সোনাতলা সংবাদ ডেস্কঃ আজ রাতে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় আমি একটু বাইরে হাঁটতে বের হয়েছিলাম। হাঁটতে হাঁটতে সোনাতলা বাসস্ট্যান্ডের দিকে যাই। সেখানে হঠাৎ এক ছেলে এসে আমাকে বলে, আমি নাকি অনেক দিন আগে তার কাছ থেকে টাকা নিয়েছি।
কথাটা শুনে আমি তো অবাক! কারণ আমি কখনো তার কাছ থেকে টাকা নিয়েছি—এমন কোনো ঘটনাই আমার মনে নেই। বিষয়টি নিয়ে কথা বলার একপর্যায়ে হঠাৎ সে আমার হাত থেকে মোবাইল ফোনটি কেড়ে নেয় এবং বলে, “টাকা দিবি, তারপর ফোন পাবি।”
এরপর আমাকে জোর করে তার বাড়ির দিকে নিয়ে যায়।
আমি বুঝতে পারছিলাম, পরিস্থিতি ভালো না। তাই মাথা ঠান্ডা রেখে কৌশলে তাকে বলি, আমি টাকা দেব। চাইলে ফোনটি বন্ধক রেখে টাকা দেওয়ার ব্যবস্থা করতে পারি। কোনোভাবে তাকে সঙ্গে নিয়ে আবার বাসস্ট্যান্ডের দিকে আসতে সক্ষম হই।
বাসস্ট্যান্ডে এসে একজন দোকানদারকে চোখের ইশারায় বোঝানোর চেষ্টা করি যে আমি বিপদে আছি। তাকে এটাও বোঝাই যে, ফোনটা শুধু তার কাছে নিতে হবে—টাকা দেওয়ার জন্য নয়। কারণ ফোনটা তার হাতে গেলেই আবার ছেলেটি আমার কাছ থেকে কেড়ে নিতে পারে।
দোকানদার ফোনটি হাতে নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমি ছেলেটিকে ধরে ফেলি। তখন পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে গেলে সে দ্রুত সেখান থেকে দৌড়ে পালিয়ে যায়।
আমি সত্যিই খুব ভয় পেয়েছি। আজ আমার সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটেছে, কাল যে অন্য কারও সঙ্গে হবে না—তার নিশ্চয়তা কী?
আমি একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। পাশাপাশি টিউশনি করি। নিরাপত্তার কারণে দয়া করে আমার নাম-পরিচয় প্রকাশ করবেন না।
ঘটনাটি আপনাদের কাছে অবিশ্বাস্য মনে হলে সোনাতলা বাসস্ট্যান্ডের আশপাশের দোকানদার বা প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি যাচাই করতে পারেন।
আমার অনুরোধ, বিষয়টি দয়া করে হালকাভাবে নেবেন না। পুলিশকে ঘটনাটি জানান এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করুন।
আজ আমি কোনোভাবে নিজেকে সামলাতে পেরেছি। কিন্তু আগামী দিনে যদি অন্য কোনো শিক্ষার্থী, নারী, শিশু কিংবা সাধারণ মানুষের সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটে—তখন হয়তো পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।
দয়া করে বিষয়টি একটু দেখবেন। থানায় ঘটনাটি জানাবেন—এটাই আমার অনুরোধ।
আরেকবার বলছি, আমার নাম বা কোনো ব্যক্তিগত পরিচয় প্রকাশ করবেন না। শুধু ঘটনাটি গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন।
(সোনাতলা সংবাদ এর ম্যাসেঞ্জারে লেখাটি পাঠিয়েছেন একজন পাঠক)।
Reporter Name 


















