স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার জোড়গাছা ইউনিয়নের ২২নং গুড়াভাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টির ১২টি কক্ষের মধ্যে ৯টি কক্ষের কোন দরজা-জানালা না থাকায় ওই কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত ভোটারেরা। এদিকে ভোট গ্রহণের মাত্র তিন দিন থাকলেও সংস্কার কাজে বরাদ্দকৃত ১ লাখ টাকার এখনও পুরোপুরি কাজ হয়নি বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১৩ কিলোমিটার দক্ষিণে এই বিদ্যালয়ের অবস্থান। বিদ্যালয়টি ১৯৭২ সালে জাতীয়করণ হয়। এরপর মাত্র তিন কক্ষবিশিষ্ট একটি ভবন নির্মিত হয়। অপরদিকে প্রতিষ্ঠাকালীন ৯ কক্ষবিশিষ্ট আধাপাকা টিনসেড ভবনটির টিন নষ্ট হয়ে গেছে।
আবার ওই ভবনের কোথাও কোথাও চাল নেই। খোলা আকাশের নিচে শ্রেণিকক্ষ। ঝড়-বৃষ্টির আশঙ্কায় ওই এলাকার ভোটাররা উদ্বিগ্ন। এছাড়াও টিনসেড ভবনের বেশিরভঅগ শ্রেণিকক্ষে নেই দরজা-জানালা। ফলে গরু-ছাগল, কুকুর-শেয়ালের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে শ্রেণিকক্ষগুলো।
স্থানীয়রা জানান, শ্রেণিকক্ষগুলো পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকে। শুধুমাত্র ভোট এলেই কক্ষগুলো ব্যবহার করা হয়। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে বিদ্যালয়টি সংস্কারে এক লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সংস্কারের টাকায় কয়েকটি সিসি ক্যামেরা স্থাপন ও ৩/৪টি দরজা মেরামত করা হয়েছে। এখনও টিনের চালা সংস্কার করা কিংবা নতুন টিন লাগানো হয়নি।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহিন আক্তার শিল্পী বলেন, এখনও বরাদ্দকৃত টাকার পুরোপুরি সংস্কার কাজ সম্পন্ন করতে পারিনি। ৬টি সিসি ক্যামেরা স্থাপন, পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা ও বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার জন্য নির্মাণ সামগ্রী কেনা হয়েছে। এদিকে গতকাল শনিবার সকালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি দল ওই বিদ্যালয় পরিদর্শনে এসে টয়লেট অপরিষ্কার দেখতে পায়।
এ বিষয়ে সোনাতলা থানার অফিসার ইনচার্জ কবির হোসেন বলেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উপজেলার ৫৪টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩৬টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
Reporter Name 


















