প্রকল্পের মাধ্যমে রাস্তাটি কার্পেটিং হচ্ছে সেই প্রকল্প থেকে খুঁটিটি স্থানান্তরের ব্যয় নির্বাহ করতে হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী আতিকুর রহমান তালুকদার বলেন, যে প্রকল্পের মাধ্যমে রাস্তাটি কার্পেটিং হচ্ছে সেখানে খুঁটি স্থানান্তরের কোন অর্থ ধরা হয়নি। খুঁটিটি স্থানান্তর কতে হলে স্থানীয়দের এ বিষয়ে উদ্যোগ নিতে হবে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

জনপ্রিয়

ধুনটে মসজিদের জায়গা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ৯

সোনাতলায় রাস্তার মাঝখানে বৈদ্যুতিক খুঁটি, সরাতে উদ্যোগ নিচ্ছেনা কেউ

০৪:২৪:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ মে ২০২৫

সোনাতলা সংবাদ ডেস্কঃ বগুড়ার সোনাতলায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সংলগ্ন রাস্তার মাঝখানে বৈদ্যুতিক খুঁটি রয়েছে। এতে করে ঘটছে দুর্ঘটনা। এমনকি ওই বৈদ্যুতিক খুঁটিটি রাস্তার মাঝখানে রেখেই সড়কটি কার্পেটিং করা হচ্ছে। এদিকে পোলটি স্থানান্তরে বিদ্যুৎ বিভাগ অর্থ ডিমান্ড করলেও এলজিইডি কর্তৃপক্ষের কাছে এ বিষয়ে কোন অর্থ বরাদ্দ নেই।

উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দক্ষিণে জোড়গাছা ইউনিয়নের গোসাইবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ওই বিদ্যালয় থেকে গোসাইবাড়ী কেন্দ্রীয় ঈদগাহ রাস্তাটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৩শ’ মিটার। রাস্তাটি কার্পেটিং করতে সরকারের ব্যয় হবে প্রায় ২৫ লাখ টাকা, যা বাস্তবায়ন করছে এলজিইডি। ওই রাস্তার মাঝখানে রয়েছে একটি বৈদ্যুতিক খুঁটি।

স্থানীয়রা জানান, গত প্রায় সাত বছর আগে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি উক্ত স্থানে একটি সিমেন্টের বৈদ্যুতিক খুঁটি স্থাপন করে। খুঁটিটি স্থাপনের পর থেকে ওই সড়ক দিয়ে সকল ধরনের পরিবহন ও পথচারীদের চলাচলে বাধার সৃষ্টি হচ্ছে। এমনকি রাতের অন্ধকারে ঘটছে দুর্ঘটনা। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে একাধিকবার লিখিত ও মৌখিকভাবে খুঁটিটি স্থানান্তরের আবেদন করেও কোন ফল হয়নি।

এ বিষয়ে সোনাতলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম সাইফুল আহম্মদ বলেন, এলজিইডি’র পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আমাদেরকে কোন কিছু এখনও জানানো হয়নি। জানালে দ্রুত সময়ের মধ্যে খুঁটিটি অন্যত্র স্থানান্তর করা হবে। সেক্ষেত্রে খুঁটিটি স্থানান্তরের জন্য আর্থিক বিষয় রয়েছে। যে প্রকল্পের মাধ্যমে রাস্তাটি কার্পেটিং হচ্ছে সেই প্রকল্প থেকে খুঁটিটি স্থানান্তরের ব্যয় নির্বাহ করতে হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী আতিকুর রহমান তালুকদার বলেন, যে প্রকল্পের মাধ্যমে রাস্তাটি কার্পেটিং হচ্ছে সেখানে খুঁটি স্থানান্তরের কোন অর্থ ধরা হয়নি। খুঁটিটি স্থানান্তর কতে হলে স্থানীয়দের এ বিষয়ে উদ্যোগ নিতে হবে।