০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বগুড়া-১ আসনে তিন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত, ভোটার উপস্থিতি ৬২.৪৪%

  • Reporter Name
  • ০৪:১৯:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৬২

স্টাফ রিপোর্টারঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনে তিন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। কাস্টিং ভোটের নির্ধারিত এক অষ্টমাংশ (৮ ভাগের ১ ভাগ) ভোট না পাওয়ায় তাদের এই পরিণতি হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা নির্বাচন অফিস।

জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, বগুড়া-১ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ৭৬ হাজার ৬১৪ জন। ১২৭টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ২ লাখ ৩৫ হাজার ১৫৪ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। প্রদত্ত ভোটের হার ৬২ দশমিক ৪৪ শতাংশ।

মোট প্রদত্ত ভোটের মধ্যে বৈধ ভোট ছিল ২ লাখ ৩১ হাজার ৩২০টি এবং বাতিল ভোট ৩ হাজার ৮৩৪টি।

জামানত হারানো তিন প্রার্থী হলেন—

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর প্রার্থী এ বি এম মোস্তফা কামাল (হাতপাখা প্রতীক) — পেয়েছেন ১ হাজার ২৬ ভোট।

গণফোরাম-এর প্রার্থী মো. জুলফিকার আলী (উদীয়মান সূর্য প্রতীক) — পেয়েছেন ২৯৮ ভোট।

বাংলাদেশ কংগ্রেস মনোনীত মো. আসাদুল হক (ডাব প্রতীক) — পেয়েছেন ৫৯৭ ভোট।

জেলা সিনিয়র নির্বাচন অফিসার ফজলুল করিম বলেন, “নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী কাস্টিং ভোটের এক অষ্টমাংশ ভোট না পেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বড় দলগুলোর তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাঝে ছোট দলগুলোর প্রার্থীরা উল্লেখযোগ্য ভোট সংগ্রহে ব্যর্থ হয়েছেন। ফলে এই আসনে তিন প্রার্থীর জামানত হারানোর ঘটনা স্থানীয় রাজনীতিতে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

জনপ্রিয়

বগুড়ায় প্রেস কাউন্সিলের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

বগুড়া-১ আসনে তিন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত, ভোটার উপস্থিতি ৬২.৪৪%

০৪:১৯:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টারঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনে তিন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। কাস্টিং ভোটের নির্ধারিত এক অষ্টমাংশ (৮ ভাগের ১ ভাগ) ভোট না পাওয়ায় তাদের এই পরিণতি হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা নির্বাচন অফিস।

জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, বগুড়া-১ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ৭৬ হাজার ৬১৪ জন। ১২৭টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ২ লাখ ৩৫ হাজার ১৫৪ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। প্রদত্ত ভোটের হার ৬২ দশমিক ৪৪ শতাংশ।

মোট প্রদত্ত ভোটের মধ্যে বৈধ ভোট ছিল ২ লাখ ৩১ হাজার ৩২০টি এবং বাতিল ভোট ৩ হাজার ৮৩৪টি।

জামানত হারানো তিন প্রার্থী হলেন—

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর প্রার্থী এ বি এম মোস্তফা কামাল (হাতপাখা প্রতীক) — পেয়েছেন ১ হাজার ২৬ ভোট।

গণফোরাম-এর প্রার্থী মো. জুলফিকার আলী (উদীয়মান সূর্য প্রতীক) — পেয়েছেন ২৯৮ ভোট।

বাংলাদেশ কংগ্রেস মনোনীত মো. আসাদুল হক (ডাব প্রতীক) — পেয়েছেন ৫৯৭ ভোট।

জেলা সিনিয়র নির্বাচন অফিসার ফজলুল করিম বলেন, “নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী কাস্টিং ভোটের এক অষ্টমাংশ ভোট না পেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বড় দলগুলোর তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাঝে ছোট দলগুলোর প্রার্থীরা উল্লেখযোগ্য ভোট সংগ্রহে ব্যর্থ হয়েছেন। ফলে এই আসনে তিন প্রার্থীর জামানত হারানোর ঘটনা স্থানীয় রাজনীতিতে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।