বদিউদ-জ্জামান মুকুল: বগুড়ার ১২ উপজেলায় বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ প্রকল্পের আওতায় ১৩২০টি সাব-মারসিবল পাম্প স্থাপন কাজ এখনও শুরু হয়নি। এ নিয়ে জনমনে নানা সংশয় দেখা দিয়েছে।
ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের পর বগুড়া ১২ উপজেলায় বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের জন্য একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বগুড়ার ১২ উপজেলায় মোট ইউনিয়নের সংখ্যা রয়েছে ১১০টি। প্রতিটি ইউনিয়নের জন্য বরাদ্দ রয়েছে ১০টি করে মোট ১৩২০টি সাব-মারসিবল পাম্প। চলতি বছরের ৩০ জুন ওই প্রকল্পের কাজ শেষ করার কথা থাকলেও অদ্যবধি তা শুরুই করা হয়নি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ইতিমধ্যেই সুবিধাভোগীদের চূড়ান্ত যাচাই-বাছাইয়ের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এমনকি ১২টি উপজেলায় ১২ জন ঠিকাদার নিযুক্ত করা হয়েছে। ঠিকাদারদেরকে কাজ শুরু করার জন্য কার্যাদেশ প্রেরণ করা হয়েছে।
আসন্ন বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ প্রকল্পের কাজ শুরু না হলে এ জেলার মানুষেরা পানিবাহিত নানা রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এমনকি নদীকূলীয় মানুষেরা বিশুদ্ধ পানির অভাবে খাল-বিল, নদী-নালার পানি খাওয়ার কাজে ব্যবহার করার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে।
এবিষয়ে সোনাতলা উপজেলার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী জাহানারা খাতুনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তার উপজেলায় ৭ ইউনিয়নের প্রত্যেকটিতে ১২টি করে মোট ৮৪টি সাব-মারসিবল পাম্প স্থাপন করা হবে। ইতিমধ্যেই সেগুলোর চূড়ান্ত তালিকা প্রণয়ন করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট পাঠানো হয়েছে। তবে সাব-মারসিবল পাম্প স্থাপনের কাজ এখনও শুরু হয়নি। কবে নাগাদ শুরু হবে তা তিনি নিশ্চিত করে বলতে পারেননি। তিনি আরও বলেন, এসকল তদারকি করছেন জেলা কর্মকর্তা।
এবিষয়ে বগুড়া জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী গোলাম কিবরিয়া বলেন, এখনও এ প্রকল্পের মেয়াদ ২ বছর রয়েছে। তবে আমরা ইতিমধ্যেই ১২ উপজেলায় সাব-মারসিবল পাম্প স্থাপনের জন্য ঠিকাদার নিযুক্ত করে কার্যাদেশ প্রেরণ করেছি। ঠিকাদারদের গড়িমসির কারণে কাজ শুরু করতে বিলম্ব হচ্ছে। আগামী ১/২ মাসের মধ্যে কাজ শুরু হবে বলে আশা করছি। তিনি আরও জানান, এ প্রকল্পের কাজ শেষ হলে এ জেলার মানুষ বিশুদ্ধ পানি পান করার সুবিধা পাবে।
Reporter Name 


















