সোনাতলা (বগুড়া) প্রতিনিধি : সোনাতলা পৌর এলাকার কামারপাড়া গ্রামের মৃত বাবু মিয়ার একমাত্র ছেলে শরিফুল ইসলাম (২৫) জন্মগতভাবে শারীরিক প্রতিবন্ধী। এছাড়াও শরিফুলের আরও ৩ জন বোন রয়েছে । ছোট মেয়েটা হওয়ার পরই স্বামীর মৃত্যু হয় । অনেক কষ্টকরে ও মানুষের কাছে চেয়ে-চিত্তে ইতিমধ্যেই অভাব অনটনের সংসারে বিধবা মা ২ মেয়েকে পাত্রস্থ করেছেন । এখন তাদের পরিবারে ৩ সদস্য রয়েছে। বাড়ির জায়গা কিংবা ফসলি কোন জমি-জমা একটুও। অন্যের বাড়ির বারান্দায় খেয়ে না খেয়ে দিনাতিপাত করতে হচ্ছে ওই ৩ সদস্যের পরিবারকে।
প্রতিবন্ধী ছেলেকে দু’বেলা দু’মুঠো অন্ন তুলে দিতে মা ও ছেলে ভিক্ষাবৃত্তি পেশায় পা বাড়িয়েছেন। প্রতিদিন ছেলেকে হুইল চেয়ারে বসিয়ে পাড়া থেকে পাড়ায়, মহল্লা থেকে মহল্লায়, গ্রামের পর গ্রাম ছুটে বেড়ায় মা । এভাবেই ভিক্ষাবৃত্তি করে ৩ সদস্যের পরিবার চলছে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে।
এ বিষয়ে মা শরিফা বেওয়া বলেন, ছেলেকে হুইল চেয়ারে করে বিভিন্ন এলাকায় ভিক্ষাবৃত্তি করি । এতে কখনও ৫/৬ কেজি চাল পাওয়া যায় । আবার কখনও খালি ঝুলি নিয়ে ফিরে আসতে হয় । তিনি আরও বলেন, রাতে চিন্তায় ঘুম আসেনা আমার প্রতিবন্ধী ছেলে আমার অবর্তমানে কীভাবে চলবে, কী খাবে? সংসার চলে না। আবার আরেকটি মেয়ে রয়েছে অবিবাহিত। তার ভবিষ্যৎ নিয়েও থাকতে হয় চিন্তায়।
এ বিষয় উপজেলা সমাজসেবা অফিসার (চলতি দায়িত্বে) আবু সালেহ্ নূহ্ বলেন, কেউ এ বিষয়ে তাকে অবগত করেনি। আমাদের অফিসে কিংবা বাইরে থেকে অনলাইনের মাধ্যমে প্রতিবন্ধী কার্ড প্রাপ্তিতে আবেদন করতে হবে। এরপর ডাক্তারী সার্টিফিকেটের প্রেক্ষিতে সে প্রতিবন্ধী ভাতা পেতে পারে ।
Reporter Name 


















