০৫:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সোনাতলায় বাঁশ কাটাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, মা-ছেলে আহত

বগুড়ার সোনাতলা উপজেলায় বাঁশ কাটাকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশীদের মধ্যে সংঘর্ষে মা-ছেলেসহ দুজন আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন—সজিব দাস (৩০) ও তার মা শান্তি রানী। তারা বর্তমানে সোনাতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বুধবার (২৫ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের হাঁসরাজ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত সজিব দাস ওই গ্রামের গিরিন চন্দ্র দাসের ছেলে। এ ঘটনায় সজিবের বড় ভাই সুজন দাস চারজনের নাম উল্লেখ করে সোনাতলা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গিরিন চন্দ্র দাসের বাঁশঝাড়ের কয়েকটি বাঁশ পাশের বাড়ির উপর হেলে পড়ে ছিল। প্রতিবেশী তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে মোফাজ্জল গত ২৪ মার্চ কোনো পূর্বানুমতি ছাড়াই সেখান থেকে দুটি বাঁশ কেটে ফেলেন। এ বিষয়ে পরদিন সকালে সজিব দাস কারণ জানতে চাইলে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ বাধে। এতে সজিব দাস গুরুতর আহত হন। তাকে রক্ষা করতে গেলে তার মা শান্তি রানীকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে তোফাজ্জল হোসেন বলেন, তাদের ঘরের ওপর বাঁশ হেলে থাকায় ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল। বিষয়টি একাধিকবার জানানো হলেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাই তার ছেলে মোফাজ্জল ঝুঁকিপূর্ণ দুটি বাঁশ কাটেন। তিনি দাবি করেন, পরদিন আরেকটি বাঁশ কাটার সময় সজিব দাস সেখানে এসে দাঁড়ালে কাটা বাঁশের আগা মাথায় পড়ে আহত হন। এ ঘটনায় কোনো মারপিট হয়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সোনাতলা থানার অফিসার ইনচার্জ কবীর হোসেন জানান, অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

জনপ্রিয়

বগুড়ায় প্রেস কাউন্সিলের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সোনাতলায় বাঁশ কাটাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, মা-ছেলে আহত

০৩:৩৫:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

বগুড়ার সোনাতলা উপজেলায় বাঁশ কাটাকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশীদের মধ্যে সংঘর্ষে মা-ছেলেসহ দুজন আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন—সজিব দাস (৩০) ও তার মা শান্তি রানী। তারা বর্তমানে সোনাতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বুধবার (২৫ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের হাঁসরাজ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত সজিব দাস ওই গ্রামের গিরিন চন্দ্র দাসের ছেলে। এ ঘটনায় সজিবের বড় ভাই সুজন দাস চারজনের নাম উল্লেখ করে সোনাতলা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গিরিন চন্দ্র দাসের বাঁশঝাড়ের কয়েকটি বাঁশ পাশের বাড়ির উপর হেলে পড়ে ছিল। প্রতিবেশী তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে মোফাজ্জল গত ২৪ মার্চ কোনো পূর্বানুমতি ছাড়াই সেখান থেকে দুটি বাঁশ কেটে ফেলেন। এ বিষয়ে পরদিন সকালে সজিব দাস কারণ জানতে চাইলে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ বাধে। এতে সজিব দাস গুরুতর আহত হন। তাকে রক্ষা করতে গেলে তার মা শান্তি রানীকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে তোফাজ্জল হোসেন বলেন, তাদের ঘরের ওপর বাঁশ হেলে থাকায় ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল। বিষয়টি একাধিকবার জানানো হলেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাই তার ছেলে মোফাজ্জল ঝুঁকিপূর্ণ দুটি বাঁশ কাটেন। তিনি দাবি করেন, পরদিন আরেকটি বাঁশ কাটার সময় সজিব দাস সেখানে এসে দাঁড়ালে কাটা বাঁশের আগা মাথায় পড়ে আহত হন। এ ঘটনায় কোনো মারপিট হয়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সোনাতলা থানার অফিসার ইনচার্জ কবীর হোসেন জানান, অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।