১২:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সোনাতলায় একটি গ্রামে চলাচলের কোনও রাস্তা নেই, বাঁশঝাঁড়ের মধ্য দিয়ে যাতায়াত

  • Reporter Name
  • ০৩:৩৭:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৪২২

সোনাতলা (বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার পাকুল্লা ইউনিয়নের পার শ্যামপুর গ্রামে যাতায়াতে পাকা রাস্তা তো দূরের কথা, হেঁটে যাওয়ার কাঁচা রাস্তাও হয়নি। ফলে ওই গ্রামের প্রায় তিন হাজার মানুষকে যাতায়াত করতে হয় বাঁশঝাঁড়ের মধ্য দিয়ে। এছাড়াও বর্ষা মৌসুমে জমির মধ্য দিয়ে তাদের হাঁটু পানি মাড়িয়ে যাতায়াত করতে হয়।

উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে বাঙালি নদীর তীরে অবস্থিত পাকুল্লা ইউনিয়নের পার শ্যামপুর গ্রাম। ওই গ্রামে প্রায় তিন হাজার মানুষের বসবাস। ওই গ্রামের ৮৫ ভাগ মানুষ সরাসরি কৃষি কাজের সাথে জড়িত। এছাড়াও শিক্ষা-দীক্ষা ও ব্যবসা-বাণিজ্যে গ্রামটি পিছিয়ে না থাকলেও ওই গ্রামে যাতায়াতের কোন রাস্তা নেই। গ্রামটিতে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে।

বিদ্যালয় সংলগ্ন প্রায় হাফ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে নেই কোন রাস্তা। বাধ্য হয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসীদের যাতায়াত করতে হয় শুষ্ক মৌসুমে বাঁশঝাঁড়ের মধ্য দিয়ে। আর বর্ষা মৌসুমে হাঁটু পানি মাড়িয়ে জমির মধ্য দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। ওই গ্রামের বাসিন্দারা বলেন, সরকার আসে, সরকার যায়।

তাদের দলীয় এমপিরা প্রতিশ্রুতি দিলেও আজ পর্যন্ত ওই গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়সংলগ্ন রাস্তাটি পাকাতো দূরের কথা, হেঁটেও চলাচল করা যায় না। গ্রামবাসী আরও জানান, নির্বাচন এলেই রাস্তা করার প্রতিশ্রুতি মেলে। নির্বাচন হয়ে গেলে তাদের আর চোখে পড়ে না।

এ বিষয়ে স্থানীয় পাকুল্লা ইউপি চেয়ারম্যান একেএম লতিফুল বারী টিম বলেন, আগামীতে তাদের দল (বিএনপি) রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় গেলে বগুড়া উন্নয়ন প্রকল্প নামক একটি প্রকল্পের আওতায় রাস্তাটি এনে প্রথমে মাটি কাঁটার কাজ করা হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে রাস্তাটি পাকাকরণ করা হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী আতিকুর রহমান তালুকদার বলেন, এ সম্পর্কে কেউ তাকে অবগত করেননি। প্রস্তাবনা পাওয়া গেলে রাস্তাটি দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বরাদ্দ দিতে অনুরোধ করা হবে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

জনপ্রিয়

বগুড়ায় প্রেস কাউন্সিলের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সোনাতলায় একটি গ্রামে চলাচলের কোনও রাস্তা নেই, বাঁশঝাঁড়ের মধ্য দিয়ে যাতায়াত

০৩:৩৭:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

সোনাতলা (বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার পাকুল্লা ইউনিয়নের পার শ্যামপুর গ্রামে যাতায়াতে পাকা রাস্তা তো দূরের কথা, হেঁটে যাওয়ার কাঁচা রাস্তাও হয়নি। ফলে ওই গ্রামের প্রায় তিন হাজার মানুষকে যাতায়াত করতে হয় বাঁশঝাঁড়ের মধ্য দিয়ে। এছাড়াও বর্ষা মৌসুমে জমির মধ্য দিয়ে তাদের হাঁটু পানি মাড়িয়ে যাতায়াত করতে হয়।

উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে বাঙালি নদীর তীরে অবস্থিত পাকুল্লা ইউনিয়নের পার শ্যামপুর গ্রাম। ওই গ্রামে প্রায় তিন হাজার মানুষের বসবাস। ওই গ্রামের ৮৫ ভাগ মানুষ সরাসরি কৃষি কাজের সাথে জড়িত। এছাড়াও শিক্ষা-দীক্ষা ও ব্যবসা-বাণিজ্যে গ্রামটি পিছিয়ে না থাকলেও ওই গ্রামে যাতায়াতের কোন রাস্তা নেই। গ্রামটিতে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে।

বিদ্যালয় সংলগ্ন প্রায় হাফ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে নেই কোন রাস্তা। বাধ্য হয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসীদের যাতায়াত করতে হয় শুষ্ক মৌসুমে বাঁশঝাঁড়ের মধ্য দিয়ে। আর বর্ষা মৌসুমে হাঁটু পানি মাড়িয়ে জমির মধ্য দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। ওই গ্রামের বাসিন্দারা বলেন, সরকার আসে, সরকার যায়।

তাদের দলীয় এমপিরা প্রতিশ্রুতি দিলেও আজ পর্যন্ত ওই গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়সংলগ্ন রাস্তাটি পাকাতো দূরের কথা, হেঁটেও চলাচল করা যায় না। গ্রামবাসী আরও জানান, নির্বাচন এলেই রাস্তা করার প্রতিশ্রুতি মেলে। নির্বাচন হয়ে গেলে তাদের আর চোখে পড়ে না।

এ বিষয়ে স্থানীয় পাকুল্লা ইউপি চেয়ারম্যান একেএম লতিফুল বারী টিম বলেন, আগামীতে তাদের দল (বিএনপি) রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় গেলে বগুড়া উন্নয়ন প্রকল্প নামক একটি প্রকল্পের আওতায় রাস্তাটি এনে প্রথমে মাটি কাঁটার কাজ করা হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে রাস্তাটি পাকাকরণ করা হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী আতিকুর রহমান তালুকদার বলেন, এ সম্পর্কে কেউ তাকে অবগত করেননি। প্রস্তাবনা পাওয়া গেলে রাস্তাটি দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বরাদ্দ দিতে অনুরোধ করা হবে।