০৬:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সারিয়াকান্দিতে ৩ বছর পর স্বামীর পথেই স্ত্রী: এলাকায় শোকের ছায়া

  • Reporter Name
  • ০৩:০২:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ১২৬

সারিয়াকান্দি (বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে স্বামীর আত্মহত্যার প্রায় তিন বছর পর একই পথ বেছে নিলেন স্ত্রী মর্জিনা বেগম (৩৫)। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার পৌর এলাকার নিজ বাটিয়া গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালে মর্জিনার স্বামী আবু সাঈদ বিষাক্ত গ্যাস ট্যাবলেট সেবন করে আত্মহত্যা করেন। তিনি পৌর জাতীয় শ্রমিক পার্টির সাবেক আহ্বায়ক ছিলেন। স্বামীর মৃত্যুর পর মর্জিনা বেগম একাই বসবাস করতেন। তাদের দুই মেয়ে বিবাহিত এবং একমাত্র ছেলে ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন।

বৃহস্পতিবার সকালে প্রতিবেশীরা দীর্ঘ সময় কোনো সাড়া না পেয়ে ঘরে প্রবেশ করলে মর্জিনা বেগমকে ঘরের তীরের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় দেখতে পান। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে সারিয়াকান্দি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

সারিয়াকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ ফ ম আসাদুজ্জামান জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ঘটনাটি এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং স্থানীয়দের মাঝে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

জনপ্রিয়

বগুড়ায় প্রেস কাউন্সিলের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সারিয়াকান্দিতে ৩ বছর পর স্বামীর পথেই স্ত্রী: এলাকায় শোকের ছায়া

০৩:০২:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

সারিয়াকান্দি (বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে স্বামীর আত্মহত্যার প্রায় তিন বছর পর একই পথ বেছে নিলেন স্ত্রী মর্জিনা বেগম (৩৫)। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার পৌর এলাকার নিজ বাটিয়া গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালে মর্জিনার স্বামী আবু সাঈদ বিষাক্ত গ্যাস ট্যাবলেট সেবন করে আত্মহত্যা করেন। তিনি পৌর জাতীয় শ্রমিক পার্টির সাবেক আহ্বায়ক ছিলেন। স্বামীর মৃত্যুর পর মর্জিনা বেগম একাই বসবাস করতেন। তাদের দুই মেয়ে বিবাহিত এবং একমাত্র ছেলে ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন।

বৃহস্পতিবার সকালে প্রতিবেশীরা দীর্ঘ সময় কোনো সাড়া না পেয়ে ঘরে প্রবেশ করলে মর্জিনা বেগমকে ঘরের তীরের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় দেখতে পান। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে সারিয়াকান্দি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

সারিয়াকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ ফ ম আসাদুজ্জামান জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ঘটনাটি এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং স্থানীয়দের মাঝে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।