০২:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সোনাতলা উপজেলা পরিষদের পুরাতন ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ, ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা

  • Reporter Name
  • ০৩:৪৭:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৮৫

সোনাতলা সংবাদ ডেস্ক: বগুড়ার সোনাতলা উপজেলা পরিষদের পুরতান ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ভবনের ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ছে। যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। দুর্ঘটনা এড়াতে এখনি ভবনটির সংস্কার করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

জানা গেছে, ১৯৮৪-৮৫ অর্থবছরে প্রায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে সোনাতলা উপজেলা পরিষদ ভবনটি নির্মিত হয়। ভবনটিতে বর্তমানে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন, মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়, কৃষি কমকর্তার কার্যালয়, যুব উন্নয়ন কার্যালয়, আনসার-ভিডিপি কার্যালয়, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় রয়েছে। এসকল কার্যালয়ে প্রতিদিন শত শত মানুষ দাপ্তরিক কাজে আসেন।

সম্প্রতি ঘন ঘন ভূমিকম্পে উপজেলা পরিষদের ওই পুরাতন ভবনটির বেশকিছু স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে। এমনকি ছাদের পলেস্তারা ধসে পড়ছে। এ বিষয়ে স্থানীয়রা বলেন, উপজেলা পরিষদের ভবনে দাপ্তরিক কাজ করতে গিয়ে টেনশনে থাকতে হয়, কখন যেন ভবন ধসে পড়ে।

ওই ভবনের কয়েকটি দপ্তরের কর্মকর্তারা বলেন, সরকার প্রতি বছর উপজেলায় কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ দিলেও অফিসারদের আবাসিক ভবনসহ পরিষদের ভবনটি সংস্কারের কোন উদ্যোগ নেই। ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে কাজ করতে মন বসে না। কখন যেন ভবনটি, ধসে পড়ে জীবন প্রদীপ নিভে যায়।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী আতিকুর রহমান তালুকদার বলেন, সম্প্রতি ভূমিকম্পে ভবনটিতে ফাটল ও ছাদের পলেস্তারা ধসে পড়ছে। ভবনটি সংস্কার করতে বরাদ্দ চাওয়া হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্বীকৃতি প্রামানিক বলেন, উপজেলা পরিষদের পুরাতন ভবনটি সংস্কার করতে বরাদ্দ চাওয়া এখনও হয়নি।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

জনপ্রিয়

বগুড়ায় প্রেস কাউন্সিলের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সোনাতলা উপজেলা পরিষদের পুরাতন ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ, ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা

০৩:৪৭:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫

সোনাতলা সংবাদ ডেস্ক: বগুড়ার সোনাতলা উপজেলা পরিষদের পুরতান ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ভবনের ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ছে। যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। দুর্ঘটনা এড়াতে এখনি ভবনটির সংস্কার করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

জানা গেছে, ১৯৮৪-৮৫ অর্থবছরে প্রায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে সোনাতলা উপজেলা পরিষদ ভবনটি নির্মিত হয়। ভবনটিতে বর্তমানে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন, মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়, কৃষি কমকর্তার কার্যালয়, যুব উন্নয়ন কার্যালয়, আনসার-ভিডিপি কার্যালয়, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় রয়েছে। এসকল কার্যালয়ে প্রতিদিন শত শত মানুষ দাপ্তরিক কাজে আসেন।

সম্প্রতি ঘন ঘন ভূমিকম্পে উপজেলা পরিষদের ওই পুরাতন ভবনটির বেশকিছু স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে। এমনকি ছাদের পলেস্তারা ধসে পড়ছে। এ বিষয়ে স্থানীয়রা বলেন, উপজেলা পরিষদের ভবনে দাপ্তরিক কাজ করতে গিয়ে টেনশনে থাকতে হয়, কখন যেন ভবন ধসে পড়ে।

ওই ভবনের কয়েকটি দপ্তরের কর্মকর্তারা বলেন, সরকার প্রতি বছর উপজেলায় কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ দিলেও অফিসারদের আবাসিক ভবনসহ পরিষদের ভবনটি সংস্কারের কোন উদ্যোগ নেই। ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে কাজ করতে মন বসে না। কখন যেন ভবনটি, ধসে পড়ে জীবন প্রদীপ নিভে যায়।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী আতিকুর রহমান তালুকদার বলেন, সম্প্রতি ভূমিকম্পে ভবনটিতে ফাটল ও ছাদের পলেস্তারা ধসে পড়ছে। ভবনটি সংস্কার করতে বরাদ্দ চাওয়া হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্বীকৃতি প্রামানিক বলেন, উপজেলা পরিষদের পুরাতন ভবনটি সংস্কার করতে বরাদ্দ চাওয়া এখনও হয়নি।