স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার সোনাতলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ভবনটি প্রায় ৪/৫ বছর আগে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হলেও এখন পর্যন্ত ভবনটি সংস্কার বা পুনঃনির্মাণে কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ফলে বাধ্য হয়ে অফিসের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে একটি ভাড়া বাসায়। এতে করে প্রতি মাসে সরকারকে ৪০ হাজার টাকার বেশি ভাড়া গুনতে হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০১৯-২০ অর্থবছরে গণপূর্ত বিভাগ সোনাতলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ভবনটিকে ঝুঁকিপূর্ণ ও ব্যবহারের অনুপযোগী ঘোষণা করে। এরপর থেকেই অফিসটির কার্যক্রম পাশের একটি ভাড়া বাসায় স্থানান্তর করা হয়।
অফিস সংশ্লিষ্টরা জানান, ভবনটির অবস্থা এতটাই নাজুক হয়ে পড়েছিল যে সামান্য বৃষ্টি হলেই ছাদের বিভিন্ন অংশ দিয়ে পানি চুঁইয়ে পড়ত। এতে গুরুত্বপূর্ণ দলিলপত্র ও অফিসের আসবাবপত্র নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। পরিস্থিতি বিবেচনায় অফিসটি দ্রুত অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়।
সোনাতলা সাব-রেজিস্ট্রার মওদুদ আহমেদ বলেন, “প্রায় পাঁচ-ছয় বছর আগে ভবনটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। বৃষ্টি হলে ছাদ চুঁইয়ে পানি পড়ত, ফলে মূল্যবান দলিলপত্র ও ফার্নিচার নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি ছিল। সে কারণে অফিসটি ভাড়া বাসায় স্থানান্তর করা হয়েছে।”
বর্তমানে ওই ভাড়া বাসা থেকেই সকল দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তবে দীর্ঘদিনেও নতুন ভবন নির্মাণ বা পুরোনো ভবন সংস্কারের উদ্যোগ না নেওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। সচেতন মহল দ্রুত স্থায়ী সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
Reporter Name 


















