০৬:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সোনাতলায় উৎপাদন ভাল হওয়ায় কলা চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকের

  • Reporter Name
  • ০২:৪৮:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫
  • ৭৯

সোনাতলা সংবাদ ডেস্ক: সোনাতলায় কলা চাষে দিন দিন কৃষকের আগ্রহ বাড়ছে। ফলে গত বছরের তুলনায় এবার দ্বিগুন জমিতে কলা চাষ করা হয়েছে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সোনাতলা উপজেলার একটি পৌরসভা ও ৭টি ইউনিয়নে ১৭শ ২০ হেক্টর জমিতে এবার কলা চাষ করা হয়েছে।

যা গত বছর ছিল ৮৬০ হেক্টর। গত বছরের তুলনায় এবার দ্বিগুন জমিতে কৃষক কলা চাষ করেছে। ওই উপজেলার কৃষকেরা স্থানীয় জাতের পাশাপাশি সাগর, অনুপম, জি-৯, চিনি চাম্পা, তরকারি কলা চাষ করা হচ্ছে।

সরেজমিনে ওই উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ও কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বিশেষ করে উঁচু জমিতে কলা চাষ করা হয়েছে। অন্য ফসলের চেয়ে কলা চাষে ব্যয় কম, লাভ বেশি। কলা রোপনে কৃষক বেশি লাভবান হয়। সোনাতলার উৎপাদিত কলা স্থানীয় চাহিদা পুরণ করে দেশের বিভিন্ন জেলা সদরে আমদানি করা হয়।

নুরপুর এলাকার কৃষক আইয়ুব আলী বলেন, গত বছর তিনি ৭ বিঘা জমিতে কলা চাষ করে সমস্ত খরচ বাদ দিয়ে সাড়ে ৩ লাখ টাকা ঘরে তুলতে পেরেছেন। ধর্মকূল এলাকার ছামসুল হক বলেন, এবার তিনি ৯ বিঘা জমিতে কলা চাষ করেছেন। কলা ধরা শুরু হয়েছে। আগামি এক-দেড় মাসের মধ্যে কলা বিক্রি করতে পারবেন বলে তিনি আশা করেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সোহরাব হোসেন বলেন, দিন দিন এই উপজেলায় কৃষক কলা চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, সোনাতলার মাটি কলা চাষের উপযোগী। বেলে দোআঁশ মাটিতে কলা রোপন করলে ফলন ভালো পাওয়া যায়। পাশাপাশি এ ফসলে উৎপাদন খরচ কম, লাভ বেশি। তাই দিন দিন এ ফসলের প্রতি কৃষক আকৃষ্ট হচ্ছে। কলা রোপনের ৬ থেকে ৮ মাসের মাথায় জাত ভেদে কলার কান্দা কাটা সম্ভব হয়।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

জনপ্রিয়

বগুড়ায় প্রেস কাউন্সিলের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সোনাতলায় উৎপাদন ভাল হওয়ায় কলা চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকের

০২:৪৮:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫

সোনাতলা সংবাদ ডেস্ক: সোনাতলায় কলা চাষে দিন দিন কৃষকের আগ্রহ বাড়ছে। ফলে গত বছরের তুলনায় এবার দ্বিগুন জমিতে কলা চাষ করা হয়েছে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সোনাতলা উপজেলার একটি পৌরসভা ও ৭টি ইউনিয়নে ১৭শ ২০ হেক্টর জমিতে এবার কলা চাষ করা হয়েছে।

যা গত বছর ছিল ৮৬০ হেক্টর। গত বছরের তুলনায় এবার দ্বিগুন জমিতে কৃষক কলা চাষ করেছে। ওই উপজেলার কৃষকেরা স্থানীয় জাতের পাশাপাশি সাগর, অনুপম, জি-৯, চিনি চাম্পা, তরকারি কলা চাষ করা হচ্ছে।

সরেজমিনে ওই উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ও কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বিশেষ করে উঁচু জমিতে কলা চাষ করা হয়েছে। অন্য ফসলের চেয়ে কলা চাষে ব্যয় কম, লাভ বেশি। কলা রোপনে কৃষক বেশি লাভবান হয়। সোনাতলার উৎপাদিত কলা স্থানীয় চাহিদা পুরণ করে দেশের বিভিন্ন জেলা সদরে আমদানি করা হয়।

নুরপুর এলাকার কৃষক আইয়ুব আলী বলেন, গত বছর তিনি ৭ বিঘা জমিতে কলা চাষ করে সমস্ত খরচ বাদ দিয়ে সাড়ে ৩ লাখ টাকা ঘরে তুলতে পেরেছেন। ধর্মকূল এলাকার ছামসুল হক বলেন, এবার তিনি ৯ বিঘা জমিতে কলা চাষ করেছেন। কলা ধরা শুরু হয়েছে। আগামি এক-দেড় মাসের মধ্যে কলা বিক্রি করতে পারবেন বলে তিনি আশা করেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সোহরাব হোসেন বলেন, দিন দিন এই উপজেলায় কৃষক কলা চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, সোনাতলার মাটি কলা চাষের উপযোগী। বেলে দোআঁশ মাটিতে কলা রোপন করলে ফলন ভালো পাওয়া যায়। পাশাপাশি এ ফসলে উৎপাদন খরচ কম, লাভ বেশি। তাই দিন দিন এ ফসলের প্রতি কৃষক আকৃষ্ট হচ্ছে। কলা রোপনের ৬ থেকে ৮ মাসের মাথায় জাত ভেদে কলার কান্দা কাটা সম্ভব হয়।