স্টাফ রিপোর্টার: বগুড়ার সোনাতলা উপজেলায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের তৎপরতা বাড়তে শুরু করেছে। নির্বাচন কমিশনের তফসিল এখনো ঘোষণা না হলেও তেকানীচুকাইনগর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় এরই মধ্যে নির্বাচনী আবহ তৈরি হয়েছে। সম্ভাব্য প্রার্থীরা সামাজিক, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের পাশাপাশি ভোটারদের সঙ্গে গণসংযোগ, কুশল বিনিময় এবং নানা জনসম্পৃক্ত কর্মকাণ্ডে নিজেদের উপস্থিতি জানান দিচ্ছেন।
সোনাতলা সংবাদ-এর ধারাবাহিক প্রতিবেদনের দ্বিতীয় পর্বে এবার তুলে ধরা হলো তেকানীচুকাইনগর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মাঠপর্যায়ের বর্তমান অবস্থান ও নির্বাচনী তৎপরতার চিত্র।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে তেকানীচুকাইনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নবীন-প্রবীণ মিলিয়ে একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন—বর্তমান চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম মন্ডল, তেকানীচুকাইনগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও তেকানীচুকাইনগর এ এম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মোকাররম হোসেন আকন্দ, জামায়াত নেতা মোঃ ওয়ালিউল্লাহ সিদ্দিকী, আলহাজ্ব আব্দুস সামাদ ব্যাপারী, সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম আব্দুল হামিদ মন্ডলের ছেলে আহসান হাবীব নয়ন, তেকানীচুকাইনগর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি শহিদুল ইসলাম সোহাগ, সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ শামচুল হক মন্ডল, আবু তাহের ব্যাপারী ও হুকোম আলী বিএসসি।
সম্ভাব্য প্রার্থীদের কেউ দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ভোটারদের কাছে নিজের অবস্থান তুলে ধরছেন, আবার কেউ নতুন নেতৃত্বের প্রত্যাশা সামনে রেখে মাঠে সক্রিয় হচ্ছেন। বিভিন্ন ওয়ার্ড ও গ্রাম ঘুরে ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময়, ব্যক্তিগত যোগাযোগ এবং সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর চেষ্টা করছেন তারা।
এদিকে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতায় স্থানীয় ভোটারদের মধ্যেও নির্বাচন নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে হাট-বাজার ও বিভিন্ন সামাজিক পরিসরে সম্ভাব্য প্রার্থীদের জনপ্রিয়তা, সাংগঠনিক সক্ষমতা ও নির্বাচনী প্রস্তুতি নিয়ে চলছে নানা হিসাব-নিকাশ।
তবে এখনো ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হয়নি। ফলে তফসিল ঘোষণার পর প্রার্থী সংখ্যা, প্রার্থীদের অবস্থান এবং রাজনৈতিক সমীকরণে পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, নির্বাচনের সময় যত ঘনিয়ে আসবে, ততই সম্ভাব্য প্রার্থীদের মাঠের তৎপরতা বাড়বে এবং শেষ পর্যন্ত কারা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকছেন, সেটিই হবে দেখার বিষয়।
সোনাতলা সংবাদ-এর ধারাবাহিক প্রতিবেদনের পরবর্তী পর্বে সোনাতলা উপজেলার মধুপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।
আল মামুন 


















