গোলাম রব্বানী শিপন, বগুড়া প্রতিনিধি: বগুড়ার সদর উপজেলার গোকুল এলাকায় এক স্কুলছাত্রকে মারধর করে জোরপূর্বক চেতনানাশক দ্রব্য খাইয়ে অচেতন অবস্থায় রাস্তায় ফেলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বগুড়ায় এবং পরে ঢাকায় চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার বগুড়া সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গোকুল ইউনিয়নের রামশহর মধ্যপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বেলাল হোসেনের ভাতিজা দেলোয়ার হোসেন নয়ন (১৭) গোকুল তছলিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র। গত ২৪ মার্চ বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে নয়ন একই ইউনিয়নের বোরহান গেই এলাকায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে দাওয়াতে যায়।
খাওয়া-দাওয়া শেষে বিকেল ৫টার দিকে সে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন মায়ের কাছে রেখে মহাস্থান জাদুঘর এলাকায় ঘুরতে বের হয়। এরপর নির্ধারিত সময়ে বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন এবং বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
একপর্যায়ে রাত আনুমানিক ১০টার দিকে গোকুল কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠ সংলগ্ন মহাসড়কের পাশে কয়েকজন অটোচালক নয়নকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে উদ্ধার করেন। পরে তাকে টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সংবাদ পেয়ে পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে গিয়ে নয়নকে শনাক্ত করেন। তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় চিকিৎসকরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। বর্তমানে সে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
ভুক্তভোগীর চাচা শামীম হোসেন জানান, “আমাদের ধারণা বিকেল ৫টা থেকে রাত সাড়ে ৯টার মধ্যে কোনো একসময় দুর্বৃত্তরা তাকে চেতনানাশক দ্রব্য খাইয়ে অচেতন করে মারধর করে রাস্তায় ফেলে যায়।”
তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ জানিয়েছে, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Reporter Name 


















