০৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বগুড়া পুলিশ লাইন্সে এএসআইয়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

  • Reporter Name
  • ০৩:৩৭:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
  • ১১৮

সোনাতলা সংবাদ ডেস্কঃ বগুড়া পুলিশ লাইন্সে জেলা পুলিশের বেতার শাখায় কর্মরত এক সহকারী উপপরিদর্শকের (এএসআই) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২২ মে) সকালে পুলিশ লাইন্সের অভ্যন্তরে একটি কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যার ঘটনা বলে ধারণা করা হলেও প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।
নিহত আরিফুল ইসলাম (৩৮) নাটোর জেলার নলডাঙ্গা উপজেলার পদ্মবিল ঘড়িয়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি বগুড়া জেলা পুলিশের বেতার শাখায় কর্মরত ছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি স্ত্রী ও দুই সন্তানের জনক।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার গভীর রাত থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত কোনো এক সময়ে পুলিশ লাইন্সের একটি ওয়ার্কশপ কক্ষে গলায় ফাঁস দেন আরিফুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ১টার দিকে তাকে সর্বশেষ সহকর্মীরা দেখতে পান। পরে শুক্রবার সকালে দায়িত্বস্থলে না থাকায় সহকর্মীরা তাকে খুঁজতে শুরু করেন।
একপর্যায়ে পুলিশ লাইন্সের একটি কক্ষ ভেতর থেকে বন্ধ দেখতে পেয়ে সন্দেহ হয় সহকর্মীদের। জানালা দিয়ে উঁকি দিলে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় আরিফুল ইসলামের মরদেহ দেখতে পান তারা। পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার খবর পেয়ে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
জেলা পুলিশ সুপার জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধানে পারিবারিক বিরোধের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে ঋণসংক্রান্ত মানসিক চাপের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এদিকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) বলেন, ঘটনাটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো কারণ রয়েছে—তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া হবে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

জনপ্রিয়

বগুড়ায় প্রেস কাউন্সিলের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

বগুড়া পুলিশ লাইন্সে এএসআইয়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

০৩:৩৭:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

সোনাতলা সংবাদ ডেস্কঃ বগুড়া পুলিশ লাইন্সে জেলা পুলিশের বেতার শাখায় কর্মরত এক সহকারী উপপরিদর্শকের (এএসআই) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২২ মে) সকালে পুলিশ লাইন্সের অভ্যন্তরে একটি কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যার ঘটনা বলে ধারণা করা হলেও প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।
নিহত আরিফুল ইসলাম (৩৮) নাটোর জেলার নলডাঙ্গা উপজেলার পদ্মবিল ঘড়িয়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি বগুড়া জেলা পুলিশের বেতার শাখায় কর্মরত ছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি স্ত্রী ও দুই সন্তানের জনক।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার গভীর রাত থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত কোনো এক সময়ে পুলিশ লাইন্সের একটি ওয়ার্কশপ কক্ষে গলায় ফাঁস দেন আরিফুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ১টার দিকে তাকে সর্বশেষ সহকর্মীরা দেখতে পান। পরে শুক্রবার সকালে দায়িত্বস্থলে না থাকায় সহকর্মীরা তাকে খুঁজতে শুরু করেন।
একপর্যায়ে পুলিশ লাইন্সের একটি কক্ষ ভেতর থেকে বন্ধ দেখতে পেয়ে সন্দেহ হয় সহকর্মীদের। জানালা দিয়ে উঁকি দিলে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় আরিফুল ইসলামের মরদেহ দেখতে পান তারা। পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার খবর পেয়ে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
জেলা পুলিশ সুপার জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধানে পারিবারিক বিরোধের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে ঋণসংক্রান্ত মানসিক চাপের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এদিকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) বলেন, ঘটনাটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো কারণ রয়েছে—তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া হবে।