গোলাম রব্বানী শিপন, বগুড়াঃ বগুড়ার ঐতিহাসিক মহাস্থান মাজার মসজিদের উন্নয়ন কাজ নির্বিঘ্নে বাস্তবায়নের দাবিতে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর অফিস ঘেরাও এবং স্মারকলিপি প্রদান করেছে স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও উন্নয়নকামী সাধারণ জনতা।
আজ ২৩ জুন ২০২৪, মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১ টায় শিবগঞ্জের মহাস্থানে অবস্থিত প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মহাস্থান যাদুঘরের কাষ্টোডিয়ানের কার্যালয়ের সামনে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।
স্লোগান ও ব্যানার হাতে বিক্ষোভ
বিক্ষোভকারীরা “ঐতিহাসিক মহাস্থান মাজার মসজিদের উন্নয়ন কাজ নির্বিঘ্নে বাস্তবায়নের দাবিতে প্রত্নতত্ত্ব অফিস ঘেরাও ও স্মারকলিপি প্রদান” সম্বলিত একটি বিশাল ব্যানার নিয়ে মূল ফটকের সামনে অবস্থান নেন। এ সময় তাদের হাতে “মহাস্থান মাজার মসজিদের উন্নয়ন বন্ধ করার ষড়যন্ত্রকারীদের শাস্তি চাই” এবং “আমাদের টাকায় আমাদের উন্নয়ন বাধা দেওয়ার তুমি কে” ইত্যাদি স্লোগান লিখিত প্লাকার্ড দেখা যায়।
সংক্ষিপ্ত সমাবেশ ও নেতৃবৃন্দের বক্তব্য
ঘেরাও কর্মসূচি চলাকালে কার্যালয়ের সামনে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন,
শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপি ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এসএম তাজুল ইসলাম, মহাস্থান মাজার মসজিদ কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক
আবু বক্কর সিদ্দিক, প্রিন্সিপাল মহাস্থান ফাজিল মাদ্রাসা
মাওলানা এমদাদুল হক, খতিব মহাস্থান মাজার মসজিদ, বিএনপিতা নেতা, হুমায়ুন কবির কাপু, আব্দুল আলিম, মাজার মসজিদের সহকারী পেশ ইমাম মাওলানা আব্দুল হামিদ।
সমাবেশে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “মহাস্থান মাজার মসজিদ এই অঞ্চলের একটি ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। সাধারণ মানুষের অনুদান ও নিজস্ব অর্থায়নে এই মসজিদের উন্নয়ন কাজ করা হচ্ছে। কিন্তু প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর অযৌক্তিক নানা অজুহাতে এই পবিত্র স্থানের উন্নয়ন কাজে বারবার বাধা সৃষ্টি করছে, যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।”
তারা অবিলম্বে সব ধরনের আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও বাধা দূর করে নির্বিঘ্নে মসজিদের উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করার জোর দাবি জানান। অন্যথায় আগামীতে আরও কঠোর ও বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।
স্মারকলিপি প্রদান
সমাবেশ শেষে মুসল্লি ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের একটি প্রতিনিধি দল প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের কাস্টোডিয়ান রাজিয়া সুলতানার নিকট তার কার্যালয়ে গিয়ে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন। স্মারকলিপি গ্রহণের সময় মাজার মসজিদ কমিটির নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও এলাকার গণ্যমান্য সাধারণ মুসল্লিরা উপস্থিত ছিলেন।
Reporter Name 


















