০৪:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বগুড়ায় হচ্ছে দেশের চতুর্থ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, আধুনিক বিমানঘাঁটি ও ফ্লাইং একাডেমি

  • Reporter Name
  • ০৪:২৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
  • ৯২

সোনাতলা সংবাদ ডেস্কঃ উত্তরাঞ্চলের দীর্ঘদিনের দাবি ও প্রত্যাশা পূরণের পথে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বগুড়ার এরুলিয়ায় অবস্থিত বর্তমান বিমানফিল্ডকে দেশের চতুর্থ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্নীত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। একই প্রকল্পের আওতায় সেখানে আধুনিক বিমানঘাঁটি ও ফ্লাইং একাডেমি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগও রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের মে মাসে উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল এরুলিয়া বিমানফিল্ড ও এর আশপাশের এলাকা পরিদর্শন করে। পরিদর্শনের পর বিমানফিল্ডটিকে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলের উপযোগী করে গড়ে তোলার বিষয়ে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নের পরিকল্পনা সামনে আসে।
প্রস্তাবিত উন্নয়ন পরিকল্পনায় দীর্ঘ রানওয়ে নির্মাণ, আধুনিক যাত্রী টার্মিনাল, বিমান চলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় নেভিগেশন ব্যবস্থা এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক অবকাঠামো তৈরির বিষয় রয়েছে। এসব কাজ বাস্তবায়ন হলে বগুড়া থেকে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক রুটে বিমান চলাচলের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।
জুলাই মাসে বগুড়ায় অনুষ্ঠিত একটি মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর এয়ার ভাইস মার্শাল শামীমুল ইসলাম জানান, এরুলিয়ার বিদ্যমান এয়ারফিল্ডকে দেশের চতুর্থ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্নীত করার আনুষ্ঠানিক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সেখানে আধুনিক বিমানঘাঁটি এবং ফ্লাইং একাডেমি স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়।
সংশ্লিষ্টদের মতে, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর চালু হলে বগুড়া ও আশপাশের জেলার ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প, কৃষিপণ্য পরিবহন, পর্যটন এবং বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে। উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে দেশের অন্যান্য অঞ্চল ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগও আরও সহজ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সূত্র- দৈনিক এদিন।
অন্যদিকে, ফ্লাইং একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হলে দেশে প্রশিক্ষিত পাইলট ও বিমান চলাচল খাতের দক্ষ জনবল তৈরির সুযোগ বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
দীর্ঘদিন ধরে বগুড়ায় পূর্ণাঙ্গ বিমানবন্দর প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়ে আসছেন উত্তরাঞ্চলের মানুষ। নতুন এই পরিকল্পনা ঘিরে তাই বগুড়াসহ পুরো উত্তরাঞ্চলে আশাবাদ তৈরি হয়েছে। পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে আকাশপথে যোগাযোগের পাশাপাশি এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও নতুন গতি সঞ্চার হতে পারে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

জনপ্রিয়

বগুড়ায় প্রেস কাউন্সিলের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

বগুড়ায় হচ্ছে দেশের চতুর্থ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, আধুনিক বিমানঘাঁটি ও ফ্লাইং একাডেমি

০৪:২৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

সোনাতলা সংবাদ ডেস্কঃ উত্তরাঞ্চলের দীর্ঘদিনের দাবি ও প্রত্যাশা পূরণের পথে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বগুড়ার এরুলিয়ায় অবস্থিত বর্তমান বিমানফিল্ডকে দেশের চতুর্থ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্নীত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। একই প্রকল্পের আওতায় সেখানে আধুনিক বিমানঘাঁটি ও ফ্লাইং একাডেমি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগও রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের মে মাসে উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল এরুলিয়া বিমানফিল্ড ও এর আশপাশের এলাকা পরিদর্শন করে। পরিদর্শনের পর বিমানফিল্ডটিকে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলের উপযোগী করে গড়ে তোলার বিষয়ে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নের পরিকল্পনা সামনে আসে।
প্রস্তাবিত উন্নয়ন পরিকল্পনায় দীর্ঘ রানওয়ে নির্মাণ, আধুনিক যাত্রী টার্মিনাল, বিমান চলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় নেভিগেশন ব্যবস্থা এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক অবকাঠামো তৈরির বিষয় রয়েছে। এসব কাজ বাস্তবায়ন হলে বগুড়া থেকে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক রুটে বিমান চলাচলের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।
জুলাই মাসে বগুড়ায় অনুষ্ঠিত একটি মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর এয়ার ভাইস মার্শাল শামীমুল ইসলাম জানান, এরুলিয়ার বিদ্যমান এয়ারফিল্ডকে দেশের চতুর্থ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্নীত করার আনুষ্ঠানিক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সেখানে আধুনিক বিমানঘাঁটি এবং ফ্লাইং একাডেমি স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়।
সংশ্লিষ্টদের মতে, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর চালু হলে বগুড়া ও আশপাশের জেলার ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প, কৃষিপণ্য পরিবহন, পর্যটন এবং বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে। উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে দেশের অন্যান্য অঞ্চল ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগও আরও সহজ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সূত্র- দৈনিক এদিন।
অন্যদিকে, ফ্লাইং একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হলে দেশে প্রশিক্ষিত পাইলট ও বিমান চলাচল খাতের দক্ষ জনবল তৈরির সুযোগ বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
দীর্ঘদিন ধরে বগুড়ায় পূর্ণাঙ্গ বিমানবন্দর প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়ে আসছেন উত্তরাঞ্চলের মানুষ। নতুন এই পরিকল্পনা ঘিরে তাই বগুড়াসহ পুরো উত্তরাঞ্চলে আশাবাদ তৈরি হয়েছে। পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে আকাশপথে যোগাযোগের পাশাপাশি এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও নতুন গতি সঞ্চার হতে পারে।