০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সোনাতলায় জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফলে ভরাডুবি, হতাশ অভিভাবকরা

  • Reporter Name
  • ০৪:৪৭:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৯৮

সোনাতলা (বগুড়া) প্রতিনিধি: চলতি বছরের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফলে সোনাতলা উপজেলায় আশানুরূপ সাফল্য না আসায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে। উপজেলার ২৯টি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে অংশ নেওয়া সাড়ে তিন শতাধিক শিক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র ১৬ জন ট্যালেন্টপুলে এবং ৩৪ জন সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর মোট ৩৫০-এর বেশি শিক্ষার্থী জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। কিন্তু ফল প্রকাশের পর দেখা যায়, বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম। বিশেষ করে উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর কয়েকটিতে একজন শিক্ষার্থীও বৃত্তি না পাওয়ায় স্থানীয়ভাবে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

এর মধ্যে অন্যতম সুখানপুকুর উচ্চ বিদ্যালয়-সহ কয়েকটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে কোনো শিক্ষার্থী বৃত্তি অর্জন করতে না পারায় অভিভাবক ও সচেতন মহলে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ নাজমুল ইসলাম বলেন, চলতি বছরের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রত্যাশার তুলনায় হতাশাজনক। বিশেষ করে নামিদামি প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থী বৃত্তি না পাওয়ায় বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে।

শিক্ষাবিদদের মতে, ফলাফল পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ, নিয়মিত একাডেমিক মনিটরিং এবং মানসম্মত পাঠদান নিশ্চিত করা গেলে আগামীতে এ পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

জনপ্রিয়

বগুড়ায় প্রেস কাউন্সিলের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সোনাতলায় জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফলে ভরাডুবি, হতাশ অভিভাবকরা

০৪:৪৭:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সোনাতলা (বগুড়া) প্রতিনিধি: চলতি বছরের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফলে সোনাতলা উপজেলায় আশানুরূপ সাফল্য না আসায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে। উপজেলার ২৯টি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে অংশ নেওয়া সাড়ে তিন শতাধিক শিক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র ১৬ জন ট্যালেন্টপুলে এবং ৩৪ জন সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর মোট ৩৫০-এর বেশি শিক্ষার্থী জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। কিন্তু ফল প্রকাশের পর দেখা যায়, বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম। বিশেষ করে উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর কয়েকটিতে একজন শিক্ষার্থীও বৃত্তি না পাওয়ায় স্থানীয়ভাবে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

এর মধ্যে অন্যতম সুখানপুকুর উচ্চ বিদ্যালয়-সহ কয়েকটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে কোনো শিক্ষার্থী বৃত্তি অর্জন করতে না পারায় অভিভাবক ও সচেতন মহলে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ নাজমুল ইসলাম বলেন, চলতি বছরের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রত্যাশার তুলনায় হতাশাজনক। বিশেষ করে নামিদামি প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থী বৃত্তি না পাওয়ায় বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে।

শিক্ষাবিদদের মতে, ফলাফল পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ, নিয়মিত একাডেমিক মনিটরিং এবং মানসম্মত পাঠদান নিশ্চিত করা গেলে আগামীতে এ পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।