স্টাফ রিপোর্টারঃ ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের বিভিন্ন উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যানদের অনেকেই আত্মগোপনে রয়েছেন বলে জানা গেছে। তাদের মধ্যে অনেকে নিজ এলাকা ছেড়ে রাজধানীসহ আশপাশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করছেন বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্রে তথ্য মিলেছে। কয়েকজনের বিরুদ্ধে একাধিক মামলাও রয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে আত্মগোপনে থাকা কয়েকজন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত পাঁচ দিনের ব্যবধানে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অন্তত তিনজন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানকে আটক করার খবর পাওয়া গেছে।
মঙ্গলবার (১১ মে) রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হন অরুন কান্তি রায় সিটন। তিনি বগুড়ার গাবতলী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশবিষয়ক কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্য হিসেবে পরিচিত।
এর আগে শনিবার (৯ মে) রাতে মাদারীপুর সদর উপজেলার ঘটকচর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় পাভেলুর রহমান শফিক খান-কে। তিনি মাদারীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। একই ঘটনায় সহযোগিতার অভিযোগে ‘বোটানিক অ্যারোমা’ প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার আসাদুজ্জামান লিটন-কেও আটক করা হয়। স্থানীয়ভাবে তিনি একজন ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত।
এর একদিন আগে শুক্রবার (৮ মে) ঢাকার আশুলিয়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হন বগুড়ার ধুনট উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হাই খোকন। তিনি ধুনট উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতির দায়িত্বে ছিলেন।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চলমান অভিযানে আত্মগোপনে থাকা আরও কয়েকজন সাবেক জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
Reporter Name 


















