০৫:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কাহালুর পাইকড় ইউনিয়নবাসীর সুখে-দুঃখে পাশে থাকতে চান রুবেল

কাহালু (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বগুড়ার কাহালু উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ একটি ইউনিয়ন পাইকড়। এই ইউনিয়নে রয়েছে পুরাকীর্তির বহু নিদর্শন। প্রাচীনকালে খুবই সমৃদ্ধ ছিল এই পাইকড়। সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে প্রাচীনকালের সমৃদ্ধ অনেক অবহেলিত অঞ্চলই এখন হয়েছে উন্নত। সেই ক্ষেত্রে অনেকটা পিছিয়ে রয়েছে পাইকড় ইউনিয়ন। বিভিন্ন ক্ষেত্রে শুধু অবহেলিতই নয়; এখানে ইতিহাস-ঐতিহ্যের অনেক কিছুই বর্তমানে শ্রীহীন হয়ে পড়েছে। সেটি উপলব্ধি করেই এই ইউনিয়নের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নসহ সার্বিক উন্নয়নের এক দৃঢ় প্রতিজ্ঞ নিয়ে পূর্বসুরীদের মতোই বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ মাহবুর রহমান (রুবেল) আগামীদিনে পাইকড় ইউনিয়ন পরিষদ থেকে তিনি চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চান।
সম্প্রতি এই প্রতিবেদকের সাথে এক সাক্ষাতকারে পাইকড় ইউনিয়নবাসীকে নিয়ে তার স্বপ্নের অনেক কথাই জানান। রুবেলের দেওয়া তথ্যমতে, তার দাদা মরহুম আঃ রহমান গেদা পাইকড় ইউনিয়ন পরিষদে মেম্বার, ভাইস চেয়ারম্যান ও চেয়ারম্যান হিসেবে একটানা প্রায় ২৭ বছর নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি সততার সাথে ইউনিয়নের সকল মানুষের জন্য কল্যাণকর কাজ, উন্নয়ন ও মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন। সাধ আছে কিন্ত সাধ্য নেই, নানাবিধ কারণে রুবেলের দাদা তার নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছতে পারেনি। যার ফলে রুবেলের পিতা আঃ লতিফ চিন্তা করলেন, ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে শহরমুখী না হয়ে আগে নিজ এলাকার ব্যবসা-বাণিজ্য এগিয়ে নিতে হবে। ব্যবসা-বাণিজ্যে নিজ এলাকা সমৃদ্ধ হলে এলাকার মানুষের ভাগ্য উন্নয়নসহ পাইকড় ইউনিয়ন অনেকটা উন্নত হবে।
আঃ লতিফ সেই লক্ষ্য নিয়ে তিনি শহরে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে না তুলে পাইকড় ইউনিয়নের আড়োলা বাজারে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। তিনি নিজ এলাকায় ব্যবসা-বাণিজ্যে অনেক পুঁজি বিনিয়োগ করার ফলে পাইকড় ইউনিয়নের প্রাণ কেন্দ্র এখন এই আড়োলা বাজার। নিজ এলাকার সমৃদ্ধির পাশাপাশি তিনি জনসেবামূলক কাজে নিজেকে নিয়োজিত করেন। তার অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ এলাকার মানুষ তাকে খুবই সম্মান করতেন। আড়োলা দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে তিনি তিনবার সভাপতি নির্বাচিত হওয়াসহ বিভিন্ন শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের হ নেতৃত্বের ক্ষেত্রে তাকেই বেছে নিতেন এলাকার জনগণ। ব্যবসা-বাণিজ্যে সততার সাক্ষর রাখাসহ তিনি একজন সৎ মানুষ হিসেবে সকলের কাছে পরিচিত ছিলেন। জনগণের চাপে পাইকড় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চেয়েছিলেন। কিন্ত ২০১৮ সালে তার মহাপ্রয়াণে পাইকড় ইউনিয়নের জনগণের সেই আশা-আকাঙ্খা আর পুরুণ হয়নি।
মরহুম আঃ লতিফের দ্বিতীয় পুত্র মোঃ মাহবুর রহমান (রুবেল) পাইকড় ইউনিয়নের জনগণের আশা-আকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটাতে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চান। সেই লক্ষ্য নিয়ে তিনি ২০২০ সাল থেকে নিজের অর্থ খরচ করে তার পূর্বসুরীদের মতোই জনসেবামূলক কাজে নিজেকে সম্পৃক্ত করেছেন। ইতিমধ্যে তিনি বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে সততার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন।

