০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সোনাতলায় অপহরণ মামলায় কিশোরী উদ্ধার, আদালতের নির্দেশে সেফহোমে

  • Reporter Name
  • ০৩:৩৪:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৫০

স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার সোনাতলা উপজেলায় অপহরণ মামলার এক ১৫ বছর বয়সী কিশোরীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরে আদালতে জবানবন্দি গ্রহণ শেষে নিরাপত্তার স্বার্থে তাকে রাজশাহীর সেফ হোমে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় কিশোরীর বাবা মোঃ জাহিদ হাসান নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে দুইজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২-৩ জনকে আসামি করে মামলা করেছেন। মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের মামলা নং-১৭৫ সি/২০২৬। এতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৭/৩০ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।মামলার বাদী মোঃ জাহিদ হাসান উপজেলার পাকুল্লা ইউনিয়নের হুয়াকুয়া গ্রামের মৃত খায়রুজ্জামান আকন্দের ছেলে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে,গত ৩ জুলাই সন্ধ্যায় সোনাতলা পৌর সদরের একটি মাদ্রাসার গেটসংলগ্ন সড়ক থেকে কিশোরীকে জোরপূর্বক একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এ ঘটনায় সোনাতলা সদর ইউনিয়নের সুজাইতপুর গ্রামের পরশ আলী (৩০) এবং পৌর এলাকার কামারপাড়া গ্রামের মোস্তাফিজার রহমান ওরফে রতন (৪৫)-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ২-৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।
বাদীর দাবি,পারিবারিক বিরোধ ও সন্তানদের জিম্মা সংক্রান্ত আদালতের আদেশকে কেন্দ্র করে এ অপহরণের ঘটনা ঘটে। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও মেয়ের সন্ধান না পেয়ে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন।
মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে কিশোরীকে উদ্ধার করে। উদ্ধারের পরদিন তার মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়। পরে আদালতে তার ২২ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়। জবানবন্দি শেষে কিশোরীর নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আদালত তাকে রাজশাহী সেফ হোমে রাখার নির্দেশ দেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সোনাতলা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোবারক হোসেন বলেন, তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়েছে। মেডিকেল পরীক্ষা শেষে আদালতে তার জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়। পরে আদালত নিরাপত্তার স্বার্থে তাকে রাজশাহী সেফ হোমে পাঠানোর নির্দেশ দেন। মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

জনপ্রিয়

বগুড়ায় প্রেস কাউন্সিলের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সোনাতলায় অপহরণ মামলায় কিশোরী উদ্ধার, আদালতের নির্দেশে সেফহোমে

০৩:৩৪:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার সোনাতলা উপজেলায় অপহরণ মামলার এক ১৫ বছর বয়সী কিশোরীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরে আদালতে জবানবন্দি গ্রহণ শেষে নিরাপত্তার স্বার্থে তাকে রাজশাহীর সেফ হোমে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় কিশোরীর বাবা মোঃ জাহিদ হাসান নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে দুইজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২-৩ জনকে আসামি করে মামলা করেছেন। মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের মামলা নং-১৭৫ সি/২০২৬। এতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৭/৩০ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।মামলার বাদী মোঃ জাহিদ হাসান উপজেলার পাকুল্লা ইউনিয়নের হুয়াকুয়া গ্রামের মৃত খায়রুজ্জামান আকন্দের ছেলে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে,গত ৩ জুলাই সন্ধ্যায় সোনাতলা পৌর সদরের একটি মাদ্রাসার গেটসংলগ্ন সড়ক থেকে কিশোরীকে জোরপূর্বক একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এ ঘটনায় সোনাতলা সদর ইউনিয়নের সুজাইতপুর গ্রামের পরশ আলী (৩০) এবং পৌর এলাকার কামারপাড়া গ্রামের মোস্তাফিজার রহমান ওরফে রতন (৪৫)-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ২-৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।
বাদীর দাবি,পারিবারিক বিরোধ ও সন্তানদের জিম্মা সংক্রান্ত আদালতের আদেশকে কেন্দ্র করে এ অপহরণের ঘটনা ঘটে। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও মেয়ের সন্ধান না পেয়ে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন।
মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে কিশোরীকে উদ্ধার করে। উদ্ধারের পরদিন তার মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়। পরে আদালতে তার ২২ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়। জবানবন্দি শেষে কিশোরীর নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আদালত তাকে রাজশাহী সেফ হোমে রাখার নির্দেশ দেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সোনাতলা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোবারক হোসেন বলেন, তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়েছে। মেডিকেল পরীক্ষা শেষে আদালতে তার জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়। পরে আদালত নিরাপত্তার স্বার্থে তাকে রাজশাহী সেফ হোমে পাঠানোর নির্দেশ দেন। মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।