০৯:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সোনাতলায় বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে ফসল, প্রাথমিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৩ কোটি টাকা

  • Reporter Name
  • ০৪:২৯:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
  • ৫৪

সোনাতলা (বগুড়া) প্রতিনিধি: উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও কয়েকদিনের টানা বর্ষণের প্রভাবে বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার যমুনা ও বাঙালি নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। নদীর পানি বাড়তে থাকায় উপজেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলের কৃষিজমি প্লাবিত হয়েছে এবং নানা ধরনের ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বন্যার পানিতে প্রায় ১৫ হেক্টর পাট, ১৩ হেক্টর শাক-সবজি, ১ হেক্টর কলা, ১ হেক্টর পেঁপে এবং ২১ হেক্টর রোপা আমনের বীজতলা তলিয়ে গেছে। প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী কৃষিখাতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৩ কোটি টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্থানীয় কৃষকদের ভাষ্য, যমুনা ও বাঙালি নদীঘেঁষা এলাকার মানুষকে প্রতি বছরই বন্যার সঙ্গে লড়াই করে জীবন ও জীবিকা টিকিয়ে রাখতে হয়। বর্ষা মৌসুমে দীর্ঘ সময় ধরে অনেক এলাকা পানিতে ডুবে থাকায় কৃষকেরা প্রায়ই ফসলহানির মুখে পড়েন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন, বন্যার পানি দ্রুত নেমে গেলে ক্ষতির পরিমাণ কিছুটা কমানো সম্ভব হবে। তবে যেসব ফসল দীর্ঘ সময় পানির নিচে থাকবে, সেগুলো টিকিয়ে রাখা কঠিন হবে। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রয়োজনীয় কৃষি পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস দেন।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

জনপ্রিয়

বগুড়ায় প্রেস কাউন্সিলের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সোনাতলায় বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে ফসল, প্রাথমিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৩ কোটি টাকা

০৪:২৯:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

সোনাতলা (বগুড়া) প্রতিনিধি: উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও কয়েকদিনের টানা বর্ষণের প্রভাবে বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার যমুনা ও বাঙালি নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। নদীর পানি বাড়তে থাকায় উপজেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলের কৃষিজমি প্লাবিত হয়েছে এবং নানা ধরনের ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বন্যার পানিতে প্রায় ১৫ হেক্টর পাট, ১৩ হেক্টর শাক-সবজি, ১ হেক্টর কলা, ১ হেক্টর পেঁপে এবং ২১ হেক্টর রোপা আমনের বীজতলা তলিয়ে গেছে। প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী কৃষিখাতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৩ কোটি টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্থানীয় কৃষকদের ভাষ্য, যমুনা ও বাঙালি নদীঘেঁষা এলাকার মানুষকে প্রতি বছরই বন্যার সঙ্গে লড়াই করে জীবন ও জীবিকা টিকিয়ে রাখতে হয়। বর্ষা মৌসুমে দীর্ঘ সময় ধরে অনেক এলাকা পানিতে ডুবে থাকায় কৃষকেরা প্রায়ই ফসলহানির মুখে পড়েন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন, বন্যার পানি দ্রুত নেমে গেলে ক্ষতির পরিমাণ কিছুটা কমানো সম্ভব হবে। তবে যেসব ফসল দীর্ঘ সময় পানির নিচে থাকবে, সেগুলো টিকিয়ে রাখা কঠিন হবে। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রয়োজনীয় কৃষি পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস দেন।