০৫:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শিবগঞ্জের রায়নগরে নির্বাচনী আমেজ, চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় হাফিজুর রহমান হিরু

  • Reporter Name
  • ১২:২৩:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
  • ৪০

গোলাম রব্বানী শিপন, শিবগঞ্জ (বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার রায়নগর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে আগাম নির্বাচনী আলোচনা শুরু হয়েছে। ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম, হাট-বাজার ও চায়ের দোকানে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। এ আলোচনায় চেয়ারম্যান পদপ্রত্যাশী হিসেবে উঠে আসছে শিবগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক হাফিজুর রহমান হিরুর নাম।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা ও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকায় ইউনিয়নের একটি অংশের মানুষের মধ্যে হাফিজুর রহমান হিরুর গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে। সমর্থকদের দাবি, তিনি বিভিন্ন সময় সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থেকেছেন এবং স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে অংশগ্রহণ করেছেন।

জানা যায়, বিগত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি আনারস প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। যদিও তিনি নির্বাচিত হতে পারেননি, তবে পরবর্তী সময়েও এলাকায় সামাজিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন বলে তার সমর্থকদের দাবি।

ইউনিয়নের কয়েকজন তরুণ ভোটার বলেন, তারা এমন একজন জনপ্রতিনিধি চান, যিনি সৎ, যোগ্য ও জনবান্ধব নেতৃত্ব দিতে সক্ষম হবেন। তাদের ভাষ্য, নির্বাচিত হলে হাফিজুর রহমান হিরু মাদক, জুয়া, সন্ত্রাস ও সামাজিক অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে তারা আশা করছেন।

বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) বিকেলে মহাস্থান বন্দরে নিজ কার্যালয়ে এ প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে হাফিজুর রহমান হিরু বলেন, নির্বাচিত হলে রায়নগর ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, পরিকল্পিত ও বৈষম্যহীন ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলাই হবে তার প্রধান লক্ষ্য।

তিনি বলেন, “মাদক, জুয়া ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করব। সরকারি বিভিন্ন সেবা ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা প্রকৃত উপকারভোগীদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কাজ করব। পাশাপাশি ইউনিয়নের রাস্তাঘাট, কালভার্ট, ড্রেনেজ ব্যবস্থাসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর উন্নয়নে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।”

তিনি আরও বলেন, “আমি কোনো পদ-পদবির জন্য নয়, মানুষের সেবার লক্ষ্য নিয়েই রাজনীতি করি। অতীতেও ইউনিয়নের অসহায় মানুষের পাশে ছিলাম, ভবিষ্যতেও থাকব। রায়নগর ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন কামনা করছি।”

স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা চললেও নির্বাচনের তফসিল এখনও ঘোষণা হয়নি। তবে সম্ভাব্য প্রার্থীরা ইতোমধ্যে গণসংযোগ ও জনসম্পৃক্ত কার্যক্রম জোরদার করেছেন। নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসবে, রায়নগরের রাজনৈতিক সমীকরণ আরও স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

জনপ্রিয়

বগুড়ায় প্রেস কাউন্সিলের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

শিবগঞ্জের রায়নগরে নির্বাচনী আমেজ, চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় হাফিজুর রহমান হিরু

১২:২৩:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

গোলাম রব্বানী শিপন, শিবগঞ্জ (বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার রায়নগর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে আগাম নির্বাচনী আলোচনা শুরু হয়েছে। ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম, হাট-বাজার ও চায়ের দোকানে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। এ আলোচনায় চেয়ারম্যান পদপ্রত্যাশী হিসেবে উঠে আসছে শিবগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক হাফিজুর রহমান হিরুর নাম।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা ও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকায় ইউনিয়নের একটি অংশের মানুষের মধ্যে হাফিজুর রহমান হিরুর গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে। সমর্থকদের দাবি, তিনি বিভিন্ন সময় সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থেকেছেন এবং স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে অংশগ্রহণ করেছেন।

জানা যায়, বিগত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি আনারস প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। যদিও তিনি নির্বাচিত হতে পারেননি, তবে পরবর্তী সময়েও এলাকায় সামাজিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন বলে তার সমর্থকদের দাবি।

ইউনিয়নের কয়েকজন তরুণ ভোটার বলেন, তারা এমন একজন জনপ্রতিনিধি চান, যিনি সৎ, যোগ্য ও জনবান্ধব নেতৃত্ব দিতে সক্ষম হবেন। তাদের ভাষ্য, নির্বাচিত হলে হাফিজুর রহমান হিরু মাদক, জুয়া, সন্ত্রাস ও সামাজিক অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে তারা আশা করছেন।

বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) বিকেলে মহাস্থান বন্দরে নিজ কার্যালয়ে এ প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে হাফিজুর রহমান হিরু বলেন, নির্বাচিত হলে রায়নগর ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, পরিকল্পিত ও বৈষম্যহীন ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলাই হবে তার প্রধান লক্ষ্য।

তিনি বলেন, “মাদক, জুয়া ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করব। সরকারি বিভিন্ন সেবা ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা প্রকৃত উপকারভোগীদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কাজ করব। পাশাপাশি ইউনিয়নের রাস্তাঘাট, কালভার্ট, ড্রেনেজ ব্যবস্থাসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর উন্নয়নে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।”

তিনি আরও বলেন, “আমি কোনো পদ-পদবির জন্য নয়, মানুষের সেবার লক্ষ্য নিয়েই রাজনীতি করি। অতীতেও ইউনিয়নের অসহায় মানুষের পাশে ছিলাম, ভবিষ্যতেও থাকব। রায়নগর ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন কামনা করছি।”

স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা চললেও নির্বাচনের তফসিল এখনও ঘোষণা হয়নি। তবে সম্ভাব্য প্রার্থীরা ইতোমধ্যে গণসংযোগ ও জনসম্পৃক্ত কার্যক্রম জোরদার করেছেন। নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসবে, রায়নগরের রাজনৈতিক সমীকরণ আরও স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।