০৩:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সোনাতলায় জনগুরুত্বপূর্ণ একটি সড়কের বেহাল দশা, জনগনের ভোগান্তি চরমে

  • Reporter Name
  • ০৩:৫৫:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৭৩

সোনাতলা সংবাদ ডেস্কঃ বগুড়ার সোনাতলায় একটি জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কের বেহাল দশার তৈরি হয়েছে। এতে পথচারীদের ভোগান্তি চরমে উঠেছে। ওই সড়কে বিছানো ইট উঠে গিয়ে ছোট-বড় অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।

উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার পূর্বে পাকুল্লা ইউনিয়নের আমতলী-বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ সংলগ্ন সড়কটির দূরত্ব মাত্র এক কিলোমিটার। প্রায় ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে ১০ বছর আগে এলজিইডি ইট বিছিয়ে সড়কটি তৈরি করে। সড়কটি বন্যার পানির স্রোতের তোড়ে চার আগে সড়কের ইট উঠে গিয়ে সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ে।

এমনকি ওই সড়কে ছোট-বড় অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে সড়কটি যান চলাচলে সম্পূর্ণ অনুপযোগি হয়ে পড়েছে। এ বিষয়ে আমতলী এলাকার বাসিন্দা এনসিপি নেতা গোলাম রাব্বী হাসান ফুলবাবু বলেন, জনগণের দুর্ভোগ এড়াতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোন পদক্ষেপ না নেয়ায় এলাকাবাসীদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

ওই পথ দিয়ে যাত্রীবাহী যে কোন ধরনের পরিবহনে চলাচল করা এখন কষ্টকর। পথচারীরা পরিবহনের ঝাঁকুনিতে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। তিনি আরও বলেন, সড়কটি সংস্কার ও মেরামত করতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর আবেদন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় পাকুল্লা ইউপি চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা লতিফুল বারী টিম বলেন, এটি একটি জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক। ওই এলাকার ৮৫ ভাগ কৃষক সরাসরি কৃষি কাজের সাথে জড়িত। তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য ওই সড়ক দিয়ে পরিবহনের ক্ষেত্রে দুর্ভোগ পোহচ্ছেন। এমনকি শিক্ষার্থীসহ পথচারীরা সীমাহীন কষ্ট করছেন।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী আতিকুর রহমান তালুকদার বলেন, নদীকূলীয় ১১টি গ্রামের মানুষের যাতায়াতের একমাত্র সড়কটি বরাদ্দ না পাওয়ায় দীর্ঘদিনেও সংস্কার করা সম্ভব হয়নি। তবে এ বিষয়ে আমরা প্রাথমিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। বরাদ্দ পেলেই টেন্ডারের মাধ্যমে সড়ক সংস্কার ও মেরামত করা হবে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

জনপ্রিয়

বগুড়ায় প্রেস কাউন্সিলের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সোনাতলায় জনগুরুত্বপূর্ণ একটি সড়কের বেহাল দশা, জনগনের ভোগান্তি চরমে

০৩:৫৫:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫

সোনাতলা সংবাদ ডেস্কঃ বগুড়ার সোনাতলায় একটি জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কের বেহাল দশার তৈরি হয়েছে। এতে পথচারীদের ভোগান্তি চরমে উঠেছে। ওই সড়কে বিছানো ইট উঠে গিয়ে ছোট-বড় অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।

উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার পূর্বে পাকুল্লা ইউনিয়নের আমতলী-বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ সংলগ্ন সড়কটির দূরত্ব মাত্র এক কিলোমিটার। প্রায় ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে ১০ বছর আগে এলজিইডি ইট বিছিয়ে সড়কটি তৈরি করে। সড়কটি বন্যার পানির স্রোতের তোড়ে চার আগে সড়কের ইট উঠে গিয়ে সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ে।

এমনকি ওই সড়কে ছোট-বড় অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে সড়কটি যান চলাচলে সম্পূর্ণ অনুপযোগি হয়ে পড়েছে। এ বিষয়ে আমতলী এলাকার বাসিন্দা এনসিপি নেতা গোলাম রাব্বী হাসান ফুলবাবু বলেন, জনগণের দুর্ভোগ এড়াতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোন পদক্ষেপ না নেয়ায় এলাকাবাসীদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

ওই পথ দিয়ে যাত্রীবাহী যে কোন ধরনের পরিবহনে চলাচল করা এখন কষ্টকর। পথচারীরা পরিবহনের ঝাঁকুনিতে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। তিনি আরও বলেন, সড়কটি সংস্কার ও মেরামত করতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর আবেদন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় পাকুল্লা ইউপি চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা লতিফুল বারী টিম বলেন, এটি একটি জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক। ওই এলাকার ৮৫ ভাগ কৃষক সরাসরি কৃষি কাজের সাথে জড়িত। তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য ওই সড়ক দিয়ে পরিবহনের ক্ষেত্রে দুর্ভোগ পোহচ্ছেন। এমনকি শিক্ষার্থীসহ পথচারীরা সীমাহীন কষ্ট করছেন।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী আতিকুর রহমান তালুকদার বলেন, নদীকূলীয় ১১টি গ্রামের মানুষের যাতায়াতের একমাত্র সড়কটি বরাদ্দ না পাওয়ায় দীর্ঘদিনেও সংস্কার করা সম্ভব হয়নি। তবে এ বিষয়ে আমরা প্রাথমিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। বরাদ্দ পেলেই টেন্ডারের মাধ্যমে সড়ক সংস্কার ও মেরামত করা হবে।