স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার সোনাতলায় রাজিয়া সুলতানা(১৬) নামের এক নবম শ্রেণির ছাত্রী আজ শনিবার সকালে চিরকুট লিখে সর্ম্পকের জেরে আত্মহত্যা করেছে। আর ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার জোরগাছা ইউনিয়নের শিচারপাড়া গুচ্ছ গ্রামে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে পরিবারের সদস্যদের অজান্তে রাজিয়া সুলতানা একটি চিরকুট লিখে নিজ ঘরে গলায় ফাঁস দেয়। পরে বিষয়টি টের পেয়ে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সোনাতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত রাজিয়া সুলতানা শিচারপাড়া গুচ্ছ গ্রামের অটোগাড়িচালক সাঈদ খন্দকারের মেয়ে। বর্তমানে তার বাবা গার্মেন্টসে কর্মরত রয়েছেন। রাজিয়া গ্রামের বাড়িতে তার দাদি আছিয়া বেওয়ার সঙ্গে বসবাস করত।
পরিবার জানায়, শনিবার সকাল ৬টার দিকে দাদি আছিয়া বেওয়া বাজারে গেলে সেই সুযোগে রাজিয়া একটি চিরকুট লিখে আত্মহত্যা করে।
চিরকুটে রাজিয়া লিখেছে, আম্মু-আব্বু, আমি যদি মরে যাই তোমরা আমাকে ক্ষমা করে দিও। আমার মৃত্যুর জন্য কান্নাকাটি করো না। তোমরা সবাই আমাকে ক্ষমা করে দিও। মানুষের অনেক কথা আর ভালো লাগছে না, তাই আমি নিজেই এই পথ বেছে নিচ্ছি। তোমরা কিছু মনে করো না। ইতি—তোমাদের আদরের মেয়ে রাজিয়া।
খবর পেয়ে সোনাতলা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে। পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এ বিষয়ে ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গোলাম রব্বানী বলেন, আমরা যতদূর জানি জিনের আছর লাগতে পারে এছাড়াও মেয়েটার গলায় ওনেক তাবিজ থাকতো । এর আগেও অনেকবার নানা রকম সমস্যা করেছে।
সোনাতলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কবির হোসেন বলেন, ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে। এতে বাবা-মাকে কান্নাকাটি না করার অনুরোধ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পড়াশোনার চাপ ও মানসিক অস্থিরতার কারণে সে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
Reporter Name 


















