০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সোনাতলায় দাখিলের ফলে শীর্ষে মধ্য দিঘলকান্দী, শতভাগ ফেল তেকানী চুকাইনগর পিএম মাদ্রাসায়

  • Reporter Name
  • ০২:৩৪:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
  • ৩৭১

স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার সোনাতলা উপজেলায় চলতি বছরের দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে সাফল্যের শীর্ষে রয়েছে মধ্য দিঘলকান্দী আব্দুল বাছেত দাখিল মাদ্রাসা। অন্যদিকে উপজেলার একটি মাদ্রাসা থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি।

উপজেলার ফলাফল পর্যালোচনায় জানা গেছে, মধ্য দিঘলকান্দী আব্দুল বাছেত দাখিল মাদ্রাসা থেকে এবারের দাখিল পরীক্ষায় ৩০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। তাদের মধ্যে ২৩ জন কৃতকার্য হয়েছে। পাসের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির একজন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ (এপ্লাস) অর্জন করেছে।

অন্যদিকে তেকানী চুকাইনগর পিএম দাখিল মাদ্রাসার ফলাফল হয়েছে সম্পূর্ণ বিপরীত। প্রতিষ্ঠানটি থেকে এবার দাখিল পরীক্ষায় ১২ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করলেও তাদের একজনও উত্তীর্ণ হতে পারেনি। অর্থাৎ প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার দাঁড়িয়েছে শূন্য শতাংশে।

একই উপজেলার দুটি মাদ্রাসার ফলাফলে এমন বড় ব্যবধান নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে। ভালো ফলাফল করা প্রতিষ্ঠানের সাফল্যের কারণ এবং শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠানের ফল বিপর্যয়ের কারণ খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

জনপ্রিয়

বগুড়ায় প্রেস কাউন্সিলের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সোনাতলায় দাখিলের ফলে শীর্ষে মধ্য দিঘলকান্দী, শতভাগ ফেল তেকানী চুকাইনগর পিএম মাদ্রাসায়

০২:৩৪:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার সোনাতলা উপজেলায় চলতি বছরের দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে সাফল্যের শীর্ষে রয়েছে মধ্য দিঘলকান্দী আব্দুল বাছেত দাখিল মাদ্রাসা। অন্যদিকে উপজেলার একটি মাদ্রাসা থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি।

উপজেলার ফলাফল পর্যালোচনায় জানা গেছে, মধ্য দিঘলকান্দী আব্দুল বাছেত দাখিল মাদ্রাসা থেকে এবারের দাখিল পরীক্ষায় ৩০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। তাদের মধ্যে ২৩ জন কৃতকার্য হয়েছে। পাসের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির একজন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ (এপ্লাস) অর্জন করেছে।

অন্যদিকে তেকানী চুকাইনগর পিএম দাখিল মাদ্রাসার ফলাফল হয়েছে সম্পূর্ণ বিপরীত। প্রতিষ্ঠানটি থেকে এবার দাখিল পরীক্ষায় ১২ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করলেও তাদের একজনও উত্তীর্ণ হতে পারেনি। অর্থাৎ প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার দাঁড়িয়েছে শূন্য শতাংশে।

একই উপজেলার দুটি মাদ্রাসার ফলাফলে এমন বড় ব্যবধান নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে। ভালো ফলাফল করা প্রতিষ্ঠানের সাফল্যের কারণ এবং শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠানের ফল বিপর্যয়ের কারণ খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।