০২:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সোনাতলায় বাঙালি নদীর বুকে জেগে উঠেছে বিস্তীর্ন ফসলের মাঠ

  • Reporter Name
  • ০৩:১৪:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৯৯

স্টাফ রিপোর্টার: সোনাতলায় বাঙালি নদীর বুক যেন এখন বিস্তীর্ন ফসলের মাঠ। নদীকে কৃষক বীজতলা হিসেবে ব্যবহার করছে। এছাড়াও আলু, মরিচ ও সরিষা চাষ করেছে। ওই উপজেলার উপর দিয়ে বাঙালি ও যমুনা নদী প্রবাহিত হয়েছে। এই মৌসুমে নদীর পানি কমে যাওয়ায় ওই অঞ্চলের কৃষকেরা বাড়তি ফসল উৎপাদনে নদীর বুককে বেছে নিয়েছে।

উপজলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট উপজেলার প্রায় ৮৪ হেক্টর খাল, বিল ও নদীর বুক জুড়ে চলতি বছর কৃষক বোরো ধানসহ রবি ফসল চাষ করেছে। এতে করে ওই উপজেলায় খাদ্য উৎপাদন কিছুটা হলেও বৃদ্ধি পাবে।

আজ শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সরেজমিনে উপজেলার আড়িয়ারঘাট থেকে শুরু করে শ্যামপুর পর্যন্ত বাঙালি নদীর বুকে কৃষককে ফসল উৎপাদনে চেষ্টা চালাতে দেখা গেছে। আবার কিছু কিছু এলাকায় নদীর তীরে ধানের বীজতলাও পরিচর্যা করছেন কৃষকেরা।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সোহরাব হোসেন বলেন, সোনাতলায় দিন দিন ফসলী জমি কমে যাচ্ছে। ফসলী জমিতে বাড়ি ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। এছাড়াও ফসলী জমির উর্বর মাটি যাচ্ছে ইট ভাটায়।

তাই জমির উর্বরতা শক্তি হ্রাস পাচ্ছে। বাধ্য হয়ে কৃষক নদ-নদীর বুকের উর্বর জমিতে ফসল ফলাচ্ছে। এতে করে কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি কৃষক আর্থিক ভাবে স্বাবলম্বী হবে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

জনপ্রিয়

বগুড়ায় প্রেস কাউন্সিলের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সোনাতলায় বাঙালি নদীর বুকে জেগে উঠেছে বিস্তীর্ন ফসলের মাঠ

০৩:১৪:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার: সোনাতলায় বাঙালি নদীর বুক যেন এখন বিস্তীর্ন ফসলের মাঠ। নদীকে কৃষক বীজতলা হিসেবে ব্যবহার করছে। এছাড়াও আলু, মরিচ ও সরিষা চাষ করেছে। ওই উপজেলার উপর দিয়ে বাঙালি ও যমুনা নদী প্রবাহিত হয়েছে। এই মৌসুমে নদীর পানি কমে যাওয়ায় ওই অঞ্চলের কৃষকেরা বাড়তি ফসল উৎপাদনে নদীর বুককে বেছে নিয়েছে।

উপজলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট উপজেলার প্রায় ৮৪ হেক্টর খাল, বিল ও নদীর বুক জুড়ে চলতি বছর কৃষক বোরো ধানসহ রবি ফসল চাষ করেছে। এতে করে ওই উপজেলায় খাদ্য উৎপাদন কিছুটা হলেও বৃদ্ধি পাবে।

আজ শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সরেজমিনে উপজেলার আড়িয়ারঘাট থেকে শুরু করে শ্যামপুর পর্যন্ত বাঙালি নদীর বুকে কৃষককে ফসল উৎপাদনে চেষ্টা চালাতে দেখা গেছে। আবার কিছু কিছু এলাকায় নদীর তীরে ধানের বীজতলাও পরিচর্যা করছেন কৃষকেরা।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সোহরাব হোসেন বলেন, সোনাতলায় দিন দিন ফসলী জমি কমে যাচ্ছে। ফসলী জমিতে বাড়ি ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। এছাড়াও ফসলী জমির উর্বর মাটি যাচ্ছে ইট ভাটায়।

তাই জমির উর্বরতা শক্তি হ্রাস পাচ্ছে। বাধ্য হয়ে কৃষক নদ-নদীর বুকের উর্বর জমিতে ফসল ফলাচ্ছে। এতে করে কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি কৃষক আর্থিক ভাবে স্বাবলম্বী হবে।