০৪:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সারিয়াকান্দি পেল নদীবন্দরের স্বীকৃতি, যমুনায় উন্মোচিত হলো নতুন সম্ভাবনা

  • Reporter Name
  • ০২:০৬:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • ১৬৯

সোনাতলা সংবাদ ডেস্কঃ বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলায় যমুনা নদীর তীরে নতুন অভ্যন্তরীণ নদীবন্দর প্রতিষ্ঠার সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। বুধবার (৮ জুলাই) নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করে নদীবন্দরের সীমানা নির্ধারণ করেছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সারিয়াকান্দি নদীবন্দরের উত্তর সীমানা সদর ইউনিয়নের কালিতলা ঘাটের উত্তরে হাটশেরপুর ইউনিয়নের খুদ্দ বলাইল মৌজার দিঘাপাড়া ঘাট সংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত। পূর্ব দিকে যমুনা নদীর ওপারে কাজলা ইউনিয়নের বেড়া পাঁচবাড়িয়া মৌজার জামথল ঘাট পর্যন্ত এ বন্দরের সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে।

দক্ষিণ সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে কর্ণিবাড়ি ইউনিয়নের চরকুমারপাড়া মৌজার মথুরাপাড়া ঘাট পর্যন্ত এবং যমুনার পূর্ব তীরে একই ইউনিয়নের নারাপালা মৌজার মূলবাড়ি এলাকা পর্যন্ত।

এছাড়া নদীর পূর্ব ও পশ্চিম তীরে সাধারণ সর্বোচ্চ পানির সমতল থেকে ভূ-ভাগের দিকে ৫০ গজ পর্যন্ত এলাকা বন্দরের সীমানার অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, দিঘাপাড়া, কালিতলা, মথুরাপাড়া (দেবডাঙ্গা), জামথল ও শোনপচা ঘাটসহ গেজেটভুক্ত সব খাল ও নৌঘাট সারিয়াকান্দি নদীবন্দরের আওতায় থাকবে। ভবিষ্যতে নৌপথ উন্নয়ন, জেটি নির্মাণ, যাত্রীসেবা সম্প্রসারণ এবং অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণের প্রয়োজনে বন্দরের নির্ধারিত এলাকায় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

সরকার বিআইডব্লিউটিএকে সারিয়াকান্দি নদীবন্দরের সংরক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছে।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, নদীবন্দর চালুর ফলে সারিয়াকান্দিতে নৌযোগাযোগ আরও উন্নত হবে। কৃষিপণ্য ও অন্যান্য পণ্য পরিবহন সহজ হওয়ার পাশাপাশি যাত্রী চলাচল, বাণিজ্য এবং স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি সঞ্চার হবে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

জনপ্রিয়

বগুড়ায় প্রেস কাউন্সিলের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সারিয়াকান্দি পেল নদীবন্দরের স্বীকৃতি, যমুনায় উন্মোচিত হলো নতুন সম্ভাবনা

০২:০৬:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

সোনাতলা সংবাদ ডেস্কঃ বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলায় যমুনা নদীর তীরে নতুন অভ্যন্তরীণ নদীবন্দর প্রতিষ্ঠার সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। বুধবার (৮ জুলাই) নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করে নদীবন্দরের সীমানা নির্ধারণ করেছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সারিয়াকান্দি নদীবন্দরের উত্তর সীমানা সদর ইউনিয়নের কালিতলা ঘাটের উত্তরে হাটশেরপুর ইউনিয়নের খুদ্দ বলাইল মৌজার দিঘাপাড়া ঘাট সংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত। পূর্ব দিকে যমুনা নদীর ওপারে কাজলা ইউনিয়নের বেড়া পাঁচবাড়িয়া মৌজার জামথল ঘাট পর্যন্ত এ বন্দরের সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে।

দক্ষিণ সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে কর্ণিবাড়ি ইউনিয়নের চরকুমারপাড়া মৌজার মথুরাপাড়া ঘাট পর্যন্ত এবং যমুনার পূর্ব তীরে একই ইউনিয়নের নারাপালা মৌজার মূলবাড়ি এলাকা পর্যন্ত।

এছাড়া নদীর পূর্ব ও পশ্চিম তীরে সাধারণ সর্বোচ্চ পানির সমতল থেকে ভূ-ভাগের দিকে ৫০ গজ পর্যন্ত এলাকা বন্দরের সীমানার অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, দিঘাপাড়া, কালিতলা, মথুরাপাড়া (দেবডাঙ্গা), জামথল ও শোনপচা ঘাটসহ গেজেটভুক্ত সব খাল ও নৌঘাট সারিয়াকান্দি নদীবন্দরের আওতায় থাকবে। ভবিষ্যতে নৌপথ উন্নয়ন, জেটি নির্মাণ, যাত্রীসেবা সম্প্রসারণ এবং অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণের প্রয়োজনে বন্দরের নির্ধারিত এলাকায় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

সরকার বিআইডব্লিউটিএকে সারিয়াকান্দি নদীবন্দরের সংরক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছে।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, নদীবন্দর চালুর ফলে সারিয়াকান্দিতে নৌযোগাযোগ আরও উন্নত হবে। কৃষিপণ্য ও অন্যান্য পণ্য পরিবহন সহজ হওয়ার পাশাপাশি যাত্রী চলাচল, বাণিজ্য এবং স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি সঞ্চার হবে।