বগুড়ার সোনাতলায় বসত বাড়ির জমির সিমানা নির্ধারনকে কেন্দ্র করে মারপিটের ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রতিপক্ষের মারপিটে তিনজন আহত হয়ে সোনাতলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধিন রয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বালুয়া ইউনিয়নের ধর্মকুল গ্রামে ২৫ মার্চ(বুধবার) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে। আহতরা হলেন ওই গ্রামের মো. চাঁন মিয়া মোল্লার ছেলে আব্দুল কাদের মোল্লা(৩৮), রমজান আলী(৩২) ও শাহিন আহম্মেদ(২৬)। এ ঘটনায় আব্দুল কাদের মোল্লা বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, ধর্মকুল পূর্বপাড়া গ্রামে মো. চাঁন মিয়া ও ইসমাইল হোসেনের মধ্যে বাড়ির সিমানা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। গত কয়েকদিন আগে স্থানীয় সার্ভেয়ার ও গ্রামবাসী মাপজোখ শেষে সিমানা
খুটি বসে দেন। ঈদের ছুটিতে এসে ইসমাইল হোসেনের তিন ছেলে সিরাজুল,রবিউল ও শরিফুল ৪ইঞ্চি জায়গা
দাবি করে ওই সিমানা খুটি জোরপূর্বক তুলে ফেলে।
এ সময় চাঁন মিয়ার ছেলে একটি মসজিদের ইমাম আব্দুল কাদের খুটি তুলতে নিষেধ করলে ইসমাইল হোসেনের তিন ছেলে ও তাদের স্ত্রীরা চাঁন মিয়ার ছেলেদেরকে বেদম মারপিটে গুরুতর আহত করে।
সরেজমিনে গেলে গ্রামবাসীরা জানান, ইসমাইল হোসেনের ছেলেরা ও তাদের স্ত্রীরা গ্রামের মানুষের
কোন বিচার শালিশ মানেন না। তারা সবসময় গায়ের জোর দেখান। আমরা গ্রামবাসী মাপজোখ করে সিমানা খুটি বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেই খুটি ওরা জোরপূর্বক তুলে ফেলেছে, যা মোটেও ঠিক হয়নি। আইনিভাবে এদের বিচার হওয়া দরকার।
এ ব্যাপারে আহত মসজিদের ইমাম আব্দুল কাদের জানান,সিরাজুল,রবিউল,শরিফুল ও তাদের পরিবারের
মেয়েরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে সিমানা খুটি তুলে ফেলেছে। বাধা দিলে তারা আমাদের মারপিটে আহত করেছে। আমরা হাসপাতালে চিকিৎসাধিন থাকাবস্থায়
বিভিন্ন জায়গার ভারাটিয়া লোকজন দিয়ে মোবাইল ফোনে হুমকি দিচ্ছে এবং আমার বাড়ির লোকজনকে
আবারো মারপিট করবে বলে শাসাচ্ছে। আমরা গোট পরিবার নিরাপত্তাহিনতায় ভুগছি। আমি আইনের সহযোগিতা চাই।
এব্যাপারে রবিউল ইসলাম জানান,আমরা বাড়িতে না থাকাবস্থায় সিমানা খুটি বসিয়েছে। আমরা আরো ৪/৫ ইঞ্চি জায়গা পাবো। তাই খুটি তুলে ফেলেছি।
মারপিটে চাঁন মিয়ার ছেলেদেরকে আহত করার বিষয়ে কথা বললে,তখন রবিউল জানান ওরাও মারপিট করে
আমাদেরকে আহত করেছে।
এ ঘটনায় সোনাতলা থানা অফিসার ইনচার্জ কবীর হোসেন জানান,ওই বিষয়ে উভয়পক্ষই অভিযোগ করেছে,তদন্ত করে আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে।
রিমন আহম্মেদ বিকাশ 


















