০৪:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সোনাতলায় সড়কের এক পাশ্বে সংস্কার কাজ চলমান অন্য পাশ্বে উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং!

  • Reporter Name
  • ০৩:৪১:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫
  • ১১৯

সোনাতলা সংবাদ ডেস্কঃ বগুড়ার সোনাতলায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে উপজেলার ভেলুরপাড়া-গাবতলীর নারুয়ামালা সড়কটিতে একদিকে সংস্কার কাজ চলছে অন্যদিকে কার্পেটিং পিচ উঠে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ওই সড়কের দুরত্ব প্রায় ১১ কিলোমিটার।

সড়কটি সংস্কার করতে সরকারের ব্যয় হচ্ছে প্রায় ১০ কোটি টাকা। সড়কটি এলজিইডি’র। ৪টি প্যাকেজে কাজটি চলমান রয়েছে। জনগুরুত্বপূর্ণ ওই সড়ক দিয়ে সোনাতলা, সারিয়াকান্দি, গাবতলী, গোবিন্দগঞ্জ, সাঘাটা উপজেলার পথচারীরা দেশের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করেন।

সড়কটি দীর্ঘ প্রায় ৬ থেকে ৭ বছর চলাচলের অনুপযোগী হয়েছিল। পথচারীদের ভোগান্তি চরমে উঠেছিল। দীর্ঘদিন এলাকাবাসিদের ভোগান্তির পর অবশেষে ওই রাস্তা সংস্কার কাজ চলমান রয়েছে। ইতিমধ্যেই সড়কটির সংস্কার কাজ প্রায় ৯০ ভাগ শেষ হয়েছে। কাজটি শেষ হতে না হতেই ওই সড়কের বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী আতিকুর রহমান তালুকদার বলেন, সড়কটির সংস্কার কাজ চলমান রয়েছে। প্রতিনিয়ত ওই সড়কে বালুবাহী ট্রাকের অবাধ চলাচলের কারনে এমনটি হতে পারে। কার্পেটিং করা অবস্থায় রাতের অন্ধকারে ট্রাক চলাচলের ফলে কার্পেটিং উঠে যাচ্ছে। এমনকি কিছু কিছু স্থানে রাস্তা উচু-নিচু হয়েছে। এগুলো আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। যা সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের মাধ্যমে পুনরায় কাজ করে নেয়া হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

জনপ্রিয়

বগুড়ায় প্রেস কাউন্সিলের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সোনাতলায় সড়কের এক পাশ্বে সংস্কার কাজ চলমান অন্য পাশ্বে উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং!

০৩:৪১:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫

সোনাতলা সংবাদ ডেস্কঃ বগুড়ার সোনাতলায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে উপজেলার ভেলুরপাড়া-গাবতলীর নারুয়ামালা সড়কটিতে একদিকে সংস্কার কাজ চলছে অন্যদিকে কার্পেটিং পিচ উঠে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ওই সড়কের দুরত্ব প্রায় ১১ কিলোমিটার।

সড়কটি সংস্কার করতে সরকারের ব্যয় হচ্ছে প্রায় ১০ কোটি টাকা। সড়কটি এলজিইডি’র। ৪টি প্যাকেজে কাজটি চলমান রয়েছে। জনগুরুত্বপূর্ণ ওই সড়ক দিয়ে সোনাতলা, সারিয়াকান্দি, গাবতলী, গোবিন্দগঞ্জ, সাঘাটা উপজেলার পথচারীরা দেশের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করেন।

সড়কটি দীর্ঘ প্রায় ৬ থেকে ৭ বছর চলাচলের অনুপযোগী হয়েছিল। পথচারীদের ভোগান্তি চরমে উঠেছিল। দীর্ঘদিন এলাকাবাসিদের ভোগান্তির পর অবশেষে ওই রাস্তা সংস্কার কাজ চলমান রয়েছে। ইতিমধ্যেই সড়কটির সংস্কার কাজ প্রায় ৯০ ভাগ শেষ হয়েছে। কাজটি শেষ হতে না হতেই ওই সড়কের বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী আতিকুর রহমান তালুকদার বলেন, সড়কটির সংস্কার কাজ চলমান রয়েছে। প্রতিনিয়ত ওই সড়কে বালুবাহী ট্রাকের অবাধ চলাচলের কারনে এমনটি হতে পারে। কার্পেটিং করা অবস্থায় রাতের অন্ধকারে ট্রাক চলাচলের ফলে কার্পেটিং উঠে যাচ্ছে। এমনকি কিছু কিছু স্থানে রাস্তা উচু-নিচু হয়েছে। এগুলো আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। যা সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের মাধ্যমে পুনরায় কাজ করে নেয়া হচ্ছে।