০৪:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বগুড়ায় হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন আরও ১০ শিশু

  • Reporter Name
  • ০১:৫৬:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৫০

সোনাতলা সংবাদ ডেস্কঃ বগুড়ায় হামের মতো উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৩টার দিকে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এর আইসোলেশন ওয়ার্ডে শিশুটি মারা যায়।

মৃত শিশুর নাম হুমায়রা। সে বগুড়ার শেরপুর উপজেলার বাসিন্দা। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হামের উপসর্গ দেখা দেওয়ায় তাকে আগের দিন (৩১ মার্চ) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।

হাসপাতালের উপপরিচালক ও মুখপাত্র ডা. মো. মনজুর-এ-মুর্শেদ জানান, শিশুটির শরীরে হাম-এর মতো উপসর্গ এবং ত্বকে র‌্যাশ ছিল। সংক্রমণের আশঙ্কায় তাকে আইসোলেশন ওয়ার্ডে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

বর্তমান পরিস্থিতিতে হাসপাতালে হামের উপসর্গযুক্ত রোগীদের জন্য পৃথক আইসোলেশন বিভাগ চালু করা হয়েছে। এই বিভাগে বর্তমানে একই ধরনের উপসর্গ নিয়ে আরও ১০টি শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, এ পর্যন্ত ১৮টি শিশুর নমুনা পরীক্ষা করা হলেও কারও শরীরে হামের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

মৃত শিশুটির নমুনা পরীক্ষার বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, চিকিৎসকরা নমুনা সংগ্রহের চেষ্টা করেছিলেন। তবে অভিভাবকদের অনুমতি না পাওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। নিয়ম অনুযায়ী, অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া নমুনা সংগ্রহ করা যায় না।-কালবেলা

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

জনপ্রিয়

বগুড়ায় প্রেস কাউন্সিলের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

বগুড়ায় হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন আরও ১০ শিশু

০১:৫৬:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

সোনাতলা সংবাদ ডেস্কঃ বগুড়ায় হামের মতো উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৩টার দিকে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এর আইসোলেশন ওয়ার্ডে শিশুটি মারা যায়।

মৃত শিশুর নাম হুমায়রা। সে বগুড়ার শেরপুর উপজেলার বাসিন্দা। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হামের উপসর্গ দেখা দেওয়ায় তাকে আগের দিন (৩১ মার্চ) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।

হাসপাতালের উপপরিচালক ও মুখপাত্র ডা. মো. মনজুর-এ-মুর্শেদ জানান, শিশুটির শরীরে হাম-এর মতো উপসর্গ এবং ত্বকে র‌্যাশ ছিল। সংক্রমণের আশঙ্কায় তাকে আইসোলেশন ওয়ার্ডে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

বর্তমান পরিস্থিতিতে হাসপাতালে হামের উপসর্গযুক্ত রোগীদের জন্য পৃথক আইসোলেশন বিভাগ চালু করা হয়েছে। এই বিভাগে বর্তমানে একই ধরনের উপসর্গ নিয়ে আরও ১০টি শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, এ পর্যন্ত ১৮টি শিশুর নমুনা পরীক্ষা করা হলেও কারও শরীরে হামের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

মৃত শিশুটির নমুনা পরীক্ষার বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, চিকিৎসকরা নমুনা সংগ্রহের চেষ্টা করেছিলেন। তবে অভিভাবকদের অনুমতি না পাওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। নিয়ম অনুযায়ী, অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া নমুনা সংগ্রহ করা যায় না।-কালবেলা