পিতা আঃ লতিফের মৃত্যুর পর তিনি আড়োলা উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। প্রায় ৬ বছর যাবত আড়োলা উত্তরপাড়া মাদ্রাসার সভাপতি হিসেবে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। ইতিপূর্বে আড়োলা হাফেজিয়া মাদ্রাসার সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। বাঁকাদিঘী হাফেজিয়া মাদ্রাসার সহসভাপতি হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি বর্তমানে কাহালু উপজেলা বিএনপির একজন অন্যতম নেতা হিসাবে রাজনৈতিক কর্মকান্ডেও সম্পৃক্ত হয়েছেন। একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী হিসেবে তার রয়েছে বেশ কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। রড-সিমেন্ট, সার-কীটনাশক, পোল্ট্রি ফার্ম, পোল্ট্রি ফিডস, ফিস ফিডস ব্যবসাসহ একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। নিজ এলাকার বেকার সমস্যা দুরীকরণেও তিনি সদা সচেষ্ট রয়েছেন। এলাকার উন্নয়নসহ বিভিন্ন সামাজিক কাজে এবং মানুষের সাহায্য সহযোগিতার ক্ষেত্রে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।
মোঃ মাহবুর রহমান ১৯৮২ সালের ১০ অক্টোবর আড়োলার পাশর্^বতী গ্রাম আখরাইলে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে রুবেল পিতা-মাতার দ্বিতীয় সন্তান। পিতা আব্দুল লতিফের মতোই একজন প্রতিষ্ঠিত সৎ ব্যবসায়ী হিসাবে নিজ এলাকা ছাড়াও বিভিন্ন এলাকার ব্যবসায়ীদের কাছে তার খ্যাতি রয়েছে। আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের লক্ষ্য নিয়ে তিনি পাইকড় ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামের মানুষের সাথে ধারাবাহিকভাবে মত বিনিময় ও যোগাযোগ অব্যহত রেখেছেন।
মোঃ মাহবুর রহমান তার সাক্ষাতকারে বলেন, আমার প্রতি পাইকড় ইউনিয়নবাসীর ¯েœহ-ভালোবাসার কোনো কমতি নেই। আমিও পাইকড় ইনিয়নের জনগণের সুখে-দুঃখে তাদেরই আপনজন হয়ে থাকতে চাই। অবহেলিত পাইকড় ইউনিয়নবাসীর সমৃদ্ধির জন্যই আমি জনপ্রতিনিধি হতে চাই। পাইকড় ইউনিয়নে রয়েছে পুরাকীর্তির বহু নিদর্শন। সেগুলোর সুষ্ঠভাবে রক্ষণা-বেক্ষণ করা হলে এখানে ছোটে আসবে পর্যটকরা। পুরাকীর্তির নিদর্শনগুলো সংস্কারের মাধ্যমে পর্যটকদের পছন্দের দর্শনীয় স্থান হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রতœতত্ত¡ অধিদপ্তরের সাথে যোগাযোগ করে এই এলাকাকে উন্নত করাই হবে আমাদের মূল লক্ষ্য। এছাড়াও কৃষিপ্রধান এই ইউনিয়নের চাষিদের কষ্টে অর্জিত উৎপাদিন শস্য মুল্যে মধ্যসত্ত¡ভোগী ভাগ বসাতে না পারে সেই বিষয়ে এখানকার হাট-বাজারগুলোকে উন্নত করা হবে। মোট কথা দলমত নির্বিশেষে পাইকড় ইউনিয়নের প্রতিটি নাগরিকের জীবনমান উন্নয়নে যা যা করার প্রয়োজন তাই করার লক্ষ্য নিয়েই আন্তরিকভাবে কাজ করবো আমি। আমি যদি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে পারি তাহলে পাইকড় ইউনিয়ন পরিষদ পরিচালিত হবে সততা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

