স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার বালুয়া ইউনিয়নের হাড়িয়াকান্দি(সরকারপাড়া) গ্রামে মো.নুরুল ইসলাম তার বসতবাড়ির আঙিনায় বোরিং করে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগে সেচ পাম্প চালানোর অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় উপজেলা সেচ কমিটি ও বিএডিসি কতৃক সেচ পাম্পের লাইসেন্সপ্রাপ্ত কৃষক মো. মোত্তালেব হোসেন বাদী হয়ে বগুড়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-০২ সোনাতলা এজিএম বরাবরে ২৬ জানুয়ারি অভিযোগ দায়ের করেছে।
অভিযোগ ও সরজমিনে জানা যায়, উপজেলার হাড়িয়াকান্দি(সরকারপাড়া) গ্রামের মৃত মোজাহার আলীর ছেলে মোত্তালেব হোসেন উপজেলা সেচ কমিটি ও বিএডিসি কতৃক লাইসেন্সপ্রাপ্ত হয়ে সেচ পাম্পের
সাহায্যে পানি সেচ দিয়ে আসছে। মোত্তালেব এর সেচ পাম্পের পাশেই নুরুল ইসলাম তার আঙিনায় চার ইঞ্চি পাইপের বোরিং করে আবাসিক বিদ্যুৎ মিটার থেকে সংযোগ নিয়ে দুইঘোড়া মটরের সাহায্যে মোত্তালেবের স্কীমের মধ্যে পানি সেচ করে আসছে কয়েক বছর ধরে।
সরজমিনে দেখা যায়, বোরিং হতে দুইঘোড়া মটর খুলে নুরুল ইসলাম তার ঘরে রেখে দিয়েছে। এ ব্যাপারে মোত্তালেব হোসেন বলেন, নুরুল ইসলাম তার আঙিনায় চার ইঞ্চি পাইপের বোরিং করে আবাসিক বিদ্যুৎ মিটার থেকে সংযোগ নিয়ে দুইঘোড়া মটরের সাহায্যে আমার স্কীমের মধ্যে বোরো মৌসুমে পানি সেচ করে আসছে। বিষয়টি আমি বিদ্যুৎ অফিসকে অবগত করেছি। সুষ্ঠ তদন্তসাপেক্ষে আইনগতভাবে আমি এর বিচার দাবি করছি।
এ বিষয়ে কথা বলার জন্য নুরুল ইসলামের বাড়িতে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে কথা হয় তার ছেলে মো. মানিক মিয়ার সাথে।তিনি জানান, আবাসিক মিটার থেকে সংযোগ নিয়ে আঙিনায় চার ইঞ্চি বোরিং করে আমরা শাকসবজি ও রবিশস্যে পানি সেচ করে আসছি। আবাসিক মিটার থেকে সংযোগ নিয়ে দুই ঘোড়া মটর চালানো আইনসংগত কিনা জিজ্ঞেস করলে তিনি এর প্রতিউত্তরে কিছু বলতে রাজি হয়নি।
এ ব্যাপারে বগুড়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-০২ সোনাতলা এজিএম সাগর দেবনাথ অভিযোগ প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তদন্তসাপেক্ষে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।
Reporter Name 


















