০৯:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের কাউন্টডাউন শুরু, আগস্টে তফসিলের ইঙ্গিত

  • Reporter Name
  • ০১:৫৬:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
  • ১০৩৩

সোনাতলা সংবাদ ডেস্কঃ স্থানীয় সরকারের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন সামনে রেখে প্রস্তুতি শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আগামী আগস্ট মাসে ইউপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে এবং অক্টোবর থেকে ধাপে ধাপে ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, আইনগত কারণে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের আগে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন সম্পন্ন করা প্রয়োজন। এ কারণে স্থানীয় সরকারের নির্বাচনগুলোর মধ্যে ইউপি নির্বাচনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা উপজেলা পরিষদের পদাধিকারবলে সদস্য হওয়ায় উপজেলা নির্বাচন আয়োজনের আগে ইউপি নির্বাচন সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক। তবে সিটি করপোরেশন নির্বাচন আয়োজনের সুযোগ থাকলেও জেলা পরিষদ নির্বাচন সর্বশেষে অনুষ্ঠিত হবে।

ইসি সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী আচরণবিধিতে বেশ কিছু পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে কমিশনের আইন ও বিধি সংস্কার কমিটি ইতোমধ্যে একাধিক বৈঠক করেছে।

প্রস্তাবিত পরিবর্তনের মধ্যে রয়েছে— প্রার্থীদের জামানতের পরিমাণ বৃদ্ধি, অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সুযোগ বাতিল, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য এক শতাংশ ভোটারের সমর্থন সংগ্রহের বাধ্যবাধকতা প্রত্যাহার, পোস্টার ব্যবহার নিষিদ্ধকরণ, ইভিএমের ব্যবহার না রাখা এবং ডাকযোগে ভোট গ্রহণের ব্যবস্থা বাদ দেওয়া।

এছাড়া প্রার্থীদের হলফনামায় আলাদা অঙ্গীকারনামা না রেখে একটি ঘোষণাপত্র সংযুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার অঙ্গীকার থাকবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী বা সমর্থকদের অংশগ্রহণের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনার বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্দলীয় হওয়ায় কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য হওয়া প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে বাধা নয়। আইনি যোগ্যতা থাকলে যে কোনো ব্যক্তি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন।

নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দল, গণমাধ্যম বা অন্যান্য অংশীজনদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সংলাপের পরিকল্পনা নেই বলেও জানান তিনি। পরিবর্তিত আইন ও বিধিমালা কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে এবং সবার মতামত গ্রহণের সুযোগ রাখা হবে।

নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জন্য পৃথক আচরণবিধি থাকায় সংশোধনী কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এসব পরিবর্তন চূড়ান্ত হওয়ার পর নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করা হবে। -ডেইলি স্টার।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

জনপ্রিয়

বগুড়ায় প্রেস কাউন্সিলের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের কাউন্টডাউন শুরু, আগস্টে তফসিলের ইঙ্গিত

০১:৫৬:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

সোনাতলা সংবাদ ডেস্কঃ স্থানীয় সরকারের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন সামনে রেখে প্রস্তুতি শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আগামী আগস্ট মাসে ইউপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে এবং অক্টোবর থেকে ধাপে ধাপে ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, আইনগত কারণে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের আগে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন সম্পন্ন করা প্রয়োজন। এ কারণে স্থানীয় সরকারের নির্বাচনগুলোর মধ্যে ইউপি নির্বাচনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা উপজেলা পরিষদের পদাধিকারবলে সদস্য হওয়ায় উপজেলা নির্বাচন আয়োজনের আগে ইউপি নির্বাচন সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক। তবে সিটি করপোরেশন নির্বাচন আয়োজনের সুযোগ থাকলেও জেলা পরিষদ নির্বাচন সর্বশেষে অনুষ্ঠিত হবে।

ইসি সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী আচরণবিধিতে বেশ কিছু পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে কমিশনের আইন ও বিধি সংস্কার কমিটি ইতোমধ্যে একাধিক বৈঠক করেছে।

প্রস্তাবিত পরিবর্তনের মধ্যে রয়েছে— প্রার্থীদের জামানতের পরিমাণ বৃদ্ধি, অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সুযোগ বাতিল, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য এক শতাংশ ভোটারের সমর্থন সংগ্রহের বাধ্যবাধকতা প্রত্যাহার, পোস্টার ব্যবহার নিষিদ্ধকরণ, ইভিএমের ব্যবহার না রাখা এবং ডাকযোগে ভোট গ্রহণের ব্যবস্থা বাদ দেওয়া।

এছাড়া প্রার্থীদের হলফনামায় আলাদা অঙ্গীকারনামা না রেখে একটি ঘোষণাপত্র সংযুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার অঙ্গীকার থাকবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী বা সমর্থকদের অংশগ্রহণের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনার বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্দলীয় হওয়ায় কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য হওয়া প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে বাধা নয়। আইনি যোগ্যতা থাকলে যে কোনো ব্যক্তি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন।

নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দল, গণমাধ্যম বা অন্যান্য অংশীজনদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সংলাপের পরিকল্পনা নেই বলেও জানান তিনি। পরিবর্তিত আইন ও বিধিমালা কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে এবং সবার মতামত গ্রহণের সুযোগ রাখা হবে।

নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জন্য পৃথক আচরণবিধি থাকায় সংশোধনী কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এসব পরিবর্তন চূড়ান্ত হওয়ার পর নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করা হবে। -ডেইলি স্টার।