০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সোনাতলায় মাদ্রাসার নিয়োগে জালিয়াতির অভিযোগ, সুপারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

  • Reporter Name
  • ১২:৩৮:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
  • ৬৮

স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার ফজিলা শরীফ বালিকা দাখিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার মোহাম্মদ আলীর বিরুদ্ধে তিনটি পদে নিয়োগে জালিয়াতির অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। একই সঙ্গে কেন তাঁর এমপিও সুবিধা সাময়িকভাবে স্থগিতসহ স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে না, সে বিষয়ে তিন কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ জুলাই ২০২৬) মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অর্থ শাখা থেকে সহকারী পরিচালক (অর্থ) ও এমপিও যাচাই ও অনুমোদন কমিটির সদস্য সচিব মোহাম্মদ শুকুর আলম মজুমদার স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত পত্র জারি করা হয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৬ অনুযায়ী গঠিত এমপিও যাচাই-বাছাই ও অনুমোদন কমিটির সভায় সোনাতলা উপজেলার ফজিলা শরীফ বালিকা দাখিল মাদ্রাসার অফিস সহকারী কাম হিসাবরক্ষক, পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও নিরাপত্তা কর্মী পদে নতুন এমপিওভুক্তির আবেদন পর্যালোচনা করা হয়।
অধিদপ্তরের দাবি, মহাপরিচালকের প্রতিনিধির নামে জাল চিঠি প্রস্তুত, নিয়োগ বোর্ড গঠনে অনিয়ম এবং অনুমোদন প্রক্রিয়ায় অসঙ্গতির অভিযোগ পাওয়া যায়। বিষয়টি যাচাই-বাছাই শেষে কমিটি সংশ্লিষ্ট তিন কর্মচারীর নতুন এমপিও আবেদন বাতিলের সুপারিশ করে।
এ অবস্থায় এমপিও নীতিমালার ১৮.১(৩) ও ১৮.১(৬) ধারা অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত সুপার মোহাম্মদ আলীর (ইনডেক্স: R398612) এমপিও বেতন-ভাতা সাময়িকভাবে স্থগিতের বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশে তাঁকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে সন্তোষজনক লিখিত জবাব দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পত্রে আরও বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব দাখিল না করলে অথবা প্রদত্ত জবাব সন্তোষজনক বিবেচিত না হলে তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
চিঠির অনুলিপি মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ), উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (সোনাতলা), ফজিলা শরীফ বালিকা দাখিল মাদ্রাসার সভাপতি এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে প্রেরণ করা হয়েছে।

এবিষয়ে অভিযুক্ত সোনাতলা ফজিলা শরীফ বালিকা দাখিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার মোহাম্মদ আলীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এবিষয়ে সোনাতলা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্বে) মোঃ নাজমুল ইসলাম কারণ দর্শানোর নোটিশ পাওয়ার বিষয়টি সোনাতলা সংবাদকে নিশ্চিত করে বলেন, নোটিশ দিয়েছে। তিনি (ভারপ্রাপ্ত সুপার) নোটিশের জবাব দিবেন। তারপর কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিবেন।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

জনপ্রিয়

বগুড়ায় প্রেস কাউন্সিলের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সোনাতলায় মাদ্রাসার নিয়োগে জালিয়াতির অভিযোগ, সুপারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

১২:৩৮:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার ফজিলা শরীফ বালিকা দাখিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার মোহাম্মদ আলীর বিরুদ্ধে তিনটি পদে নিয়োগে জালিয়াতির অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। একই সঙ্গে কেন তাঁর এমপিও সুবিধা সাময়িকভাবে স্থগিতসহ স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে না, সে বিষয়ে তিন কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ জুলাই ২০২৬) মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অর্থ শাখা থেকে সহকারী পরিচালক (অর্থ) ও এমপিও যাচাই ও অনুমোদন কমিটির সদস্য সচিব মোহাম্মদ শুকুর আলম মজুমদার স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত পত্র জারি করা হয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৬ অনুযায়ী গঠিত এমপিও যাচাই-বাছাই ও অনুমোদন কমিটির সভায় সোনাতলা উপজেলার ফজিলা শরীফ বালিকা দাখিল মাদ্রাসার অফিস সহকারী কাম হিসাবরক্ষক, পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও নিরাপত্তা কর্মী পদে নতুন এমপিওভুক্তির আবেদন পর্যালোচনা করা হয়।
অধিদপ্তরের দাবি, মহাপরিচালকের প্রতিনিধির নামে জাল চিঠি প্রস্তুত, নিয়োগ বোর্ড গঠনে অনিয়ম এবং অনুমোদন প্রক্রিয়ায় অসঙ্গতির অভিযোগ পাওয়া যায়। বিষয়টি যাচাই-বাছাই শেষে কমিটি সংশ্লিষ্ট তিন কর্মচারীর নতুন এমপিও আবেদন বাতিলের সুপারিশ করে।
এ অবস্থায় এমপিও নীতিমালার ১৮.১(৩) ও ১৮.১(৬) ধারা অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত সুপার মোহাম্মদ আলীর (ইনডেক্স: R398612) এমপিও বেতন-ভাতা সাময়িকভাবে স্থগিতের বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশে তাঁকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে সন্তোষজনক লিখিত জবাব দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পত্রে আরও বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব দাখিল না করলে অথবা প্রদত্ত জবাব সন্তোষজনক বিবেচিত না হলে তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
চিঠির অনুলিপি মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ), উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (সোনাতলা), ফজিলা শরীফ বালিকা দাখিল মাদ্রাসার সভাপতি এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে প্রেরণ করা হয়েছে।

এবিষয়ে অভিযুক্ত সোনাতলা ফজিলা শরীফ বালিকা দাখিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার মোহাম্মদ আলীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এবিষয়ে সোনাতলা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্বে) মোঃ নাজমুল ইসলাম কারণ দর্শানোর নোটিশ পাওয়ার বিষয়টি সোনাতলা সংবাদকে নিশ্চিত করে বলেন, নোটিশ দিয়েছে। তিনি (ভারপ্রাপ্ত সুপার) নোটিশের জবাব দিবেন। তারপর কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিবেন।