০৮:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সোনাতলায় দাদন আর মাদকের জমজমাট কারবার, সর্বস্বান্ত হচ্ছে মানুষ

  • Reporter Name
  • ০২:৫৪:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫
  • ২৯০

সোনাতলা সংবাদ ডেস্ক: সোনাতলায় দাদন ব্যবসা আর মাদকের জমজমাট কারবারে সর্বস্বান্ত হচ্ছে মানুষ। উপজেলাটি দাদন ব্যবসার আঁতুড়ঘর হিসেবে পরিচিত। প্রভাবশালী দাদন ব্যবসায়ীদের ছত্রছায়ায় গ্রাম-গঞ্জে পুরুষের পাশাপাশি মহিলারা বাপ-দাদার পেশা এই দাদন ব্যবসা নির্বিঘ্নে চালিয়ে যাচ্ছে।

প্রতি হাজারে ২০ টাকা মাসিক হারে গ্রামের খেঁটে খাওয়া, দরিদ্র মানুষের মাঝে দাদনের টাকা চক্রবৃদ্ধি হারে বৃদ্ধি পেয়ে গলার কাঁটা হয়ে পড়ছে। এছাড়াও এলাকাভেদে ধানের ওপর দাদন ব্যবসার টাকা দেওয়ার জনশ্রুতি রয়েছে। এতে করে সর্বস্বান্ত হচ্ছে গ্রামের সহজ-সরল খেঁটে খাওয়া মানুষগুলো ।

অপরদিকে গড়ফতেপুর, চমরগাছা, খানপাড়া, তেকানী চুকাইনগর, কাচারি বাজার, রেল স্টেশন, বাস স্ট্যান্ড, সোনাতলা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসসংলগ্ন স্টেডিয়াম, মধুপুর, আড়িয়ার ঘাট, শালিখা, হরিখালী, পাকুল্লা, হুয়াকুয়া, চরপাড়া, ভেলুরপাড়া রেল স্টেশন, সৈয়দ আহম্মদ কলেজ স্টেশন, লোহাগাড়া, মহিচরণ, কর্পূর, বালুয়াহাটে জমজমাট মাদকের বেচাকেনা হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, প্রতিনিয়ত হিলি সীমান্ত থেকে মাদকের চালান সোনাতলার ওপর দিয়ে তেকানী চুকাইনগর হয়ে জামালপুর জেলায় অবাধে পাচার হচ্ছে। দাদন ব্যবসা আর মাদকের কড়াল গ্রাসে বগুড়ার সোনাতলার মানুষ সর্বস্বান্ত হচ্ছে।

এ বিষয়ে সোনাতলা অফিসার ইনচার্জ রওশন কবীরের সাথে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

উল্লেখ্য, এসব এলাকার কিছু মুখচেনা মাদক ব্যবসায়ী প্রকাশ্যে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করে যাচ্ছে। এতে করে কোমলমতি কিশোর ও তরুণ সমাজ মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে। এতে করে এলাকায় চুরি- ছিনতাই আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে গেছে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

জনপ্রিয়

সোনাতলায় রাস্তার মাঝখানে খোয়ার স্তূপ, রাত হলেই বাড়ে দুর্ঘটনার ঝুঁকি

সোনাতলায় দাদন আর মাদকের জমজমাট কারবার, সর্বস্বান্ত হচ্ছে মানুষ

০২:৫৪:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫

সোনাতলা সংবাদ ডেস্ক: সোনাতলায় দাদন ব্যবসা আর মাদকের জমজমাট কারবারে সর্বস্বান্ত হচ্ছে মানুষ। উপজেলাটি দাদন ব্যবসার আঁতুড়ঘর হিসেবে পরিচিত। প্রভাবশালী দাদন ব্যবসায়ীদের ছত্রছায়ায় গ্রাম-গঞ্জে পুরুষের পাশাপাশি মহিলারা বাপ-দাদার পেশা এই দাদন ব্যবসা নির্বিঘ্নে চালিয়ে যাচ্ছে।

প্রতি হাজারে ২০ টাকা মাসিক হারে গ্রামের খেঁটে খাওয়া, দরিদ্র মানুষের মাঝে দাদনের টাকা চক্রবৃদ্ধি হারে বৃদ্ধি পেয়ে গলার কাঁটা হয়ে পড়ছে। এছাড়াও এলাকাভেদে ধানের ওপর দাদন ব্যবসার টাকা দেওয়ার জনশ্রুতি রয়েছে। এতে করে সর্বস্বান্ত হচ্ছে গ্রামের সহজ-সরল খেঁটে খাওয়া মানুষগুলো ।

অপরদিকে গড়ফতেপুর, চমরগাছা, খানপাড়া, তেকানী চুকাইনগর, কাচারি বাজার, রেল স্টেশন, বাস স্ট্যান্ড, সোনাতলা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসসংলগ্ন স্টেডিয়াম, মধুপুর, আড়িয়ার ঘাট, শালিখা, হরিখালী, পাকুল্লা, হুয়াকুয়া, চরপাড়া, ভেলুরপাড়া রেল স্টেশন, সৈয়দ আহম্মদ কলেজ স্টেশন, লোহাগাড়া, মহিচরণ, কর্পূর, বালুয়াহাটে জমজমাট মাদকের বেচাকেনা হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, প্রতিনিয়ত হিলি সীমান্ত থেকে মাদকের চালান সোনাতলার ওপর দিয়ে তেকানী চুকাইনগর হয়ে জামালপুর জেলায় অবাধে পাচার হচ্ছে। দাদন ব্যবসা আর মাদকের কড়াল গ্রাসে বগুড়ার সোনাতলার মানুষ সর্বস্বান্ত হচ্ছে।

এ বিষয়ে সোনাতলা অফিসার ইনচার্জ রওশন কবীরের সাথে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

উল্লেখ্য, এসব এলাকার কিছু মুখচেনা মাদক ব্যবসায়ী প্রকাশ্যে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করে যাচ্ছে। এতে করে কোমলমতি কিশোর ও তরুণ সমাজ মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে। এতে করে এলাকায় চুরি- ছিনতাই আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে গেছে।