সোনাতলা সংবাদ ডেস্কঃ বগুড়ার সোনাতলায় রেলওয়ের সম্পত্তিতে নির্মাণাধীন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এর জের ধরে সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় সোনাতলা রেলস্টেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য ‘ক্লোজ ডাউন’ (বন্ধ) ঘোষণা করেছে লালমনিরহাট রেলওয়ে বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ।
বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বগুড়া রেলওয়ে অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলীর নেতৃত্বে এবং রেলওয়ে পুলিশের সহায়তায় উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। সোনাতলা রেলস্টেশনের উত্তর পাশে নির্মাণাধীন একটি টয়লেট এবং রেলগেট সংলগ্ন বেশ কিছু অবৈধ ফলের দোকান উচ্ছেদ শেষে রেলওয়ে কর্মকর্তারা স্টেশন মাস্টারের কক্ষে অবস্থান নেন।
অভিযোগ উঠেছে, উচ্ছেদের কারণ জানতে চেয়ে স্থানীয় কিছু রাজনৈতিক নেতাকর্মী স্টেশন মাস্টারের কক্ষে প্রবেশ করেন। সেখানে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তারা রেলস্টেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর এলোপাতাড়ি হামলা চালায়। হামলায় টিকিট বিক্রির কম্পিউটারসহ ভেতরের বিভিন্ন সরঞ্জাম ভাঙচুর করা হয়।
এ হামলায় আহত হয়েছেন সোনাতলা রেলস্টেশন ইনচার্জ রবিউল ইসলাম, চুক্তিভিত্তিক স্টেশন মাস্টার মাজেদ, গ্রেড-২ বুকিং সহকারী মাসুম পারভেজ, পয়েন্টসম্যান সাজ্জাদুর রহমান ও শোয়াইব এবং পোর্টার দুলাল হোসেন।
ঘটনার পর রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানানো হলে লালমনিরহাট কন্ট্রোল রুম থেকে তাৎক্ষণিকভাবে স্টেশনটির যাবতীয় কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় পৌরসভার প্রকৌশলী শাহিনের কাছে টয়লেট নির্মাণ কাজের বরাদ্দের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি পৌরসভার বরাদ্দ নয়। তাই ওই বিষয়ে কোনো তথ্য প্রদান করতে পারছি না।
স্টেশন ইনচার্জ রবিউল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে আসার পর তাদের ওপর এ হামলা চালানো হয়। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে অনির্দিষ্টকালের জন্য স্টেশনটি ক্লোজ ডাউন রাখা হয়েছে।
এদিকে হঠাৎ রেলস্টেশন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা। ঘটনাটি নিয়ে পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সূত্র- দৈনিক কালবেলা
Reporter Name 


















