সোনাতলা (বগুড়া) প্রতিনিধি: সোনাতলায় ১১ হাজার হেক্টর পতিত জমিতে সরিষা চাষ করা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার বাম্পার ফলনের প্রত্যাশা করছেন কৃষকরা।
বগুড়া জেলা সদর থেকে প্রায় ৩১ কিলোমিটার উত্তরে সোনাতলা উপজেলার অবস্থান। ওই উপজেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে যমুনা ও বাঙালি নদী। প্রতিবছর বন্যা পরবর্তী সময়ে ফসলি জমিগুলোতে পলি জমে জমির উর্বরতা বৃদ্ধি পায়। ফলে বন্যা পরবর্তী ফসল সরিষার বাম্পার ফলন হয়ে থাকে। বিশেষ করে ওই উপজেলার তেকানী ঢুকাইনগর ও পাকুল্লা ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ চরে সরিষার চাষ করা হয়েছে। যমুনা ও বাঙালি নদীর জেগে ওঠা চরে হলুদ ফুলে ছেয়ে গেছে মাঠের পর মাঠ।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরে উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ৭টি ইউনিয়নে ১১ হাজার ৭ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ করা হয়েছে । যা গত বছর ছিল, ৯ হাজার ৭০ হেক্টর। গত বছরের তুলনায় এবার প্রায় ২ হাজার হেক্টর জমিতে বেশি সরিষার চাষ করা হয়েছে। এ উপজেলার কৃষকরা সরিষা চাষে সময় ও উৎপাদন খরচ কম লাগায় কৃষক এ ফসলের প্রতি ঝুঁকে পড়েছে। পক্ষান্তরে, অল্প জমি থেকে বেশি পরিমাণ ফসল উৎপাদন ও লাভ হওয়ায় দিন দিন সরিষা চাষে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে কৃষকরা।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সোহরাব হোসেন বলেন, সরকার পতিত জমিতে সরিষা চাষ করে দেশে সরিষা তেলের উৎপাদন বাড়াতে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করেছে। এমনকি সরকার বিনামূল্যে এই অঞ্চলের কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ করেছে। যার ফলে সরিষা চাষী ও জমির পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি বছর প্রায় ১১ হাজার ৭ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ করা হয়েছে। এই এলাকার কৃষক পতিত জমিতে সরিষা চাষ করে সরিষা তেলের স্থানীয় চাহিদা পূরণ করতে কাজ করে যাচ্ছেন।
Reporter Name 


















