১২:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সোনাতলায় আগাম মুকুলে আমের সম্ভাবনার সুবাস, কোটি টাকার স্বপ্ন দেখছেন কৃষকরা

  • Reporter Name
  • ০৩:২০:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১০৬

সোনাতলা (বগুড়া) প্রতিনিধি: সোনাতলা উপজেলা জুড়ে গাছে গাছে দেখা দিয়েছে আমের মুকুল। উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়া এবং হালকা শীতের প্রভাবে এ বছর স্বাভাবিক সময়ের আগেই আমগাছে ফুল এসেছে। ফলে সংশ্লিষ্ট উপজেলায় আগাম আম উৎপাদনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন কৃষি সংশ্লিষ্টরা।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এ উপজেলায় প্রায় ১৩ হাজার ৩৪০ হেক্টর আবাদি জমির মধ্যে প্রায় ৩৮ হাজার আমগাছ রয়েছে। এর মধ্যে ইতোমধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশ গাছে মুকুল এসেছে। অনুকূল আবহাওয়া অব্যাহত থাকলে এবার ভালো ফলনের আশা করছেন কৃষকরা।

প্রতিবছর উপজেলার প্রায় দুই লাখ কৃষক আম বিক্রি করে দেড় থেকে দুই কোটি টাকা আয় করে থাকেন। স্থানীয় চারালকান্দি গ্রামের কৃষক তোজাম্মেল হোসেন জানান, গত বছর তার ৯ বিঘা জমির আমবাগান থেকে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকার আম বিক্রি করেছেন। এবারও গাছে আগাম মুকুল আসায় তিনি আশাবাদী ভালো ফলনের ব্যাপারে।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সোহরাব হোসেন বলেন, “আমাদের উপজেলায় প্রায় ৩৮ হাজার আমগাছ রয়েছে। উন্নত জাতের আম চাষে কৃষকরা আগ্রহী হচ্ছেন। অনুকূল আবহাওয়া থাকলে এবার দেড় থেকে দুই কোটি টাকার বেশি আম বিক্রির সম্ভাবনা রয়েছে।”

আগাম মুকুলে ইতোমধ্যেই সুবাস ছড়িয়েছে সোনাতলার গ্রামাঞ্চলে। প্রকৃতি সহায় থাকলে এ বছর আম চাষিদের মুখে ফুটতে পারে প্রশস্ত হাসি।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

জনপ্রিয়

বগুড়ায় প্রেস কাউন্সিলের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সোনাতলায় আগাম মুকুলে আমের সম্ভাবনার সুবাস, কোটি টাকার স্বপ্ন দেখছেন কৃষকরা

০৩:২০:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সোনাতলা (বগুড়া) প্রতিনিধি: সোনাতলা উপজেলা জুড়ে গাছে গাছে দেখা দিয়েছে আমের মুকুল। উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়া এবং হালকা শীতের প্রভাবে এ বছর স্বাভাবিক সময়ের আগেই আমগাছে ফুল এসেছে। ফলে সংশ্লিষ্ট উপজেলায় আগাম আম উৎপাদনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন কৃষি সংশ্লিষ্টরা।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এ উপজেলায় প্রায় ১৩ হাজার ৩৪০ হেক্টর আবাদি জমির মধ্যে প্রায় ৩৮ হাজার আমগাছ রয়েছে। এর মধ্যে ইতোমধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশ গাছে মুকুল এসেছে। অনুকূল আবহাওয়া অব্যাহত থাকলে এবার ভালো ফলনের আশা করছেন কৃষকরা।

প্রতিবছর উপজেলার প্রায় দুই লাখ কৃষক আম বিক্রি করে দেড় থেকে দুই কোটি টাকা আয় করে থাকেন। স্থানীয় চারালকান্দি গ্রামের কৃষক তোজাম্মেল হোসেন জানান, গত বছর তার ৯ বিঘা জমির আমবাগান থেকে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকার আম বিক্রি করেছেন। এবারও গাছে আগাম মুকুল আসায় তিনি আশাবাদী ভালো ফলনের ব্যাপারে।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সোহরাব হোসেন বলেন, “আমাদের উপজেলায় প্রায় ৩৮ হাজার আমগাছ রয়েছে। উন্নত জাতের আম চাষে কৃষকরা আগ্রহী হচ্ছেন। অনুকূল আবহাওয়া থাকলে এবার দেড় থেকে দুই কোটি টাকার বেশি আম বিক্রির সম্ভাবনা রয়েছে।”

আগাম মুকুলে ইতোমধ্যেই সুবাস ছড়িয়েছে সোনাতলার গ্রামাঞ্চলে। প্রকৃতি সহায় থাকলে এ বছর আম চাষিদের মুখে ফুটতে পারে প্রশস্ত হাসি।