০২:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সোনাতলার ভেলুরপাড়া রেল স্টেশনঃ ওঠে না সিগন্যাল, বাজে না কোন ঘণ্টা!

  • Reporter Name
  • ০৩:০৩:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৫৩

সোনাতলা (বগুড়া) প্রতিনিধি: সোনাতলার ভেলুরপাড়া রেল স্টেশনে দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে নেই স্টেশন মাস্টার। এমনকি ওই স্টেশনে নেই কোন জনবল। ফলে স্টেশন মাস্টারের অফিস খোলা তো দূরের কথা, ওঠে না সিগন্যাল। বাজে না কোন ঘণ্টা। ট্রেন কখন আসে, কখন যায়। জানে না কেউ। এতে সরকার প্রতি মাসে মোটা অংকের রাজস্ব হারাচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সান্তাহার থেকে লালমনিরহাট পর্যন্ত ৩১টি স্টেশনের মধ্যে বি-গ্রেডের ১২টি স্টেশনে নেই কোন জনবল। ওই ১২টি স্টেশনের মধ্যে রয়েছে সোনাতলা উপজেলার ভেলুরপাড়া স্টেশন। স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে ওই স্টেশনে স্টেশন মাস্টারসহ নেই কোন জনবল। ফলে ওই স্টেশনের স্টেশন মাস্টারের অফিসটি দীর্ঘ সময় ধরে তালাবদ্ধ রয়েছে।

এমনকি সরকারি সম্পদ হরিলুট হচ্ছে। দেখার যেন কেউ নেই। জনবল না থাকায় ওঠে না সিগন্যাল, বাজে না কোন ঘণ্টা। ট্রেন যেমনি আসে, তেমনি যায়। যাত্রীরা জানে না কখন আসবে ট্রেন আর কখন ছেড়ে যাবে স্টেশনটি। এতে করে যাত্রীরা ট্রেন বিমুখ হচ্ছে।

স্থানীয়রা আরও জানান, দীর্ঘ সময়ে ওই স্টেশনে কোন জনবল না থাকায় প্রতি মাসে সরকার মোটা অংকের রাজস্ব হারাচ্ছে। এ বিষয়ে রাসেল মাহমুদ বলেন, এই এলাকার ৮০ ভাগ মানুষ সরাসরি কৃষি কাজের সাথে জড়িত।

তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য ট্রেন যোগে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রির জন্য নিয়ে যায়। স্টেশন মাস্টার না থাকায় কৃষক তাদের উৎপাদিত কৃষি ফসল আলু, মরিচ বুকিং করতে না পারায় পানির দামে স্থানীয় হাট-বাজারে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে। অপরদিকে সরকার হারাচ্ছে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব।

এ বিষয়ে রেল বিভাগের লালমনিরহাট সহকারি পরিবহন কর্মকর্তা নূরুল ইসলাম বলেন, জনবল না থাকায় ভেলুরপাড়া সহ ১২টি স্টেশনে নেই কোন স্টেশন মাস্টার। ফলে ওই সকল স্টেশনে দাপ্তরিক কাজ ব্যাহত হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

জনপ্রিয়

বগুড়ায় প্রেস কাউন্সিলের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সোনাতলার ভেলুরপাড়া রেল স্টেশনঃ ওঠে না সিগন্যাল, বাজে না কোন ঘণ্টা!

০৩:০৩:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

সোনাতলা (বগুড়া) প্রতিনিধি: সোনাতলার ভেলুরপাড়া রেল স্টেশনে দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে নেই স্টেশন মাস্টার। এমনকি ওই স্টেশনে নেই কোন জনবল। ফলে স্টেশন মাস্টারের অফিস খোলা তো দূরের কথা, ওঠে না সিগন্যাল। বাজে না কোন ঘণ্টা। ট্রেন কখন আসে, কখন যায়। জানে না কেউ। এতে সরকার প্রতি মাসে মোটা অংকের রাজস্ব হারাচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সান্তাহার থেকে লালমনিরহাট পর্যন্ত ৩১টি স্টেশনের মধ্যে বি-গ্রেডের ১২টি স্টেশনে নেই কোন জনবল। ওই ১২টি স্টেশনের মধ্যে রয়েছে সোনাতলা উপজেলার ভেলুরপাড়া স্টেশন। স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে ওই স্টেশনে স্টেশন মাস্টারসহ নেই কোন জনবল। ফলে ওই স্টেশনের স্টেশন মাস্টারের অফিসটি দীর্ঘ সময় ধরে তালাবদ্ধ রয়েছে।

এমনকি সরকারি সম্পদ হরিলুট হচ্ছে। দেখার যেন কেউ নেই। জনবল না থাকায় ওঠে না সিগন্যাল, বাজে না কোন ঘণ্টা। ট্রেন যেমনি আসে, তেমনি যায়। যাত্রীরা জানে না কখন আসবে ট্রেন আর কখন ছেড়ে যাবে স্টেশনটি। এতে করে যাত্রীরা ট্রেন বিমুখ হচ্ছে।

স্থানীয়রা আরও জানান, দীর্ঘ সময়ে ওই স্টেশনে কোন জনবল না থাকায় প্রতি মাসে সরকার মোটা অংকের রাজস্ব হারাচ্ছে। এ বিষয়ে রাসেল মাহমুদ বলেন, এই এলাকার ৮০ ভাগ মানুষ সরাসরি কৃষি কাজের সাথে জড়িত।

তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য ট্রেন যোগে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রির জন্য নিয়ে যায়। স্টেশন মাস্টার না থাকায় কৃষক তাদের উৎপাদিত কৃষি ফসল আলু, মরিচ বুকিং করতে না পারায় পানির দামে স্থানীয় হাট-বাজারে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে। অপরদিকে সরকার হারাচ্ছে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব।

এ বিষয়ে রেল বিভাগের লালমনিরহাট সহকারি পরিবহন কর্মকর্তা নূরুল ইসলাম বলেন, জনবল না থাকায় ভেলুরপাড়া সহ ১২টি স্টেশনে নেই কোন স্টেশন মাস্টার। ফলে ওই সকল স্টেশনে দাপ্তরিক কাজ ব্যাহত হচ্ছে।