সোনাতলা সংবাদ ডেস্কঃ বগুড়ার বিভিন্ন পেট্রলপাম্পে গভীর রাতে সংঘবদ্ধ চক্রের তেল নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পাম্পমালিক ও কর্মচারীরা দাবি করেছেন, দুর্বৃত্তরা এসে তাদের ভয়ভীতি দেখিয়ে জিম্মি করে জ্বালানি নিয়ে যাচ্ছে। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এমন কোনো অভিযোগ পাওয়ার কথা অস্বীকার করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীদের ভাষ্য, রাতে মোটরসাইকেল ও মাইক্রোবাসে করে একদল ব্যক্তি পাম্পে এসে কর্মচারীদের হুমকি দেয় এবং জোরপূর্বক তেল নিয়ে যায়। প্রতিরোধের চেষ্টা করলে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
শহরতলির একটি পেট্রলপাম্পের ব্যবস্থাপক সাইফুল ইসলাম জানান, প্রায়ই ৭-১২ জনের দল গভীর রাতে এসে তেল নিয়ে যায়। কেউ কেউ জারিকেনে করে তেল ভরে নিয়ে যাচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এ ধরনের ঘটনার সময় পুলিশকে খবর দিলেও তাৎক্ষণিক সহায়তা পাওয়া যায় না বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। ফলে অভিযুক্তরা সহজেই পালিয়ে যাচ্ছে।
এ বিষয়ে পেট্রোলিয়াম ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন-এর বগুড়া জেলা সভাপতি মিজানুর রহমান রতন বলেন, জেলায় প্রায় ৭২টি পেট্রলপাম্প রয়েছে এবং বর্তমানে চাহিদার তুলনায় কম জ্বালানি সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে। গ্রাহকদের চাপ ও নিরাপত্তা সংকটে মালিকরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে তেল বিক্রির নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করা হলেও এখনো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি।
এদিকে বাংলাদেশ পুলিশ-এর বগুড়া জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) আতোয়ার হোসেন বলেন, এ ধরনের কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি। পাম্পগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিতে সংশ্লিষ্ট থানাগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া রয়েছে।
অন্যদিকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা জোরদার ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন পেট্রলপাম্প সংশ্লিষ্টরা। সুত্র- দৈনিক আজকের পত্রিকা।
Reporter Name 


















