০২:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সোনাতলার চরাঞ্চলে উৎপাদিত মিষ্টি কুমড়া যাচ্ছে মালয়েশিয়ায়

  • Reporter Name
  • ০২:৩৪:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১০৫

সোনাতলা সংবাদ ডেস্কঃ বগুড়ার সোনাতলার ৯টি চরে উৎপাদিত মিষ্টি কুমড়া যাচ্ছে মালয়েশিয়ায়। এতে করে কৃষক আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বগুড়ার সোনাতলার তেকানী চুকাইনগর ও পাকুল্লা ইউনিয়নের ৯টি চরের আনাচে-কানাচে চলতি বছর প্রচুর পরিমাণ আগাম মিষ্টি কুমড়ার চাষ হয়েছে।

ফলনও হয়েছে বেশ ভালো। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর এ উপজেলায় এক হাজার ২৭০ হেক্টর জমিতে মিষ্টি কুমড়ার চাষ হয়েছে। গত বছর যা ছিল এক হাজার ১২০ হেক্টর। গত বছরের তুলনায় এবার প্রায় ১৫০ হেক্টর জমিতে বেশি মিষ্টিকুমড়ার চাষ করা হয়েছে। খাবুলিয়া চরের বাসিন্দা ছামছুল হক বলেন, এবার তিনি ৯ বিঘা জমিতে মিষ্টি কুমড়া চাষ করেছেন।

গত বছর তিনি ৫ বিঘা জমিতে মিষ্টি কুমড়ার চাষ করে প্রায় দেড় লাখ টাকা আয় করেছেন। সরলিয়া চরের বাসিন্দা তুহিন মিয়া বলেন, চলতি বছর তিনি প্রায় আড়াই লাখ টাকার মিষ্টি কুমড়া বিক্রি করেছেন। স্থানীয় কৃষকরা জানান, এক শ্রেণির ব্যবসায়ী মিষ্টি কুমড়া জমিতেই বিঘা চুক্তিতে কিনছেন। তাদের উৎপাদিত মিষ্টি কুমড়া স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে এখন মালয়েশিয়ায় রপ্তানি করা হচ্ছে। এছাড়াও কৃষকরা জানান, এই ফসল উৎপাদনে রাসায়নিক সারের তেমন প্রয়োজন হয় না। জৈব সার প্রয়োগের মাধ্যমে অল্প জমিতে অনেক মিষ্টিকুমড়া উৎপাদন করা সম্ভব।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সোহরাব হোসেন বলেন, মিষ্টিকুমড়া চাষে উৎপাদন খরচ কম, লাভ বেশি। তাই বন্যা পরবর্তী সময়ে চরাঞ্চলের কৃষকেরা আগাম জাতের মিষ্টিকুমড়া চাষ করেন। প্রতি বিঘা জমিতে ৬০-৭০ মণ মিষ্টি কুমড়া উৎপন্ন হয়। প্রতি কেজি মিষ্টি কুমড়া এলাকাভেদে ৩০-৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

জনপ্রিয়

বগুড়ায় প্রেস কাউন্সিলের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সোনাতলার চরাঞ্চলে উৎপাদিত মিষ্টি কুমড়া যাচ্ছে মালয়েশিয়ায়

০২:৩৪:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬

সোনাতলা সংবাদ ডেস্কঃ বগুড়ার সোনাতলার ৯টি চরে উৎপাদিত মিষ্টি কুমড়া যাচ্ছে মালয়েশিয়ায়। এতে করে কৃষক আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বগুড়ার সোনাতলার তেকানী চুকাইনগর ও পাকুল্লা ইউনিয়নের ৯টি চরের আনাচে-কানাচে চলতি বছর প্রচুর পরিমাণ আগাম মিষ্টি কুমড়ার চাষ হয়েছে।

ফলনও হয়েছে বেশ ভালো। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর এ উপজেলায় এক হাজার ২৭০ হেক্টর জমিতে মিষ্টি কুমড়ার চাষ হয়েছে। গত বছর যা ছিল এক হাজার ১২০ হেক্টর। গত বছরের তুলনায় এবার প্রায় ১৫০ হেক্টর জমিতে বেশি মিষ্টিকুমড়ার চাষ করা হয়েছে। খাবুলিয়া চরের বাসিন্দা ছামছুল হক বলেন, এবার তিনি ৯ বিঘা জমিতে মিষ্টি কুমড়া চাষ করেছেন।

গত বছর তিনি ৫ বিঘা জমিতে মিষ্টি কুমড়ার চাষ করে প্রায় দেড় লাখ টাকা আয় করেছেন। সরলিয়া চরের বাসিন্দা তুহিন মিয়া বলেন, চলতি বছর তিনি প্রায় আড়াই লাখ টাকার মিষ্টি কুমড়া বিক্রি করেছেন। স্থানীয় কৃষকরা জানান, এক শ্রেণির ব্যবসায়ী মিষ্টি কুমড়া জমিতেই বিঘা চুক্তিতে কিনছেন। তাদের উৎপাদিত মিষ্টি কুমড়া স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে এখন মালয়েশিয়ায় রপ্তানি করা হচ্ছে। এছাড়াও কৃষকরা জানান, এই ফসল উৎপাদনে রাসায়নিক সারের তেমন প্রয়োজন হয় না। জৈব সার প্রয়োগের মাধ্যমে অল্প জমিতে অনেক মিষ্টিকুমড়া উৎপাদন করা সম্ভব।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সোহরাব হোসেন বলেন, মিষ্টিকুমড়া চাষে উৎপাদন খরচ কম, লাভ বেশি। তাই বন্যা পরবর্তী সময়ে চরাঞ্চলের কৃষকেরা আগাম জাতের মিষ্টিকুমড়া চাষ করেন। প্রতি বিঘা জমিতে ৬০-৭০ মণ মিষ্টি কুমড়া উৎপন্ন হয়। প্রতি কেজি মিষ্টি কুমড়া এলাকাভেদে ৩০-৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়।