জনপ্রিয়

বগুড়ায় প্রেস কাউন্সিলের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

কাহালুর পাইকড় ইউনিয়নবাসীর সুখে-দুঃখে পাশে থাকতে চান রুবেল

১১:৫১:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

কাহালু (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বগুড়ার কাহালু উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ একটি ইউনিয়ন পাইকড়। এই ইউনিয়নে রয়েছে পুরাকীর্তির বহু নিদর্শন। প্রাচীনকালে খুবই সমৃদ্ধ ছিল এই পাইকড়। সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে প্রাচীনকালের সমৃদ্ধ অনেক অবহেলিত অঞ্চলই এখন হয়েছে উন্নত। সেই ক্ষেত্রে অনেকটা পিছিয়ে রয়েছে পাইকড় ইউনিয়ন। বিভিন্ন ক্ষেত্রে শুধু অবহেলিতই নয়; এখানে ইতিহাস-ঐতিহ্যের অনেক কিছুই বর্তমানে শ্রীহীন হয়ে পড়েছে। সেটি উপলব্ধি করেই এই ইউনিয়নের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নসহ সার্বিক উন্নয়নের এক দৃঢ় প্রতিজ্ঞ নিয়ে পূর্বসুরীদের মতোই বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ মাহবুর রহমান (রুবেল) আগামীদিনে পাইকড় ইউনিয়ন পরিষদ থেকে তিনি চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চান।
সম্প্রতি এই প্রতিবেদকের সাথে এক সাক্ষাতকারে পাইকড় ইউনিয়নবাসীকে নিয়ে তার স্বপ্নের অনেক কথাই জানান। রুবেলের দেওয়া তথ্যমতে, তার দাদা মরহুম আঃ রহমান গেদা পাইকড় ইউনিয়ন পরিষদে মেম্বার, ভাইস চেয়ারম্যান ও চেয়ারম্যান হিসেবে একটানা প্রায় ২৭ বছর নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি সততার সাথে ইউনিয়নের সকল মানুষের জন্য কল্যাণকর কাজ, উন্নয়ন ও মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন। সাধ আছে কিন্ত সাধ্য নেই, নানাবিধ কারণে রুবেলের দাদা তার নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছতে পারেনি। যার ফলে রুবেলের পিতা আঃ লতিফ চিন্তা করলেন, ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে শহরমুখী না হয়ে আগে নিজ এলাকার ব্যবসা-বাণিজ্য এগিয়ে নিতে হবে। ব্যবসা-বাণিজ্যে নিজ এলাকা সমৃদ্ধ হলে এলাকার মানুষের ভাগ্য উন্নয়নসহ পাইকড় ইউনিয়ন অনেকটা উন্নত হবে।
আঃ লতিফ সেই লক্ষ্য নিয়ে তিনি শহরে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে না তুলে পাইকড় ইউনিয়নের আড়োলা বাজারে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। তিনি নিজ এলাকায় ব্যবসা-বাণিজ্যে অনেক পুঁজি বিনিয়োগ করার ফলে পাইকড় ইউনিয়নের প্রাণ কেন্দ্র এখন এই আড়োলা বাজার। নিজ এলাকার সমৃদ্ধির পাশাপাশি তিনি জনসেবামূলক কাজে নিজেকে নিয়োজিত করেন। তার অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ এলাকার মানুষ তাকে খুবই সম্মান করতেন। আড়োলা দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে তিনি তিনবার সভাপতি নির্বাচিত হওয়াসহ বিভিন্ন শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের হ নেতৃত্বের ক্ষেত্রে তাকেই বেছে নিতেন এলাকার জনগণ। ব্যবসা-বাণিজ্যে সততার সাক্ষর রাখাসহ তিনি একজন সৎ মানুষ হিসেবে সকলের কাছে পরিচিত ছিলেন। জনগণের চাপে পাইকড় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চেয়েছিলেন। কিন্ত ২০১৮ সালে তার মহাপ্রয়াণে পাইকড় ইউনিয়নের জনগণের সেই আশা-আকাঙ্খা আর পুরুণ হয়নি।
মরহুম আঃ লতিফের দ্বিতীয় পুত্র মোঃ মাহবুর রহমান (রুবেল) পাইকড় ইউনিয়নের জনগণের আশা-আকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটাতে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চান। সেই লক্ষ্য নিয়ে তিনি ২০২০ সাল থেকে নিজের অর্থ খরচ করে তার পূর্বসুরীদের মতোই জনসেবামূলক কাজে নিজেকে সম্পৃক্ত করেছেন। ইতিমধ্যে তিনি বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে সততার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন।

