০৯:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সোনাতলায় মৎস অফিসের অভিযান, আটক নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল আগুনে ভস্মীভূত 

  • Reporter Name
  • ০৫:১৩:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
  • ৭৫

স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার সোনাতলা উপজেলায় অবৈধভাবে মাছ শিকার রোধে উপজেলা মৎস্য দপ্তরের উদ্যোগে দিনব্যাপী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। বুধবার (১৫ই জুলাই ২০২৬) উপজেলার আড়িয়াঘাট সংলগ্ন বাঙালী নদী ও কামারযানি মাধবডাঙ্গা বিল এলাকায় পরিচালিত অভিযানে ৩০টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করা হয়।যার বাজার মূল্য প্রায় ষাট হাজার টাকা।
অভিযান শেষে জব্দকৃত জালগুলো আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।অভিযান পরিচালনা করেন সোনাতলা উপজেলা মৎস্য অফিসার আরিফুজ্জামান। এ সময় উপজেলা মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রোকসানা সহ উপজেলা মৎস অফিসর অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও এ অভিযানে পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা করেছেন।উপজেলা মৎস্য দপ্তর জানায়,প্রজনন মৌসুমে ও বছরের অন্যান্য সময়ে নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করে মাছ শিকার করলে জলজ সম্পদের মারাত্মক ক্ষতি হয়। মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ এবং প্রাকৃতিক ভাবে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি করতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত ভাবে পরিচালনা করা হবে। পাশাপাশি জেলেদের আইন মেনে মাছ আহরণের আহ্বান জানানো হয়েছে। তবে স্থানীয়রা জানান জালের নেট পোড়ানো হলেও খাঁচায় হিসেবে ব্যবহার কৃত লোহার রড গুলো ওই সময়ে নদীর পানিতে ফেলে দেয়া হয়। এতে করে ওই জাল ব্যবহার কারীরা অভিযান পরে তারা পানিতে নেমে উঠিয়ে আবার জাল তৈরিতে সহায়তা পাবেন।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

জনপ্রিয়

বগুড়ায় প্রেস কাউন্সিলের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সোনাতলায় মৎস অফিসের অভিযান, আটক নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল আগুনে ভস্মীভূত 

০৫:১৩:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার সোনাতলা উপজেলায় অবৈধভাবে মাছ শিকার রোধে উপজেলা মৎস্য দপ্তরের উদ্যোগে দিনব্যাপী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। বুধবার (১৫ই জুলাই ২০২৬) উপজেলার আড়িয়াঘাট সংলগ্ন বাঙালী নদী ও কামারযানি মাধবডাঙ্গা বিল এলাকায় পরিচালিত অভিযানে ৩০টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করা হয়।যার বাজার মূল্য প্রায় ষাট হাজার টাকা।
অভিযান শেষে জব্দকৃত জালগুলো আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।অভিযান পরিচালনা করেন সোনাতলা উপজেলা মৎস্য অফিসার আরিফুজ্জামান। এ সময় উপজেলা মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রোকসানা সহ উপজেলা মৎস অফিসর অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও এ অভিযানে পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা করেছেন।উপজেলা মৎস্য দপ্তর জানায়,প্রজনন মৌসুমে ও বছরের অন্যান্য সময়ে নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করে মাছ শিকার করলে জলজ সম্পদের মারাত্মক ক্ষতি হয়। মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ এবং প্রাকৃতিক ভাবে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি করতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত ভাবে পরিচালনা করা হবে। পাশাপাশি জেলেদের আইন মেনে মাছ আহরণের আহ্বান জানানো হয়েছে। তবে স্থানীয়রা জানান জালের নেট পোড়ানো হলেও খাঁচায় হিসেবে ব্যবহার কৃত লোহার রড গুলো ওই সময়ে নদীর পানিতে ফেলে দেয়া হয়। এতে করে ওই জাল ব্যবহার কারীরা অভিযান পরে তারা পানিতে নেমে উঠিয়ে আবার জাল তৈরিতে সহায়তা পাবেন।