পিতা আঃ লতিফের মৃত্যুর পর তিনি আড়োলা উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। প্রায় ৬ বছর যাবত আড়োলা উত্তরপাড়া মাদ্রাসার সভাপতি হিসেবে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। ইতিপূর্বে আড়োলা হাফেজিয়া মাদ্রাসার সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। বাঁকাদিঘী হাফেজিয়া মাদ্রাসার সহসভাপতি হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি বর্তমানে কাহালু উপজেলা বিএনপির একজন অন্যতম নেতা হিসাবে রাজনৈতিক কর্মকান্ডেও সম্পৃক্ত হয়েছেন। একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী হিসেবে তার রয়েছে বেশ কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। রড-সিমেন্ট, সার-কীটনাশক, পোল্ট্রি ফার্ম, পোল্ট্রি ফিডস, ফিস ফিডস ব্যবসাসহ একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। নিজ এলাকার বেকার সমস্যা দুরীকরণেও তিনি সদা সচেষ্ট রয়েছেন। এলাকার উন্নয়নসহ বিভিন্ন সামাজিক কাজে এবং মানুষের সাহায্য সহযোগিতার ক্ষেত্রে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।
মোঃ মাহবুর রহমান ১৯৮২ সালের ১০ অক্টোবর আড়োলার পাশর্^বতী গ্রাম আখরাইলে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে রুবেল পিতা-মাতার দ্বিতীয় সন্তান। পিতা আব্দুল লতিফের মতোই একজন প্রতিষ্ঠিত সৎ ব্যবসায়ী হিসাবে নিজ এলাকা ছাড়াও বিভিন্ন এলাকার ব্যবসায়ীদের কাছে তার খ্যাতি রয়েছে। আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের লক্ষ্য নিয়ে তিনি পাইকড় ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামের মানুষের সাথে ধারাবাহিকভাবে মত বিনিময় ও যোগাযোগ অব্যহত রেখেছেন।
মোঃ মাহবুর রহমান তার সাক্ষাতকারে বলেন, আমার প্রতি পাইকড় ইউনিয়নবাসীর ¯েœহ-ভালোবাসার কোনো কমতি নেই। আমিও পাইকড় ইনিয়নের জনগণের সুখে-দুঃখে তাদেরই আপনজন হয়ে থাকতে চাই। অবহেলিত পাইকড় ইউনিয়নবাসীর সমৃদ্ধির জন্যই আমি জনপ্রতিনিধি হতে চাই। পাইকড় ইউনিয়নে রয়েছে পুরাকীর্তির বহু নিদর্শন। সেগুলোর সুষ্ঠভাবে রক্ষণা-বেক্ষণ করা হলে এখানে ছোটে আসবে পর্যটকরা। পুরাকীর্তির নিদর্শনগুলো সংস্কারের মাধ্যমে পর্যটকদের পছন্দের দর্শনীয় স্থান হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রতœতত্ত¡ অধিদপ্তরের সাথে যোগাযোগ করে এই এলাকাকে উন্নত করাই হবে আমাদের মূল লক্ষ্য। এছাড়াও কৃষিপ্রধান এই ইউনিয়নের চাষিদের কষ্টে অর্জিত উৎপাদিন শস্য মুল্যে মধ্যসত্ত¡ভোগী ভাগ বসাতে না পারে সেই বিষয়ে এখানকার হাট-বাজারগুলোকে উন্নত করা হবে। মোট কথা দলমত নির্বিশেষে পাইকড় ইউনিয়নের প্রতিটি নাগরিকের জীবনমান উন্নয়নে যা যা করার প্রয়োজন তাই করার লক্ষ্য নিয়েই আন্তরিকভাবে কাজ করবো আমি। আমি যদি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে পারি তাহলে পাইকড় ইউনিয়ন পরিষদ পরিচালিত হবে সততা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে।